মহিষাসুরসংহারিণীঃ বোধন-অকাল বোধন

|

হিন্দুশাস্ত্রানুসারে “দুর্গা” শব্দটির ব্যাখ্যা এরকম:
দৈত্যনাশার্থবচনো দকারঃ পরিকীর্তিতঃ।
উকারো বিঘ্ননাশস্য বাচকো বেদসম্মত।।
রেফো রোগঘ্নবচনো গশ্চ পাপঘ্নবাচকঃ।
ভয়শত্রুঘ্নবচনশ্চাকারঃ পরিকীর্তিত।।
অর্থাৎ, ‘দ’-অক্ষরটি দৈত্য নাশক, ‘উ-কার বিঘ্ন নাশক, ‘রেফ’ রোগ নাশক, ‘গ’-পাপ নাশক এবং ‘আ-কার’ ভয়-শত্রু নাশক। সুতরাং দৈত্য, বিঘ্ন, রোগ, পাপ, ভয় ও শত্রুর হাত থেকে যিনি রক্ষা করেন, তিনিই দুর্গা।”

অন্যদিকে শব্দকল্পদ্রুম বলছে, “দুর্গং নাশয়তি যা নিত্যং সা দুর্গা বা প্রকীর্তিতা”। অর্থাৎ, যিনি দুর্গম নামক অসুরকে বধ করেছিলেন, তিনি দুর্গা নামে পরিচিত।

শ্রীশ্রীচণ্ডী অনুসারে যে দেবী “নিঃশেষদেবগণশক্তিসমূহমূর্ত্যাঃ” (নিখিল দেবতার সম্মিলিত শক্তির প্রতিমূর্তি), তিনিই দুর্গা।

ব্যাকরণগতভাবে ‘দুর্গা’ শব্দটির অর্থ ‘দেবীর তত্ত্ব অতি অগম্য বা দুর্জ্ঞেয় অর্থাৎ যা সহজে উপলব্ধি করা যায় না, তাই তিনি দেবী দুর্গা’। দুর্গম অসুরের কাজ হলো জীবের দুর্গতি সাধন করা। দুর্গমকে বধ করে যিনি জীব-জগৎকে দুর্গতির হাত থেকে রক্ষা করেন তিনিই হলেন আদ্যাশক্তি মহাশক্তি মহামায়া ত্রিলোকপালনী দেবীদুর্গা।

সমস্ত শক্তির আঁধার দেবী দুর্গা স্নেহময়ী জননী। যার নয়ন থেকে করুণার ধারা বর্ষিত হচ্ছে অবিরাম। যুদ্ধক্ষেত্রে তিনি যখন সংকল্পবদ্ধ তখনও তার চোখ জলে টলমল। হৃদয়ে মুক্তিপ্রদানের কৃপা এবং যুদ্ধে মৃত্যুদায়িনী কাঠিন্যতা, মাতৃরূপে এই দুইয়ের কী অনন্যসাধারণ সমন্বয়! ব্রহ্ম বা ঈশ্বরই হচ্ছেন সকল শক্তির প্রকৃত উৎস। আর্য ঋষিগণ এই সর্বশক্তিমান ঈশ্বরের আরাধনা করেছেন মাতৃরূপে। দেবী দুর্গা সেই মাতৃরূপিণী ঈশ্বর যিনি ঋষিগণের দৃষ্টিতে প্রকৃতিরূপিণী ব্রহ্ম। তিনি মহাবীর্যবতী ও অত্যন্ত তেজস্বিনী, বিশ্বব্রহ্মান্ডে অপরাজেয়-অপ্রতিরোধ্য। তিনি ‘একমেবাদ্বিতীয়ম’ অর্থাৎ এক এবং অদ্বিতীয়। মাতৃসাধকের কাছে মা ভিন্ন জগৎ সংসারের কোন অস্তিত্ব নেই। বেদান্তের ‘একমেবাদ্বিতীয়ম’ মন্ত্রে শাশ্বত মূর্তিই হচ্ছেন দেবী দুর্গা।

