যে কারণে ছাত্রদলের কাউন্সিলে স্থগিতাদেশ

|

ছাত্রদলের ৬ষ্ঠ কাউন্সিলে স্থগিতাদেশ দিয়েছেন আদালত। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় আমানউল্লাহ আমান নামে ছাত্রদলের সাবেক এক নেতার আবেদনের প্রেক্ষিতে ঢাকার সিনিয়র সহকারী চতুর্থ জজ আদালত এই স্থগিতাদেশ দেন। বাদী বিএনপি মহাসিচব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ দশজনকে বিবাদী করেছেন।

আবেদনকারী আমানউল্লাহ ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সাবেক ধর্মবিষয়ক সহ-সম্পাদক। আমানের গ্রামের বাড়ি কুমিল্লা। আদালতের স্থগিতাদেশের পর থেকেই তার মোবাইল ফোন বন্ধ করে রেখেছেন, ফলে সংগঠনটির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরাও তার সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়েছেন।

কিন্তু কেনো এই স্থগিতাদেশ? এই প্রশ্ন ঘুরছে আগ্রহীদের মনে? মামলার নথির তথ্য থেকে জানা যায় মূলত দুটো বিষয়কে গুরুত্ব দিয়ে আদালতে সিভিল মামলাটি করেন বাদী। আদালত বিষয়গুলোর আইনি গুরুত্ব বিবেচনায় নিয়ে এবং বাদীর জরুরি আর্জিকে আমলে নিয়ে কাউন্সিল স্থগিতের অস্থায়ী আদেশ দেন। এ পয়েন্টদুটো হলো-

১) প্রেস রিলিজ দিয়ে পুরনো কমিটি বিলুপ্ত করা আরপিও ও বিএনপির গঠনতন্ত্র অনুযায়ী বেআইনি। দলের এই সিদ্ধান্তকে বাদী চ্যালেঞ্জ করেছেন।

২) এটি নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত ছাত্রদলের ৬ষ্ঠ কাউন্সিল আয়োজনের ওপর অস্থায়ী স্থগিতাদেশ চেয়েছেন।

তবে, বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর দাবি, ছাত্রদলের কাউন্সিলে স্থগিতাদেশ দেওয়া গভীর চক্রান্তমূলক। সরকারের কারসাজিতেই এহেন আদেশ প্রদান করা হয়েছে।

এদিকে, জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের ৬ষ্ঠ কাউন্সিল পরিচালনার সাথে যুক্ত সকল নেতৃবৃন্দ শুক্রবার বিকাল ৫টায় গুলশানে দলের চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক প্রার্থীদের সাথে বৈঠক করবেন। ছাত্রদলের ৬ষ্ঠ কাউন্সিলের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির আহ্বায়ক ও বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এ কথা জানান।









Leave a reply