দেশে হামে আক্রান্ত শিশুদের একটি বড় অংশের বয়সই তিন থেকে নয় মাসের মধ্যে। হাসপাতালে ভর্তি হওয়া ৩৫৪ জন শিশুর ওপর পরিচালিত এক যৌথ গবেষণায় দেখা গেছে, আক্রান্তদের মধ্যে প্রায় ৪৩ শতাংশ শিশুর বয়স ৩ থেকে ৯ মাস।
বুধবার (১৯ আগস্ট) সকালে বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউটের (বাশিহাই) অডিটোরিয়ামে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে যৌথ গবেষণার এই ফলাফল প্রকাশ করে বাশিহাই এবং আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা কেন্দ্র, বাংলাদেশ (আইসিডিডিআর,বি)।
গবেষণা প্রতিবেদনটি যৌথভাবে উপস্থাপন করেন বাশিহাইর পরিচালক অধ্যাপক ডা. মির্জা মোহাম্মদ জিয়াউল ইসলাম এবং আইসিডিডিআর,বি’র পরিচালক মুস্তাফিজুর রহমান।
গবেষণার তথ্য অনুযায়ী, হামে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসা নেওয়া শিশুদের প্রায় ৬৫ শতাংশই মারাত্মক অপুষ্টিতে ভুগছিল। এছাড়া গবেষণাকালে যেসব আক্রান্ত শিশুর মৃত্যু হয়েছে, তাদের প্রায় ৮২ শতাংশই জন্মের পর প্রয়োজনীয় ও পর্যাপ্ত মাতৃদুগ্ধ পায়নি।
জিনোম সিকোয়েন্সিংয়ে দেখা গেছে, দেশে ছড়িয়ে পড়া এই মিজেলস ভাইরাসের সঙ্গে বৈশ্বিকভাবে শনাক্ত হওয়া ‘বি-থ্রি’ ধরনের মিল রয়েছে। একই সাথে ভাইরাসের অ্যান্টিবডি শনাক্তকারী চারটি মিউটেশনও শনাক্ত করেছেন বিজ্ঞানীরা।
গবেষকরা নবজাতকদের প্রথম ছয় মাস শুধুমাত্র মায়ের বুকের দুধ খাওয়ানো, নিয়মিত ও পূর্ণাঙ্গ টিকাদান কর্মসূচি নিশ্চিত করা এবং শিশুদের অপুষ্টি রোধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের ওপর বিশেষ তাগিদ দিয়েছেন।
/এএ