শ্রীশ্রী চন্ডীতে আছে – ‘একৈবাহং জগত্যত্র দ্বিতীয়া কা মমপরা’-১০/৫। অর্থাৎ এ জগতে আমিই তো আছি। আমি ছাড়া দ্বিতীয় আর কে আছে? এই অদ্বিতীয় মাতৃশক্তিই হচ্ছে ঈশ্বর বা পরমাত্মা (ব্রহ্ম)। জীবাত্মা (দেহধারী আত্মা) সেই পরমাত্মার অংশমাত্র। এই পরমাত্মাই জীবনের সৃষ্টি। আবার তার কাছে ফিরে যাওয়া হলো মুক্তি বা মোক্ষ।

প্রশ্ন হচ্ছে দুর্গা পূজাকে অকাল বোধন বলা হয় কেন?
বোধন শব্দের অর্থ জাগরণ। আশ্বিন মাসের শুক্ল পক্ষের ষষ্ঠী তিথিতে সন্ধ্যায় বিল্ব (বেল) শাখায় দেবীর বোধন শারদীয় দুর্গা পূজার অত্যাবশ্যকীয় অঙ্গ। এই বোধনকে অকাল বোধন বলা হয়। প্রচলিত আছে রাবণ বধের উদ্দেশ্যে রামচন্দ্র দেবীদুর্গার কৃপা লাভের জন্য দেবীর পূজা করেছিলেন। দেবতা এবং মানুষের মধ্যে বিস্তর পার্থক্য। তার মধ্যে অন্যতম হলো দিন ও রাত্রির পরিমাপ। আমাদের ছয়মাসে দেবতাদের একদিন এবং বাকি ছয়মাসে একরাত। মাঘ থেকে আষাঢ় মাস পর্যন্ত সময়কে উত্তরায়ণ (দেবতাদের দিন) এবং শ্রাবণ থেকে পৌষ মাস পর্যন্ত সময়কে দক্ষিণায়ণ (দেবতাদের রাত্রি) বলা হয়। দক্ষিণায়ণে দেবতারা ঘুমিয়ে থাকেন। ফলে ঐ সময়ে পূজা করতে হলে প্রথমে তাদের জাগাতে হয়। তাই রামচন্দ্র দেবীকে জাগিয়ে পূজা করলেন। অসময়ে দেবীকে জাগিয়ে পূজা করতে হয়েছিল বলে এই বোধনকে বলা হয় অকাল বোধন।

ব্রহ্ম বৈবর্ত পুরাণে আছে রাজা সুরথ চৈত্র মাসে শুক্ল পক্ষের অষ্টমী ও নবমী তিথিতে সর্বপ্রকার শাস্ত্র বিধিমতে দুর্গতিনাশিনী দুর্গার অর্চনা করেছিলেন। চৈত্র মাস পড়ে উত্তরায়ণে মধ্যে যে সময়ে দেবতারা জেগে থাকেন। তাই বাসন্তী পূজায় বোধনের প্রয়োজন হয়না। তবে রামচন্দ্রের শরৎকালীন পূজা অকাল পূজা হলেও সময়ের বিবর্তনে এই পূজায় বর্তমানে বিশ্বব্যাপী প্রসিদ্ধ হয়েছে। দেবী ভাগবত এবং কালিকা পুরাণে এই পূজার বিস্তারিত বর্ণনা পাওয়া যায়।

