×
Logo

জাতীয়

দিল্লিতে বিএসএফ-বিজিবি বৈঠক: যৌথ সংবাদ সম্মেলন ছাড়াই শেষ, বিজ্ঞপ্তিতে যা জানাল

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ১২ জুন ২০২৬, ০২:৫১ পিএম

দিল্লিতে বিএসএফ-বিজিবি বৈঠক: যৌথ সংবাদ সম্মেলন ছাড়াই শেষ, বিজ্ঞপ্তিতে যা জানাল

নয়াদিল্লিতে বাংলাদেশ ও ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর শীর্ষস্তরের চার দিনের বৈঠক গতকাল বৃহস্পতিবার শেষ হয়েছে। তবে বৈঠক শেষে যৌথ আলোচনার নথিতে স্বাক্ষরের পর দুই বাহিনীর মহাপরিচালক (ডিজি) এবার যৌথ সাংবাদ সম্মেলন করেননি। দুই দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর উচ্চপর্যায়ের বৈঠকের ইতিহাসে এই প্রথম এমন ঘটনা ঘটল।

কী কী বিষয় নিয়ে বৈঠকে আলোচনা হয়েছে, সে সম্পর্কে গতকাল বৃহস্পতিবার (১১ জুন) একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তি দিয়েছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)।

তাতে বলা হয়েছে, গত ৮ জুন থেকে ১১ জুন বিএসএফ সদর দফতরে বাংলাদেশ ও ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর মধ্যে সৌহার্দ্যপূর্ণ, ইতিবাচক পরিবেশে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। দুই বাহিনীই বিদ্যমান সীমান্ত পরিস্থিতি, নিরাপত্তা ও ব্যবস্থাপনা সম্পর্কিত নিজেদের উদ্বেগগুলো তুলে ধরে বৈঠকে।

এর মধ্যে উভয় পক্ষই মাদক, অস্ত্র, জাল মুদ্রা, স্বর্ণসহ অন্যান্য নিষিদ্ধ দ্রব্যের চোরাচালান, আন্তঃসীমান্ত অপরাধ, অবৈধভাবে সীমান্ত অতিক্রম এবং মানবপাচার প্রতিরোধের উপায় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করে। সীমান্তে মৃত্যু, পুশ ইন, বেড়া দেওয়ার ইস্যুও ছিল আলোচনায়।

বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে শান্তি, স্থিতিশীলতা বজায় রাখার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে উভয় পক্ষ। পাশাপাশি সমন্বিত টহল আরও জোরদার, সতর্কতা বৃদ্ধি, তাৎক্ষণিক তথ্য আদান-প্রদান বাড়ানো এবং আন্তঃসীমান্ত অপরাধী চক্রের বিরুদ্ধে যৌথ প্রচেষ্টা আরও গতিশীল করতে সম্মত হয়েছে বিজিবি-বিএসএফ।

এছাড়া, সীমান্ত এলাকায় অবৈধ কার্যকলাপ প্রতিরোধে বৃহত্তর জনসচেতনতা বৃদ্ধির ওপরও জোর দেওয়া হয়।

সীমান্ত নিরাপত্তাকে ক্ষুণ্ন করে এমন যেকোনো পদক্ষেপের প্রতি জিরো টলারেন্স গ্রহণের যৌথ সংকল্পও পুনর্ব্যক্ত করেছে দুই বাহিনী। উভয় পক্ষই বৈঠকের ফলাফল নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করে এবং তা ইতিবাচকভাবে শেষ হয় বলে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।

প্রসঙ্গত, ১৯৭৫ থেকে ১৯৯২ সাল পর্যন্ত প্রতি বছর দুই দেশের মধ্যে ডিজি-স্তরের সীমান্ত বৈঠক অনুষ্ঠিত হত। তবে ১৯৯৩ সালে এটিকে বছরে দু’বার আয়োজনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। যেখানে উভয় পক্ষ পর্যায়ক্রমে নয়াদিল্লি ও ঢাকায় বৈঠকে অংশ নেয়। 

/এমএন

Logo