নাইম-শাবনাজ দম্পতির রজতজয়ন্তী

|

ঢাকাই সিনেমার তারকা দম্পতি নাইম-শাবনাজ। জনপ্রিয়তা ধরে রেখেই সিনেমাঙ্গন থেকে বিদায় নিয়েছিলেন। সংসার ও ব্যক্তিগত কাজ নিয়েই ব্যস্ত তারা। সেই সংসার জীবনের রজতজয়ন্তী পূর্ণ করলেন আজ। ১৯৯৪ সালের এই দিনে রাজধানীর লালমাটিয়ায় শাবনাজের বাসায় তাদের বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়। এরপর কেটে গেছে পঁচিশ বছর। এর মধ্যে দুই কন্যাসন্তানের বাবা-মা হয়েছেন।

দাম্পত্য জীবনের সাফল্যের পঁচিশ বছর পেরোনো প্রসঙ্গে নাইম বলেন, ‘আমার বাবা মারা যান ১৯৯৪ সালের জানুয়ারিতে। এরপর আমাকে শাবনাজই মানসিকভাবে অনেক সাপোর্ট দিয়েছে, যা সে সময় আমার জন্য খুবই প্রয়োজন ছিল। পরবর্তীতে আমরা বিয়ে করি। আল্লাহর অশেষ রহমতে আমরা সবসময়ই সুখে ছিলাম, সুখেই আছি। আমার জীবনে শাবনাজের ভূমিকা অনেক বড়, এটা সত্যিই অল্প কথায় ব্যাখা করে বোঝানো সম্ভব নয়। জীবনের ক্রান্তিকালে শাবনাজ আমার হাতে হাত না রাখলে জীবনকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া আমার জন্য সত্যিই ডিফিকাল্ট হতো।’

শাবনাজ বলেন, ‘আজ এতটা বছর পেরিয়ে এসে জীবনের ফেলে আসা দিনগুলোর কথা ভীষণভাবে মনে পড়ছে। মনে পড়ছে বিয়ের দিনটির কথা। খুব তাড়াহুড়ার মধ্য দিয়েই আমরা বিয়ে করেছি। সেই থেকে আমরা সুখে দুঃখে নানা চড়াই উৎরাই পেরিয়ে একসঙ্গে আছি, আল্লাহর রহমতে বেশ ভালো আছি, সুখে আছি।’

১৯৯১ সালের ৪ অক্টোবর এহতেশাম পরিচালিত ‘চাঁদনী’ ছবিতে অভিনয়ের মধ্য দিয়ে নাইম-শাবনাজ জুটির অভিষেক হয়। এরপর একে একে এই জুটি দর্শককে উপহার দেন ‘দিল’, ‘সোনিয়া’, ‘চোখে চোখে’, ‘বিষের বাঁশি’, ‘অনুতপ্ত’, ‘টাকার অহংকার’, ‘সাক্ষাৎ’, ‘জিদ’সহ আরও কিছু ছবিতে। সর্বশেষ তাদের ‘ঘরে ঘরে যুদ্ধ’ নামে একটি ছবিতে দেখা গেছে। এ ছাড়া নাইম আলাদাভাবে সর্বশেষ ‘মেয়েরাও মাস্তান’ ও শাবনাজ ‘ডাক্তার বাড়ি’ ছবিতে অভিনয় করেন। আলমগীর পরিচালিত ‘নির্মম’ ছবিতে অভিনয়ের জন্য শাবনাজ জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে ভূষিত হন।









Leave a reply