ইমরুল কায়েসের ৭ রানের আক্ষেপ

|

ক্যারিয়ার সেরা ফর্মে রয়েছেন ইমরুল কায়েস। জাতীয় লিগের প্রথম রাউন্ডে রংপুরের বিপক্ষে ডাবল সেঞ্চুরি (২০২*) করেন খুলনা বিভাগের এ তারকা ক্রিকেটার।

চলমান দ্বিতীয় রাউন্ডেও দুর্দান্ত ব্যাটিং করেছেন জাতীয় দলের এ তারকা ব্যাটসম্যান। খুলনা আবু নাসের স্টেডিয়ামে রাজশাহী বিভাগের বিপক্ষে অনবদ্য ব্যাটিং করে যাওয়া কায়েস, মাত্র ৭ রানের জন্য সেঞ্চুরির দেখা পাননি। দুর্ভাগ্যজনক রান আউট হওয়ার আগে ১০টি বাউন্ডারির সাহায্যে ৯৩ রান করেন কায়েস।

টস হেরে প্রথমে ব্যাটিংয়ে নেমে মেহেদী হাসান মিরাজের অফ স্পিনে বিভ্রান্ত হয়ে ২৬১ রানে অলআউট হয় রাজশাহী বিভাগ। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৫১ রান করেন ওপেনার জুনায়েদ সিদ্দিকী। এছাড়া ৪৫ রান করেন অধিনায়ক ফরহাদ হোসেন, ৪১ রান করেন অলরাউন্ডার ফরহাদ রেজা। খুলনার হয়ে ৪ উইকেট শিকার করেন মিরাজ।

জবাবে ব্যাটিংয়ে নেমে ইনিংসের শুরুতেই বিপদে পড়ে যান সৌম্য সরকার। অফ ফর্মে থাকা জাতীয় দলের এ ওপেনার আগের রাউন্ডে আউট হন ৩৬ রানে। চলতি রাউন্ডের প্রথম ইনিংসে রানের খাতা খোলার আগেই সাজঘরে ফেরেন খুলনার এ ওপেনার।

তিন নম্বর পজিশনে ব্যাটিংয়ে নেমে এনামুল হক বিজয়ের সঙ্গে ৭৫ রানের জুটি গড়েন কায়েস। ব্যক্তিগত ৩৪ রানে ফেরেন জাতীয় দলের আরেক ওপেনার বিজয়। তৃতীয় উইকেটে তুষার ইমরানের সঙ্গে ৮৫ রানের জুটি গড়েন ইমরুল।

এরপর ৪১ রানের ব্যবধানে ৪ উইকেট হারায় খুলনা বিভাগ। একের পর এক বাউন্ডারি হাঁকিয়ে সেঞ্চুরির অপেক্ষমান কায়েস রান আউটের ফাঁদে পড়েন। তার আগে করেন ৯৩ রান।

প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে দেশের সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক তুষার ইমরান ফেরেন ৪৩ রানে। জাতীয় দলের উইকেটকিপার ব্যাটসম্যান মোহাম্মদ মিঠুন আউট হন মাত্র ৪ রান করে। বল হাতে ঝলক দেখানো মিরাজ ফেরেন ৫ রানে।

অধিনায়ক আব্দুর রাজ্জাককে সঙ্গে নিয়ে দলের হাল ধরেছেন উইকেটকিপার ব্যাটসম্যান নুরুল হাসান সোহান। দ্বিতীয় দিন শেষে খুলনার সংগ্রহ ৬ উইকেটে ২২৭ রান। এখনও তারা রাজশাহীর চেয়ে ৩৪ রানে পিছিয়ে রয়েছে।









Leave a reply