প্রাথমিকেও প্রশ্নফাঁসের মহামারি: তিন জেলার ৬২০ স্কুলে বার্ষিক পরীক্ষা স্থগিত

|

দিন দিন প্রশ্নফাঁসের প্রবণতা ছড়িয়ে পড়ছে মহামারি আকারে। উচ্চশিক্ষার বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে ভর্তি আর চাকরির নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁস হওয়ার পর এই ব্যাধির ছোবল পড়েছে প্রাথমিক পর্যায়ে। কোমলমতি শিশুদের পরীক্ষার প্রশ্ন আগেভাগে ফাঁস হয়ে যাওয়ায় বিভিন্ন বিষয়ের বার্ষিক পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে ছয় শতাধিক স্কুলে।

প্রশ্নপত্র ফাঁসের কারণে বরগুনায় ৩৯৫, মুন্সীগঞ্জে ১২৩ এবং নাটোরে ১০২টি স্কুলে বিভিন্ন বিষয়ের বার্ষিক পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে।

ক্ষুব্ধ অভিভাবকরা বলছেন, তাদের সন্তানদের শিক্ষাজীবন নিয়ে ছিনিমিনি খেলা হচ্ছে। তাদের শঙ্কা, শিক্ষার প্রাথমিক স্তরেই এমন অনিয়ম শুরু হলে তার পরিণতি হবে ভয়াবহ।

ফাঁস হওয়া প্রশ্নপত্রের ঘটনাগুলোয় পৃথক তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনা হয়েছে অন্তত ১৪ জনকে। সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়গুলোর শিক্ষকদের দাবি, দোষীদের আইনের আওতায় এনে শাস্তি নিশ্চিত করা হোক।

প্রথম শ্রেণির পরীক্ষায় প্রশ্ন ফাঁসের ঘটনা বিস্মিত করেছে স্বয়ং প্রশাসনের কর্তাব্যাক্তিদের। তারা ধারণা করছেন, সংঘবদ্ধ কোনো চক্র এই ধরণের অপরাধের সাথে জড়িত। নাটোর সদরের ইউএনও জেসমিন আক্তার বানু বলেন, সম্ভাব্য সকল উপায়ে এই চক্রকে আইনের মুখোমুখি করা হবে।

এ প্রসঙ্গে মুন্সীগঞ্জ জেলা প্রসাশক শায়লা ফারজানা বলেন, চক্রটিকে আইনের আওতায় আনার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।









Leave a reply