লঙ্কার রাজা দশানন খ্যাত রাবণ রামচন্দ্রের স্ত্রী সীতাকে হরণ করে লঙ্কার অশোক বনে বন্দি করে রেখেছিলেন। রক্ষীদের কঠোর পাহারায় সীতা দুঃসহ জীবনযাপন করছিলেন। সীতাকে উদ্ধারের জন্য ছোট ভাই লক্ষণকে সাথে নিয়ে বানর সৈন্যসহ শ্রীরামচন্দ্র লঙ্কায় গিয়েছিলেন। দীর্ঘ যুদ্ধে উভয় পক্ষের অসংখ্য সৈন্য-সামন্ত হতাহত হলেও রাবণকে পরাজিত করা যাচ্ছিলো না। ফলে রামচন্দ্রের হতাশা দেখে লক্ষণ, মহাবীর হনুমান, রাক্ষস শ্রেষ্ঠ বিভীষণ, বানররাজ সুগ্রীব, ভল্লুকরাজ জাম্বুবান সবাই চিন্তিত এবং বিষণ্ন হয়ে পড়েছিলেন। যুদ্ধকালীন অসময়ে কুম্ভকর্ণের (রাবণের ছোটভাই যিনি ছয়মাস ঘুমাতেন, যাকে সহজে জাগানো যায়না) ঘুম ভেঙ্গে যায়। ফলে দেবতারা রামচন্দ্রের অমঙ্গলের আশঙ্কায় অত্যন্ত চিন্তিত হয়ে পড়েছিলেন। এ বিষয়ে পরামর্শের জন্য তারা ব্রহ্মের কাছে যান। দেবতাদের নিকট থেকে সব শুনে ব্রহ্মা দুর্গতিনাশিনী দুর্গার পূজা করতে পরামর্শ দিয়েছিলেন। ব্রহ্মা বলেছিলেন দেবীকে সন্তুষ্ট করা ছাড়া আর কোন পথ নেই। শুধু তার কৃপাতেই রাবণ বধ সম্ভব। আগেই বলা হয়েছে শরৎকাল পড়ে দক্ষিণায়ণের মধ্যে যা দেবতাদের নিদ্রার সময়। সুতরাং তাদের পূজা করতে হলে আগে জাগাতে হবে। তাই দেবীকে জাগানোর জন্য ব্রহ্মা অন্যান্য দেবতাদের সাথে করজোড়ে স্তব করলেন। স্তবে তুষ্ট হয়ে দেবী কুমারী মূর্তিতে আবির্ভূত হলেন এবং বললেন আপনারা আগামীকাল বিল্ববৃক্ষমূলে দেবীর বোধন করুন। আপনাদের প্রার্থনায় তিনি প্রবুদ্ধ (উদ্বুদ্ধ, জাগরিত, চেতনাপ্রাপ্ত) হবেন। তাকে প্রবুদ্ধ করে যথারীতি অর্চনা করলে রামচন্দ্রের কার্যসিদ্ধি হবে। সেই অনুযায়ী ব্রহ্মা দেবগণসহ মর্তে এলেন এবং সেখানে একটি অতি দুর্গম নির্জন স্থানে একটি বেলগাছের শাখায় সবুজ ঘন পাতারাশির মধ্যে বিনিদ্রিতা (বিশেষভাবে ঘুমন্ত) পরমাসুন্দরী এক বালিকা মূর্তিতে দেখতে পেলেন। এই বালিকা মূর্তিই জগৎজননী মহাদেবী। ব্রহ্মাসহ দেবতাগণ নতজানু হয়ে দেবীর বোধন স্তব পাঠ করলেন।
ব্রহ্মার স্তবে দেবী জাগ্রত হলেন এবং বালিকা মূর্তি ছেড়ে চণ্ডিকা রূপ নিলেন। তখন ব্রহ্মা বললেন – ‘ঐ রাবণস্য বধার্থায় রামস্যনুগ্রহয়া চ। অকালে তি শিবে বোধস্তব দেব্যা কৃতো ময়া” (মা অকালে আমরা তোমাকে ডাকছি রাবণ বধে রামচন্দ্রকে অনুগ্রহ করার জন্য)। শুধু তাই নয় । ‘রাবণস্য বধং যাবদর্চয়িষ্যামহে বয়ম্’ ( যতদিন পর্যন্ত না রাবণ বধ হয় ততোদিন পর্যন্ত আমরা তোমার অর্চনা করে যাবো)। এছাড়াও যুগযুগ ধরে যতদিন তোমার সৃষ্টি থাকবে, মানুষ ততোকাল ধরে তোমার অর্চনা করবে। তুমি কৃপা করে তোমার সর্বশক্তি দিয়ে রামচন্দ্রকে রাবণ বধে সাহায্য করো। স্তবে তুষ্ট হয়ে দেবী বললেন – সপ্তমী তিথিতে আমি রামচন্দ্রের ধনুর্বাণে প্রবেশ করবো। অষ্টমীতে রাম-রাবণে মহাযুদ্ধ হবে। অষ্টমী-নবমীর সন্ধিক্ষণে রাবণের দশ মুণ্ডু ছিন্ন হবে, কিন্তু তার মৃত্যু হবেনা। রাবণের দশ মস্তক পুনঃযোজিত হয়ে বারবার তাকে জীবিত করবে। অবশেষে নবমীর অপরাহ্নে রাবণ বধ হবে। আর দশমীতে রামচন্দ্র বিজয়োৎসব করবেন। ব্রহ্মার বিধান অনুসারে রামচন্দ্র অকালেই দেবীর বোধন করলেন। রামচন্দ্র নিজের হাতে দেবীদুর্গার সিংহবাহিনী মূর্তি গড়লেন। মহা উৎসাহের সাথে সপ্তমী, অষ্টমী, নবমী তিথিতে বিধিসম্মত উপায়ে দেবীর পূজা করলেন। অষ্টমী-নবমীর সন্ধিক্ষণে তিনি সন্ধিপূজা করলেন।

