ডাকসু নির্বাচন: অনশনকারী ওয়ালিদের শারীরিক অবস্থার অবনতি

|

দীর্ঘ ২৭ বছরের অচলায়তন ভাঙতে একাই আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্র। ডাকসু নির্বাচনের ঘোষণা না দেয়া পর্যন্ত এ আন্দোলন থেকে সরে না আসারও প্রত্যয় তার। দেয়াল লিখন, পোষ্টার-প্ল্যাকার্ডে চলছিলো দাবি আদায়ের চেষ্টা। তাতেও কাজ না হওয়ায় এবার অনশনে এই ছাত্র। তার সঙ্গে একাত্ম সাধারণ শিক্ষার্থীরাও।

আন্দোলন বা দাবী আদায়ের অন্যতম শক্তিশালী ভাষা দেয়াল লিখন। নানা সংগ্রামের জীবন্ত সাক্ষী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন দেয়ালে এখন এমন দাবী। প্রায় তিন দশকের সেই পুরনো দাবী নতুন করে। লড়াইটা একাই করে যাচ্ছেন এখানকারই শিক্ষার্থী ওয়ালিদ আশরাফ।

এমন অধিকারের জন্য সংগ্রাম, অনেক দিনের। এই সাইকেলে করে ডাকসু নির্বাচনের দাবী নিয়ে ঘুরেছেন এখান থেকে ওখানে। দেয়ালে-প্ল্যাকার্ডে অধিকারের দাবী। বুঝলেন, এতে খুব একটা কাজ হয়নি তাই, এবার কর্তৃপক্ষের ঘুম ভাঙ্গাতে অনশন। স্থানটা ঠিক করেছেন উপাচার্যের বাসভবনের ঠিক সামনে। সেখানেই ছোট্ট একটি তাবু টানিয়ে অবস্থান।

তাঁর এই আন্দোলন এরই মধ্যে সাড়া ফেলেছে সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে। দেখা করতে আসছে অনেকে। আছে, গণসাক্ষরের খাতা, আর তাতে হাজারেরও বেশি মানুষ সাক্ষর করেছেন এই দাবীর সঙ্গে একাত্ব হয়ে।

টানা অনশনে ক্লান্ত ওয়ালিদের শারীরিক অবস্থারও অবনতি হয়েছে। কিন্তু প্রশ্নটা যখন দাবী আদায়ের তাই হার মানতে রাজি নন এই শিক্ষার্থী।

দিন গড়িয়ে সন্ধ্যা নামে। সড়ক বাতিগুলো সরব হয়। হয়ত এমনি করে এক সময় আঁধার ভেঙ্গে আলো দেখা দেবে ডাকসু নির্বাচনের। স্বপ্নটা দেখতেই পারেন ওয়ালিদ আশরাফ।

যমুনা অনলাইন- এফআর।









Leave a reply