×
Logo

জাতীয়

দেবীপক্ষের সূচনায় রাজধানীর ঢাকেশ্বরী ও বনানীতে বিশেষ আয়োজন

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ১০ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৪৫ এএম

দেবীপক্ষের সূচনায় রাজধানীর ঢাকেশ্বরী ও বনানীতে বিশেষ আয়োজন

সনাতন ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজার পুণ্য লগ্ন শুভ মহালয়া আজ। ভোর থেকেই সুরের মূর্ছনায় চণ্ডীপাঠ আর আগমনী গানের মধ্য দিয়ে মর্ত্যলোকে দেবী দুর্গাকে পরম ভক্তিতে আমন্ত্রণ জানাচ্ছেন ভক্ত ও পুণ্যার্থীরা। মহালয়ার এই মাহেন্দ্রক্ষণে দেবীর আবাহনের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হলো দেবীপক্ষ ও দুর্গাপূজার চূড়ান্ত ক্ষণগণনা।

শনিবার (১০ অক্টোবর) ভোর থেকেই রাজধানী ঢাকার ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দিরে চণ্ডীপাঠ, প্রয়াত পূর্বপুরুষদের স্মরণে পিতৃতর্পণ ও বিশেষ পূজার আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়।

মর্ত্যে দেবীর আগমনে মানবজাতির সব দুর্গতি, অন্যায় ও অশুভ শক্তির বিনাশ কামনায় ভোর থেকেই ঢাকেশ্বরী প্রাঙ্গণে ভিড় জমান নানা বয়সী ভক্তরা। মহালয়ার মধ্য দিয়ে আগামী ছয় দিন ধরে দেশজুড়ে চলবে দেবীকে বরণের শেষ মুহূর্তের আনন্দঘন প্রস্তুতি।

ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দিরের এ বিশেষ আয়োজনে উপস্থিত ছিলেন ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী। তিনি সনাতন ধর্মাবলম্বীসহ সবাইকে মহালয়ার আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান। এ সময় তিনি বিশ্বে স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠা এবং মানবজাতির সার্বিক কল্যাণ ও মঙ্গল কামনা করেন।

এদিকে রাজধানীর বনানী মাঠে গুলশান-বনানী সার্বজনীন পূজা ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে আয়োজিত মহালয়ার বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা বিষয়ক উপদেষ্টা মাহদী আমিন।

অনুষ্ঠানে মাহদী আমিন বলেন, ধর্ম ও বর্ণের সব ভেদাভেদ ভুলে এ ভূখণ্ডের প্রতিটি মানুষের মূল পরিচয় হবে শুধুই ‘বাংলাদেশি’। দেশে কোনো বিভাজন নয়, বরং পারস্পরিক সৌহার্দ্য ও ঐক্যের পরিবেশ গড়ে তোলাই বর্তমান সরকারের লক্ষ্য। তিনি আরও উল্লেখ করেন, শারদীয় দুর্গোৎসব যাতে নির্বিঘ্নে ও আনন্দঘন পরিবেশে উদযাপিত হতে পারে, সেজন্য সরকার পূজামণ্ডপগুলোর আর্থিক অনুদান ও বরাদ্দ বৃদ্ধি করেছে।

গুলশান-বনানী সার্বজনীন পূজা ফাউন্ডেশনের এই বিশেষ অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় ডেপুটি হাইকমিশনার পবন বাধে এবং পূজা উদযাপন কমিটির শীর্ষ নেতৃবৃন্দ।

/এএ 

Logo