পূজা শেষ হলেও দেবী দুর্গা রামচন্দ্রের সামনে আবির্ভূত হলেন না। রামচন্দ্র হতাশায় নিমজ্জিত হলেন। এমন সময় রাবণের ছোটভাই বিভীষণ দেবীদহ থেকে ১০৮টি নীলপদ্ম এনে পূজা করলে দেবী প্রসন্ন হবেন বলে পরামর্শ দিলেন (সম্ভবত তখন থেকেই ‘ঘরে শত্রু বিভীষণ’ প্রবাদটির প্রচলন হয়)। রামচন্দ্রের ভক্ত হনুমান বাতাসের গতিতে বহু পথ পেরিয়ে দেবীদহ থেকে ১০৮টি নীলপদ্ম সংগ্রহ করে আনলে তিনি দেবীর পূজায় বসেন। একেকটি করে নীলপদ্ম তিনি মায়ের চরণে অঞ্জলি দিতে লাগলেন। কিন্তু দেখা গেল একটি পদ্ম কম। দেবী জগন্মাতা রামচন্দ্রকে পরীক্ষা করছেন। সংকল্প রক্ষা করতে না পারায় দেবীর পূজা হবেনা এবং সীতা উদ্ধার অসম্ভব ভেবে তিনি উদ্বিগ্ন হয়ে পড়লেন। রামচন্দ্র তখন ব্যস্ত হয়ে হনুমানকে দেবীদহ থেকে আরেকটি নীলপদ্ম আনতে বললেন। হনুমান করজোড়ে প্রভুকে বলেন সেখানে আর একটিও নীলপদ্ম নেই। রামচন্দ্র বিলাপ করতে থাকলেন। হঠাৎ তার মনে হলো তাকে তো সবাই ‘নীল কমলাক্ষ’ বলে। সুতরাং তিনি নিজেই তার একটি চক্ষু উঠিয়ে দেবীর চরণে অঞ্জলি দিবেন। তারপর তূণ থেকে একটি বাণ নিয়ে নিজের একটি চোখ উঠাতে গেলেন। সেই সময় দেবী দশভূজা দুর্গা শ্রীরামচন্দ্রের সামনে আবির্ভূত হয়ে দ্রুত হাত ধরে কোমল কণ্ঠে বললেন, ‘তুমি এ কি করছো প্রভু! তুমি যে স্বয়ং ভগবান। এই রাক্ষসের অত্যাচার থেকে বিশ্ব সংসারকে রক্ষা করার জন্য মায়াবলে মানুষের রূপ ধারণ করেছো। পরমা প্রকৃতি সীতাকে আটকে রাখে রাবণের সাধ্য কী? অকাল বোধনে বিধিমত পূজা করে বিশ্বব্রহ্মান্ডে আমার মহিমা প্রকাশ করে তুমি আমাকে ধন্য করলে। আমি তোমার প্রতি প্রসন্ন হয়েছি। রাবণের সাধ্য নেই তোমাকে প্রতিহত করে, তুমি তাকে বিনাশ করো’।

