পেঁয়াজ মজুদের অভিযোগ, কাঠগড়ায় আমদানিকারক

|

বাজারে কৃত্তিম সংকট সৃষ্টির উদ্দেশ্যে আমাদানিকৃত পেঁয়াজ অবৈধভাবে মজুদ করার অভিযোগে এক আমদানিকারককে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য চিঠি দিয়েছে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর।

গত ১৯ নভেম্বর (মঙ্গলবার) কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের অতি: মহাপরিচালক শামীমা আক্তারের স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের পক্ষ থেকে চাপাইনবাবগঞ্জের বি এইচ ট্রেডিং এন্ড কোং: এর স্বত্বাধিকারী বরাবর এ চিঠি প্রেরণ করা হয়।

চিঠিতে বলা হয়, পেঁয়াজ একটি নিত্য ভোগ্য মসলা জাতীয় পণ্য। সম্প্রতি দেখা যাচ্ছে বাজারে পেঁয়াজের দাম অস্বাভাবিক বৃদ্ধি পাওয়ায় মানুষের ক্রয় ক্ষমতার উর্দ্ধে চলে গেছে এবং তা অসহনীয় পর্যায়ে। আসিকুডা ওয়ার্ল্ড সিস্টেম/ বাংলাদেশ কাস্টমস এর এমআইএস সিস্টেম হতে সংগ্রহীত তথ্য পর্যালোচনায় দেখা যায় যে, আপনার প্রতিষ্ঠান কর্তৃক আগস্ট ২০১৯ হতে ১৮ নভেম্বর ২০১৯ পর্যন্ত ৩৭৪৬.৫০ টন পেঁয়াজ আমদানি করা হয়েছে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায় যে, বাজারে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টির উদ্দেশ্যে আমদানিকৃত পেঁয়াজ অবৈধভাবে আপনি মজুদ করেছেন এবং আপনার বিরুদ্ধে এ বিষয়ে মানিলন্ডারিং এর অভিযোগও রয়েছে। এর প্রেক্ষিতে আপনার আমদানিকৃত পেঁয়াজ এর বিস্তারিত তথ্য এ দপ্তর কর্তৃক অনুসন্ধান করা প্রয়োজন। এমতবস্থায় মানিলন্ডারিং সংক্রান্ত অভিযোগ অনুসন্ধানের স্বার্থে বিস্তারিত তথ্য আগামী ২৪ নভেম্বর ২০১৯ তারিখের মধ্যে এ দপ্তরে প্রেরণের জন্য আপনাকে বলা হলো এবং ২৫ নভেম্বর ২০১৯ তারিখ সকাল ১০:৩০ বর্ণিত তথ্যাদিসহ কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর, ঢাকায় আপনাকে উপস্থিত হয়ে বক্তব্য প্রদানের জন্যও বলা হলো।









Leave a reply