রোহিত ঝড়ে রাজকোটে রাজত্ব নেয়া হলো না টাইগারদের

|

রাজকোটে সিরিজের রাজত্ব নেয়া হলো না টাইগারদের। দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে ভারতের কাছে ৮ উইকেটের বড় ব্যবধানে হেরে গেছে বাংলাদেশ।

প্রথমে ব্যাট করে ৬ উইকেটে ১৫৩ রান করে মাহমুদউল্লাহর দল। জবাবে, এক রোহিত শর্মার কাছেই দিশেহারা হয়ে পড়ে টাইগারদের বোলিং লাইনআপ। তার ৮৫ রানের ইনিংসে ২ উইকেট হারিয়ে জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় স্বাগতিকরা।

সিরিজের সমীকরণ মিলাতে বৃহস্পতিবার ভারতের সামনে জয়ের কোনো বিকল্প ছিল না।

মোসোদ্দেকের এক ওভারে তিন ছক্কা কিংবা বল গ্যালারিতে পাঠিয়ে নিজের ১০০-তম টি-টোয়ন্টিতে ২৩ বলে ফিফটি তুলে নিয়েও শান্ত হননি রোহিত, মাত্র ৪৩ বলে ৮৫ রানের ইনিংস খেলেই তবে ক্ষান্ত দিয়েছেন। কিন্তু ততক্ষণে দিকভ্রান্ত টাইগাররা।

নিজেদের দিনে কতটা ভয়ঙ্কর হতে পারে টিম ইন্ডিয়া সেটি জানাই ছিল মুশফিক-মাহমুদউল্লাহর তবে এবার নতুন করে জানলো আফিফ-আমিনুলরা। পেইস কিংবা স্পিন রোহিত-ধাওয়ানদের কাছে সবই যেন এদিন ধারহীন। তবে ডিউ ফ্যাক্টর ছাপিয়ে নিজের বোলিং পরিসংখ্যানের পাশে ২ উইকেট দেখে আত্মতৃপ্তির ঢেঁকুর তুলতেই পারেন আমিনুল। তবে, তাতে খুব বেশি লাভ হয়নি। বোলারদের হতাশার ম্যাচে ২৬ বল আগেই জয় নিশ্চিত টিম ইন্ডিয়ার।

ভারতের ইনিংসের গল্পের সবটা জুড়ে যেমন রোহিত শর্মা; টাইগারদের হয়ে হতে পারতেন নাইম, সৌম্য কিংবা মাহমুদুল্লাহ।

টস জিতে কী দুর্দান্ত শুরুই না করেছিলেন নাইম শেখ আর লিটন দাস। রাজকোটে সিরিজের সিংহাসন নিশ্চিত করার স্পৃহা স্পষ্ট ছিলো দু’জনের এমন ব্যাটিং শৈলিতে।

৬০ রানের জুটি ভাঙ্গে লিটন দাস ২৯ রানে বোকা বনে রানআউট হলে। এরপর, দুর্দান্ত খেলা নাইম শেখ ৩১ বলে ৫ চারে ৩৬ রানের ইনিংসটা লম্বা করতে পারেননি।

মুশফিক নিজের প্রিয় স্লগহ সুইপ খেলে আউট হয়েছেন মাত্র ৪ রানে। চাহালের ওই ওভারেই ২০ বলে ৩০ রান করা সৌম্য ধৈর্যহারা না হলে বাংলাদেশের ইনিংসের গল্পটা অন্যরকমও হতে পারতো।

শেষ দিকে মোসাদ্দেক-আফিফ জ্বলে উঠতে পারেননি, তবে চোখ ধাঁধিয়েছে মাহমুদুল্লার ২১ বলে ৩০ রানের ইনিংস। আর তাতেই ৬ উইকেটে মিলে ১৫৩ রানের মাঝারি পুঁজি। তবে যেই মাঠে গড় রান ১৭০ সেখানে লড়াই জমবেই বা কতদূর??

রোববার নাগপুরের সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচে আগ্রহভরে তাকিয়ে থাকবে টাইগার ভক্তরা।









Leave a reply