অকালবোধনে দেবীর আশীর্বাদপুষ্ট হয়ে দশমী তিথিতে পূজা শেষে পূর্ণ উদ্যমে রাবণ বধের উদ্দেশ্যে যুদ্ধযাত্রা করলেন রামচন্দ্র। সপ্তমী, অষ্টমী, নবমী তিথিতে রাম-রাবণের ভয়ঙ্কর যুদ্ধ হলো। রামের হাতের অব্যর্থ মৃত্যুবাণ রাবণের বুকে বিদ্ধ হলো। লঙ্কাধিপতি পরাক্রমশালী রাক্ষসরাজ রাবণ বাণ বিদ্ধ হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়লে সকল শত্রুতা ভুলে পরম করুণাময় ভগবান শ্রীরামচন্দ্র তার পাশে এসে দাঁড়ালেন। রামচন্দ্রকে দর্শন করতে করতে রাবণ দেহত্যাগ করলে পরিসমাপ্তি হয় তার রাক্ষসজীবনের। দেবীর অনুগ্রহে রামচন্দ্র রাবণকে বধ করে সীতাকে উদ্ধার করলেন। সপ্তমী তিথিতে দেবীশক্তি রামচন্দ্রের ধনুর্বাণে প্রবেশ করেছিলেন বলে ‘মহাসপ্তমী’। অষ্টমীতে মহাবিপদ কেটে যাওয়ায় তার নাম ‘মহা অষ্টমী’। আর নবমীতে মহা সম্পদ লাভ হওয়ায় নাম হলো ‘মহা নবমী’। শরৎকালে শ্রীরামচন্দ্রের এই দুর্গোৎসবের স্মরণেই আমাদের এই শারদীয় দুর্গাপূজা। যিনি পূজক তিনি অবতীর্ণ শ্রীরামচন্দ্রের ভূমিকায়। জগৎ সংসারের সকল মানুষের দারিদ্র্যই মহাবিপদ, ঐশ্বর্যই মহা সম্পদ, জীবন যাত্রার প্রতিটি পদক্ষেপই মহাযুদ্ধ। শুধু মায়ের আশীর্বাণীতেই এই সকল যুদ্ধে বিজয়লাভ করে মহাবিপদের শিকল থেকে মুক্ত হয়ে মহা সম্পদ অর্জন হতে পারে।
ঝঞ্ঝাবিক্ষুব্ধ বর্তমান পৃথিবীতে দেশে দেশে কতনা অত্যাচার-অনাচার। এই পরিস্থিতি থেকে রক্ষা পেতে একনিষ্ঠভাবে মায়ের আরাধনায় হতে পারে যথাযথ পথ।
শ্রীশ্রী চন্ডীতে বলা হয়েছে-
ইত্থং যদা যদা বাধা দানবোত্থা ভবিষ্যতি।
তদা তদাবতীর্য্যাহং করিষ্যাম্যরিসংক্ষয়ম।।

অর্থাৎ, এরূপ যখন যখনই অসুরদের অত্যাচার হবে, তখনই আমি অবতীর্ণ হয়ে শত্রু বিনাশ করবো।

লেখক: জয়ন্ত কুমার সরকার, গণমাধ্যমকর্মী।









Leave a reply