বেশ কয়েক বছর পর হঠাৎ দেখা হয়ে গেলো আপনার ছোটবেলার এক বন্ধুর সঙ্গে। দীর্ঘদিন পর দেখা, তাই গল্প-আড্ডায় মেতে উঠলেন দুইজন। একসময় বন্ধুকে নিয়ে খেতে গেলেন শহরের এক রেস্তোরাঁয়। কিন্তু খাবারের অর্ডার দিতে গিয়ে হঠাৎ মনে পড়লো না বন্ধুর পছন্দের খাবারটি কী! অথচ একসময় তার পছন্দ-অপছন্দ ছিল আপনার মুখস্থ।
ভাবছেন, সময়ের সঙ্গে এমনটা কেন ঘটে? বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতায়ও কিছু পরিবর্তন আসে। স্মৃতিশক্তি, মনোযোগ ও তথ্য মনে রাখার ক্ষমতায় দেখা দিতে পারে ধীরগতি। বিজ্ঞানের ভাষায়, বয়সজনিত এসব পরিবর্তনকে মস্তিষ্কের বার্ধক্য বা ব্রেন এজিং বলা হয়। তবে প্রশ্ন হলো, প্রযুক্তির সহায়তায় কি মস্তিষ্কের এই বার্ধক্য প্রক্রিয়াকে ধীর করা সম্ভব?
দীর্ঘদিন ধরে একটা ধারণা প্রচলিত রয়েছে যে, মোটামুটি সুস্থ জীবনযাপন মস্তিষ্কের বয়স বাড়ার গতিকে কমিয়ে দিতে পারে। তবে বয়স বাড়ার সঙ্গে মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা কমে যাওয়া কিংবা স্মৃতিশক্তি দুর্বল হয়ে পড়া কি অবধারিত?
তবে বিজ্ঞানীদের ভাষ্যমতে, মস্তিষ্কের পুরোপুরি বার্ধক্য ঠেকানো সম্ভব না হলেও স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনের পাশাপাশি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ও আধুনিক প্রযুক্তির সহায়তায় মস্তিষ্কের সুস্থতা দীর্ঘদিন ধরে রাখা সম্ভব। তেমনি মস্তিষ্কের বার্ধক্যজনিত পরিবর্তনের গতি কমিয়ে দীর্ঘদিন সুস্থ ও কার্যক্ষম রাখা সম্ভব।
মানুষের বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাড়ছে বাধ্যর্কজনিত নানা রোগের ঝুঁকি। বিশেষ করে ডিমেনশিয়া ও আলঝেইমারের মতো স্নায়বিক রোগ নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। সেজন্য এই পরিস্থিতে বয়সের সঙ্গে মানুষের মস্তিষ্কে কী ধরনের পরিবর্তন ঘটে, তা আগেভাগে শনাক্ত করতে কাজ করছেন গবেষকেরা। উদ্দেশ্য হলো, বয়স বাড়ার কারণে মস্তিষ্কের স্বাভাবিক পরিবর্তন আর কোনো রোগের কারণে মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা দ্রুত কমে যাওয়ার মধ্যে পার্থক্য বোঝা।
যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার লোমা লিন্ডা শহর এই গবেষণার জন্য বিশেষভাবে পরিচিত। শহরটি বিশ্বের কথিত ‘ব্লু জোন’গুলোর একটি। এসব এলাকায় মানুষের গড় আয়ু তুলনামূলক বেশি। লোমা লিন্ডার সেভেন্থ-ডে অ্যাডভেন্টিস্ট খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের মানুষের দীর্ঘ ও সুস্থ জীবনের পেছনে রয়েছে স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন, নিয়মিত শরীরচর্চা, উদ্ভিদভিত্তিক খাবার এবং সবার সঙ্গে চলাফেরা করা যেটিকে বলা হয় সামজিক বন্ধন।
