সেই গাছ বিদ্বেষী নারীর বিরুদ্ধে মামলা

|

সাভারের একটি বাড়ির ছাদে গাছ তছনছ করার ঘটনায় আটককৃত সেই নারীসহ অজ্ঞাতনামা কয়েকজনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। ছাদ বাগান তছনছ করার ভিডিও ধারণ করা গাছের মালিক সুমাইয়া হাবিবের বাবা আহসান হাবিব বাদী হয়ে মামলাটি করেছেন।

ছাদ বাগানকে কেন্দ্র করে সাভারের ঐ বাড়ির দুই অ্যাপার্টমেন্টের বাসিন্দাদের মধ্যে বিরোধ দেখা দেয়। এ ঘটনার জেরে ছাদের গাছ কেটে ফেলেন খালেদা আক্তার লাকি নামের আটককৃত সেই নারী। এই ঘটনা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে নিন্দার ঝড় ওঠে। বুধবার সকালে অভিযুক্ত খালেদা আক্তার লাকিকে আটক করে পুলিশ।

এদিকে, ছাদবাগানের গাছ কাটার ঘটনায় মর্মাহত সেই নারীকে উপহার দেয়া হয়েছে গাছ। আজ দুপুরে সুমাইয়া হাবিবের বাসায় গিয়ে গাছ উপহার দেয় পরিবেশবাদী সংগঠন গ্রিন সেভার্স।

এর আগে, গাছ কাটা সেই নারীর ছেলে লিখন ফেসবুক লাইভে এসে বলেছেন, আমাকে আর আমার আম্মুকে নিয়ে তামাশা শুরু হয়েছে সারাদেশে। ভিডিওটা দেখে আপনারা যেভাবে জাজ করছেন, এটা কিন্তু ঠিক হচ্ছে না। আসল জিনিসটা আপনারা কিন্তু জানেন না। ভিডিওতে কত কিছু দেখা যায়, জাস্ট ইনস্ট্যান্ট যে ঘটনাটা হয়েছে সেটা দেখা যাচ্ছে, কিন্তু আসল ঘটনা এটি না।

লিখনের কথা, এই বিল্ডিংয়ে অনেকে ফ্ল্যাট কিনছে। মালিক কিন্তু আমরা একা না। এটা ওনার ব্যক্তিগত ছাদ না। আমাদের বিল্ডিংটা আন্ডার কনস্ট্রাকশন। হয়তো কোনো একদিন কোনো শ্রমিক তার গাছের পাতা ছিড়ে ছিল বা ডাল ভেঙ্গেছিল, প্রত্যেকটা ফ্যামিলিতে গিয়ে তিনি শাসিয়ে এসেছেন। পুরো বিল্ডিংয়ে একটি অশান্তি সৃষ্টি হয়েছে। সব মালিকরা মিলে সিদ্ধান্ত নিয়েছে গাছগুলো আর ছাদে রাখা হবে না। গত মাসের সেপ্টেম্বরের ৭ তারিখে এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। তিনি বলেছেন, সব গাছ সরিয়ে ফেলবেন। ২২ তারিখে তাকে বলা হয়েছিল। তিনি বলে গাছ সরাবেন না। যা পারি করতে। তিনি আমাদের চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দেন।

এর জবাবে সুমাইয়া হাবিব ফেসবুকে লেখেন- উনি মাস্তান নিয়ে এসেছিলেন তারপরেও লাইভে এসে মিথ্যা বলছেন! সবাই বলছে গাছ কাটার জন্য, তাহলে সবাই ছাদে আসে নাই কেনো গাছ কাটার সময়!ছাদে গাছ রাখা যাবে না এটা সিদ্ধান্ত হয়েছিল, কিন্তু আমরা বরাবরই একটা কথা বলেছিলাম যে, বিল্ডিংয়ের সবাই উঠুক, একটা কমিটি হোক তারপর যে সিদ্ধান্ত হয় আমরা মেনে নিবো। কারণ ওনারা ৬ জন গাছ পছন্দ করে না, ওনারা গাছ লাগায়নি তাই বলে যে আমরাও লাগাতে পারবো না। এটা কতটা যুক্তিযুক্ত?





সম্পর্কিত আরও পড়ুন





Leave a reply