পদত্যাগ করতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশের খবরকে গুজব বললেন ইশরাক
অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ১২:০২ এএম
প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন। ফাইল ছবি
মন্ত্রিসভা থেকে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেনকে পদত্যাগের নির্দেশ দেওয়ার খবরকে গুজব বলে দাবি করা হয়েছে।
রোববার (১৮ অক্টোবর) এক অডিও বার্তায় ইশরাক হোসেন বলেন– সবাইকে অনুরোধ জানাচ্ছি, এই বিষয়টিকে আপনারা অবশ্যই গুজব হিসেবে ধরবেন।
তিনি আরও বলেন, এর কোনো সত্যতা এখনও নেই। এ রকম কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হলে সেটি কোনো উড়ো খবরের মাধ্যমে আসবে না। অবশ্যই অফিসিয়ালি প্রেস কনফারেন্স করে জানানো হবে।
এদিকে, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয় আলাদা এক বিবৃতিতে ইশরাক হোসেনকে পদত্যাগের নির্দেশ দেওয়ার খবরকে অসত্য, বানোয়াট ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেছে।
ইশরাকের প্রেস কর্মকর্তা মাহফুজ কবির মুক্তার পাঠানো বিবৃতিতে বলা হয়, প্রতিমন্ত্রী তার সরকারি ও রাজনৈতিক দায়িত্ব নিষ্ঠা ও সুনামের সঙ্গে পালন করে যাচ্ছেন। সরকারের উচ্চপর্যায় থেকে তাকে পদত্যাগের কোনো নির্দেশ দেওয়া হয়নি এবং তার পদত্যাগের কোনো প্রশ্নও ওঠে না। রাজনৈতিক উদ্দেশ্য হাসিল ও জনসাধারণের মধ্যে বিভ্রান্তি সৃষ্টির লক্ষ্যে একটি মহল এ ধরনের মিথ্যা তথ্য ছড়াচ্ছে।
এতে আরও বলা হয়, গতকাল নিজ সংসদীয় আসনে মাদকবিরোধী সামাজিক প্রতিরোধ কর্মসূচিতে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে আত্মরক্ষার্থে আইনসম্মতভাবে অস্ত্র প্রদর্শনের ঘটনা নিয়ে প্রতিমন্ত্রী ইতোপূর্বে তার অবস্থান পরিষ্কার করেছেন। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে তার পদত্যাগের বিষয়ে খবর প্রচার করা বেআইনি ও সাংবাদিকতার নীতিমালার পরিপন্থি।
বিবৃতিতে সংশ্লিষ্ট গণমাধ্যম ও দেশবাসীকে এ ধরনের অপপ্রচারে বিভ্রান্ত না হওয়ার অনুরোধ জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে, যেসব গণমাধ্যমে বিভ্রান্তিকর খবর প্রকাশিত হয়েছে, সেগুলো অবিলম্বে প্রত্যাহার করে সঠিক তথ্য তুলে ধরার আহ্বান জানানো হয়েছে। অন্যথায়, অপপ্রচারকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
এর আগে, শনিবার (১৭ অক্টোবর) গেন্ডারিয়ায় মাদকসেবীদের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে ছয়জনকে আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দেন প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন ও তার সহযোগীরা। এ সময় তাদের হাতে অস্ত্র দেখা যায়।
পরে বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হলে আত্মরক্ষার যুক্তি তুলে ধরে নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করেন প্রতিমন্ত্রী ইশরাক। তবে অস্ত্র প্রদর্শন আইনসম্মত ছিল কিনা, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।
তদন্তে কোনো ব্যত্যয় পাওয়া গেলে ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানিয়েছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।
/এএম