লোমা লিন্ডা বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসক গ্যারি ফ্রেজারের তথ্য অনুযায়ী, ওই সম্প্রদায়ের নারীরা সাধারণ মানুষের তুলনায় চার থেকে পাঁচ বছর এবং পুরুষেরা প্রায় সাত বছর বেশি সুস্থ জীবন কাটানোর সুযোগ পান। এখানে শুধু দীর্ঘায়ু নয়, বরং জীবনের কতটা সময় রোগমুক্ত ও কর্মক্ষম থাকা যায়, সেই বিষয়টিকেও গুরুত্ব দেওয়া হয়। চিকিৎসাবিজ্ঞানে একে বলা হয় ‘হেলথস্প্যান’। শুধু খাদ্যাভ্যাস বা শরীরচর্চাই নয়, সামাজিক যোগাযোগও মস্তিষ্কের সুস্থতার জন্য গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
লোমা লিন্ডার একটি আবাসিক কেন্দ্রে বসবাসকারী জুডির মতে, মানুষের সঙ্গে নিয়মিত কথা বলা ও সামাজিকভাবে সক্রিয় থাকা মস্তিষ্কের জন্য অত্যন্ত জরুরি। দীর্ঘদিন একাকিত্বে থাকলে মস্তিষ্কের কার্যকারিতা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।
অপরিদকে, আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে মস্তিষ্কের বয়স নির্ণয় এবং ভবিষ্যৎ অবনতির ঝুঁকি শনাক্ত করার চেষ্টা করছেন গবেষকেরা। ইউনিভার্সিটি অব সাউদার্ন ক্যালিফোর্নিয়ার জেরোন্টোলজি ও কম্পিউটেশনাল বায়োলজির সহযোগী অধ্যাপক আন্দ্রেই ইরিমিয়া কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সাহায্যে এ ধরনের একটি মডেল তৈরি করেছেন। প্রায় ১৫ হাজার মানুষের মস্তিষ্কের এমআরআই স্ক্যানের তথ্য বিশ্লেষণ করে তৈরি মডেলটি মস্তিষ্কের স্বাভাবিক বার্ধক্য এবং ডিমেনশিয়ার মতো রোগের কারণে সৃষ্ট পরিবর্তনের ধরন শনাক্ত করতে পারে। মানুষের চোখে সহজে ধরা না পড়া বিভিন্ন পরিবর্তনও এআইয়ের মাধ্যমে চিহ্নিত করা সম্ভব হচ্ছে।
বিবিসি প্রতিবেদক লারা লিউইংটনের মস্তিষ্কের এমআরআই স্ক্যান বিশ্লেষণ করে অধ্যাপক ইরিমিয়া জানান, তার মস্তিষ্কের বয়স প্রকৃত বয়সের তুলনায় আট মাস বেশি। তবে এ ধরনের পরীক্ষায় প্রায় দুই বছর পর্যন্ত ত্রুটির সম্ভাবনা রয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি। বাণিজ্যিকভাবেও এ প্রযুক্তির ব্যবহার শুরু হয়েছে। ব্রেইনকি নামের একটি প্রতিষ্ঠান বিশ্বের বিভিন্ন ক্লিনিকে এ ধরনের সেবা দিচ্ছে। প্রতিষ্ঠানটির প্রতিষ্ঠাতা ওয়েন ফিলিপসের মতে, এমআরআই প্রযুক্তি ক্রমেই সহজলভ্য ও উন্নত হচ্ছে। ফলে ভবিষ্যতে মস্তিষ্কের পরিবর্তন আরও প্রাথমিক পর্যায়েই শনাক্ত করা সম্ভব হবে।
মস্তিষ্ক সুস্থ রাখতে জীবনযাপনে কী পরিবর্তন জরুরি?
মস্তিষ্কের বার্ধক্য নিয়ে গবেষণায় প্রযুক্তি যতই এগিয়ে যাক, বিজ্ঞানীদের বড় একটি অংশ এখনও স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনকেই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি হিসেবে দেখছেন। খাবার, ঘুম, শরীরচর্চা, মানসিক উদ্দীপনা ও সামাজিক সম্পর্ক এই বিষয়গুলোর সমন্বয় মস্তিষ্কের দীর্ঘমেয়াদি সুস্থতায় ভূমিকা রাখতে পারে। ড্যান বুয়েটনারের ‘দ্য ব্লু জোনস’ বইয়ে বিশ্বের দীর্ঘায়ু মানুষের জীবনযাপনের নানা দিক তুলে ধরা হয়েছে। তার গবেষণাভিত্তিক আলোচনায় দেখা যায়, দীর্ঘ ও সুস্থ জীবনের সঙ্গে শুধু খাদ্যাভ্যাসের সম্পর্ক নেই; বরং প্রতিদিনের স্বাভাবিক চলাফেরা, পরিবার ও সমাজের সঙ্গে সম্পর্ক, জীবনের উদ্দেশ্য এবং মানসিক প্রশান্তিও গুরুত্বপূর্ণ।
