×
Logo

জাতীয়

ডেঙ্গু প্রতিরোধে তিন মাসের বিশেষ কর্মসূচি নিয়েছে সরকার

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:৪১ পিএম

ডেঙ্গু প্রতিরোধে তিন মাসের বিশেষ কর্মসূচি নিয়েছে সরকার

ফাইল ছবি

ডেঙ্গুর প্রকোপ মোকাবেলায় আগামী তিন মাসকে ঝুঁকিপূর্ণ সময় বিবেচনায় নিয়ে এ কর্মসূচিতে সক্রিয়ভাবে অংশ নিতে দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে ডেঙ্গু প্রতিরোধে করণীয় নিয়ে আয়োজিত এক সভায় তিনি এ বিষয়ে নির্দেশনা দেন।

আগামী শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে শুরু হবে ডেঙ্গু প্রতিরোধে তিন মাসব্যাপী বিশেষ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও জনসচেতনতামূলক কর্মসূচি।

সভায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে শুধু মশকনিধন কার্যক্রমে নির্ভর না করে পরিচ্ছন্নতা ও জনসচেতনতার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিতে হবে। এ জন্য স্থানীয় প্রশাসন, স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ও শিক্ষার্থীদের সম্পৃক্ত করে সমন্বিতভাবে মাঠপর্যায়ে কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে।

তারেক রহমান বলেন, আগামী তিন মাস ডেঙ্গু পরিস্থিতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ। এ সময়ে সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে। বাসাবাড়ি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, সরকারি-বেসরকারি স্থাপনা ও আশপাশের এলাকা নিয়মিত পরিষ্কার রাখার বিষয়ে মানুষকে উদ্বুদ্ধ করতে হবে।

কর্মসূচির আওতায় মহানগর এলাকায় সংশ্লিষ্ট সিটি করপোরেশন ও জেলা পর্যায়ে জেলা প্রশাসকেরা কার্যক্রম সমন্বয় করবেন। উপজেলা পর্যায়ে স্থানীয় কার্যক্রম সমন্বয়ের দায়িত্বে থাকবেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তারা (ইউএনও)।

পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও জনসচেতনতামূলক এ অভিযানে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের স্বেচ্ছাসেবকদের পাশাপাশি স্কাউট, বাংলাদেশ ন্যাশনাল ক্যাডেট কোর (বিএনসিসি), গার্ল গাইডস, বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির স্বেচ্ছাসেবক এবং স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীদের সম্পৃক্ত করা হবে।

কর্মসূচির অংশ হিসেবে প্রতি শনিবার স্বেচ্ছাসেবক ও শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন বাসাবাড়ি-স্থাপনায় গিয়ে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে অংশ নেবেন। একই সঙ্গে, ডেঙ্গুর বাহক এডিস মশার প্রজননস্থল তৈরি হতে পারে— এমন স্থান চিহ্নিত করে তা পরিষ্কার করার উদ্যোগ নেওয়া হবে। পাশাপাশি, নিজ নিজ বাড়ি ও আশপাশের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার বিষয়ে মানুষকে সচেতন করা হবে।

মাঠপর্যায়ে পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনার পাশাপাশি গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক প্রচারের ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে টেলিভিশনে জনসচেতনতামূলক প্রচার এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতামূলক বার্তা নিয়মিত প্রচারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

/এএম

Logo