পেটে গজ রেখে সেলাই: অভিযুক্ত চিকিৎসককে কারাগারে প্রেরণ

|

পটুয়াখালীতে সন্তান প্রসবের সময় রোগীর পেটে গজ রেখেই অপারেশন করা কথিত চিকিৎসক রাজন দাস অবশেষে হাইকোর্টের নির্দেশে স্বেচ্ছায় আদালতে হাজির হয়েছেন। আদালতে হাজির হলে রাজন দাসকে গ্রেফতার করে কারাগারে প্রেরণ করার নিদরএশ দেয় আদালত। কিন্তু এতোদিন পুলিশ তাকে খুঁজে পায়নি। এরআগে গত ১৬ নভেম্বর ১০ ডিসেম্বরের মধ্যে পটুয়াখালীর বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে গ্রেফতার করে আদালতে হাজির করার নির্দেশ দিয়েছিলেন হাইকোর্ট।

এই ঘটনায় আদালত বলেন, ডাক্তার না হয়েও অপারেশন। মানুষের কি কোন দাম নেই। খুবই দু:খজনক ঘটনা। ক্লিনিকটি টি চিকিৎসালয় না কসাইখানা? কসাইয়ের মত আচরণ এগুলো। কোন যুগে বাস করছি। এটাতো হত্যার মত।

এদিকে গত মার্চে পটুয়াখালীর বাউফলে নিরাময় ডায়াগনেস্টিক সেন্টারের প্রসব ব্যথা নিয়ে ভর্তি হন মাকসুদা নামের এক নারী। সেখানে এই কথিত ডাক্তার রাজন দাস পেটে গজ রেখেই সিজার করেন। ১২ জুলাই আবার অপারেশন করে সেই গজ বের করা হয়। এরপরে  ২২ জুলাই এ নিয়ে জাতীয় দৈনিকে সংবাদ প্রকাশিত হয়। গত ২৩ জুলাই পটুয়াখালীর সিভিল সার্জন ও বরিশাল মেডিক্যালের গাইনি বিভাগের প্রধানসহ তিন জনকে তলব করেন হাইকোর্ট।









Leave a reply