খাদ্যাভ্যাসের ক্ষেত্রেও গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন। অতিরিক্ত প্রক্রিয়াজাত খাবার, চিনি ও অস্বাস্থ্যকর চর্বির পরিবর্তে শাকসবজি, ফলমূল, ডাল, বাদাম, পূর্ণশস্য এবং অন্যান্য পুষ্টিকর খাবারকে খাদ্যতালিকায় প্রাধান্য দেওয়া যেতে পারে। পর্যাপ্ত পানি পান এবং প্রয়োজন অনুযায়ী সুষম খাবার গ্রহণও জরুরি। তবে কোনো একটি বিশেষ খাবার খেলেই মস্তিষ্কের বার্ধক্য থেমে যাবে এমন ধারণার বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই। বরং দীর্ঘদিনের সামগ্রিক খাদ্যাভ্যাসই এখানে বেশি গুরুত্বপূর্ণ। শরীরচর্চার বিষয়টিও সমান গুরুত্বপূর্ণ।
নিয়মিত হাঁটা, সাইকেল চালানো, সাঁতার কিংবা নিজের সক্ষমতা অনুযায়ী অন্যান্য ব্যায়াম শরীরের পাশাপাশি মস্তিষ্কের স্বাস্থ্যেও ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে। শারীরিক সক্রিয়তা রক্তসঞ্চালন ও হৃদ্স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী। আর হৃদ্যন্ত্র ও রক্তনালির সুস্থতা মস্তিষ্কে প্রয়োজনীয় রক্ত ও অক্সিজেন সরবরাহ বজায় রাখতে সাহায্য করে। তাই দীর্ঘ সময় বসে কাজ করার অভ্যাস থাকলে মাঝেমধ্যে উঠে হাঁটা এবং প্রতিদিন কিছুটা সময় শারীরিক কর্মকাণ্ডে ব্যয় করা উপকারী।
মস্তিষ্ককে সক্রিয় রাখার আরেকটি উপায় হলো নিয়মিত নতুন কিছু শেখা। বই পড়া, নতুন ভাষা শেখা, বাদ্যযন্ত্র বাজানো, লেখালেখি, দাবা খেলা কিংবা কোনো সৃজনশীল কাজে যুক্ত থাকা মস্তিষ্ককে নতুন অভিজ্ঞতা ও চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি করে। নরম্যান ডয়েজের ‘দ্য ব্রেইন দ্যাট চেঞ্জেস ইটসেলফ’ বইয়ে মস্তিষ্কের পরিবর্তন ও অভিযোজনের ক্ষমতা, অর্থাৎ ‘নিউরোপ্লাস্টিসিটি’ নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। এর মূল ধারণা হলো, মানুষের মস্তিষ্ক অভিজ্ঞতা, অনুশীলন ও শেখার মাধ্যমে সারা জীবনই পরিবর্তিত হতে পারে। বয়স বাড়লেই শেখার ক্ষমতা সম্পূর্ণ শেষ হয়ে যায় না। তাই নতুন দক্ষতা অর্জন কিংবা নিয়মিত বুদ্ধিবৃত্তিক চর্চা মস্তিষ্কের সক্রিয়তা ধরে রাখার একটি গুরুত্বপূর্ণ অভ্যাস হতে পারে।
ঘুমের সঙ্গে মস্তিষ্কের বার্ধক্যের সম্পর্ক
মস্তিষ্কের সুস্থতার আলোচনায় ঘুমের গুরুত্ব আলাদাভাবে উঠে এসেছে। ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়া, বার্কলির স্নায়ুবিজ্ঞান ও মনোবিজ্ঞানের অধ্যাপক ম্যাথিউ ওয়াকার তার ‘হোয়াই উই স্লিপ’ বইয়ে ঘুমের সঙ্গে মস্তিষ্ক ও শরীরের বিভিন্ন কার্যক্রমের সম্পর্ক ব্যাখ্যা করেছেন। তার মতে, পর্যাপ্ত ঘুম স্মৃতিশক্তি, শেখার ক্ষমতা, আবেগ নিয়ন্ত্রণ এবং শরীরের রোগ প্রতিরোধব্যবস্থার স্বাভাবিক কার্যক্রমে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। ঘুমের সময় মস্তিষ্কে বিভিন্ন জৈবিক প্রক্রিয়া সক্রিয় থাকে। এর মধ্যে রয়েছে গ্লিম্ফ্যাটিক সিস্টেম, যা মস্তিষ্কের বর্জ্য পদার্থ অপসারণে ভূমিকা রাখে। বিটা-অ্যামাইলয়েড ও টাউ প্রোটিনের মতো উপাদান আলঝেইমার রোগের সঙ্গে সম্পর্কিত। ঘুমের সঙ্গে এসব উপাদানের অপসারণ প্রক্রিয়ার সম্পর্ক নিয়েও গবেষণা চলছে। ফলে নিয়মিত ঘুমের ব্যাঘাতকে মস্তিষ্কের দীর্ঘমেয়াদি স্বাস্থ্যের জন্য উপেক্ষা করার সুযোগ নেই।
প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ে ঘুমাতে যাওয়া, পর্যাপ্ত সময় ঘুমানো, রাতে অতিরিক্ত স্ক্রিন ব্যবহার কমানো এবং ঘুমের আগে ক্যাফেইন এড়িয়ে চলার মতো অভ্যাস ঘুমের মান উন্নত করতে সাহায্য করতে পারে। প্রাপ্তবয়স্কদের সাধারণত প্রতিদিন সাত থেকে নয় ঘণ্টা ঘুমের পরামর্শ দেওয়া হয়। তবে বয়স ও ব্যক্তিভেদে ঘুমের প্রয়োজন ভিন্ন হয়ে থাকে।
মানসিক প্রশান্তি ও সামাজিক সম্পর্কও গুরুত্বপূর্ণ
শারীরিক সুস্থতার পাশাপাশি মানসিক স্বাস্থ্যের প্রতিও খেয়াল রাখা প্রয়োজন। দীর্ঘস্থায়ী মানসিক চাপ, উদ্বেগ, একাকিত্ব এবং বিষণ্নতা মানুষের সামগ্রিক স্বাস্থ্যের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। পরিবার ও বন্ধুদের সঙ্গে সময় কাটানো, সামাজিক কর্মকাণ্ডে অংশ নেওয়া, নিজের পছন্দের কাজে যুক্ত থাকা এবং প্রয়োজন অনুযায়ী মানসিক স্বাস্থ্যসেবা গ্রহণ সুস্থ জীবনযাপনের অংশ। প্রতিদিনের ব্যস্ততার মধ্যে নিজের জন্য কিছুটা সময় রাখা, প্রকৃতির কাছাকাছি থাকা, পছন্দের বই পড়া কিংবা সৃজনশীল কাজে যুক্ত হওয়াও মানসিক প্রশান্তিতে সহায়ক হতে পারে। একই সঙ্গে ধূমপান পরিহার, অ্যালকোহল এড়িয়ে চলা, উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস ও কোলেস্টেরলের মতো স্বাস্থ্যঝুঁকি নিয়ন্ত্রণে রাখাও মস্তিষ্কের সুস্থতার জন্য অপরিহার্য।
প্রযুক্তি কী ভবিষ্যতে বদলে দেবে মস্তিষ্কের চিকিৎসা?
বিজ্ঞানীদের গবেষণা বলছে, মস্তিষ্কের বয়স ও কার্যক্ষমতা পর্যবেক্ষণে এআই এবং এমআরআই প্রযুক্তি ভবিষ্যতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। তবে মস্তিষ্কের বয়স নির্ণয়ের প্রযুক্তি এখনও গবেষণার পর্যায়ে। কোনো ব্যক্তির মস্তিষ্কের বয়স কয়েক মাস বেশি বা কম দেখালেই তার ভবিষ্যতে ডিমেনশিয়া হবে কিংবা তিনি অন্যদের তুলনায় বেশি সুস্থ থাকবেন এমন সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর সুযোগ নেই। এ ধরনের প্রযুক্তির নির্ভুলতা, দীর্ঘমেয়াদি কার্যকারিতা এবং চিকিৎসাক্ষেত্রে ব্যবহার নিয়ে আরও গবেষণা প্রয়োজন।
বিশেষজ্ঞদের ধারণা অনুযায়ী, ঘুমের ধরনেও পরিবর্তন ডিমেনশিয়ার ঝুঁকির সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে। এমন পরিবর্তন শুধু ষাট বা সত্তর বছর বয়সেই নয়, ত্রিশের দশক থেকেও শুরু হতে পারে। তাই ঘুমের ধরন পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে মধ্যবয়স থেকেই সম্ভাব্য ঝুঁকি শনাক্ত ও প্রতিরোধের সুযোগ তৈরি হতে পারে। মস্তিষ্কের বার্ধক্য পুরোপুরি থামানো সম্ভব না হলেও স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন, পর্যাপ্ত ঘুম, নিয়মিত শরীরচর্চা, মানসিক উদ্দীপনা এবং সামাজিক যোগাযোগের পাশাপাশি এআইনির্ভর প্রযুক্তি ভবিষ্যতে এ প্রক্রিয়ার গতি কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
বিবিসি ফিচার অবলম্বনে
/এসআইএন