×
Logo

আন্তর্জাতিক

যমুনাকে মার্কিন সিনেট প্রার্থী এল সাঈদ: চান ট্রাম্পের কঠোর অভিবাসন নীতির সংস্কার

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:০২ এএম

যমুনাকে মার্কিন সিনেট প্রার্থী এল সাঈদ: চান ট্রাম্পের কঠোর অভিবাসন নীতির সংস্কার

মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনে যে কয়জন প্রার্থী এবার আলোচনায় তার মধ্যে অন্যতম আব্দুল এল সাঈদ। যমুনা টেলিভিশনকে দেয়া সাক্ষাৎকারে অভিবাসীদের নিয়ে ট্রাম্প প্রশাসনের বিভিন্ন কঠোর নীতির সমালোচনা করেন তিনি।

এবারের, মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনে, রীতিমতো, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মাথাব্যাথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছেন মিশিগানের মুসলিম প্রার্থী আব্দুল এল সাঈদ। ডেমোক্রেটিক পার্টির এই সিনেট প্রার্থীকে 'জিহাদি' আখ্যা দিয়ে তার বিরুদ্ধে জোর প্রচারণায় নেমেছেন ট্রাম্প।

বিভিন্ন জরিপের আভাস, আসনটিতে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হলেও জয়ের পাল্লা ভারী এল সাঈদেরই। বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশের অভিবাসীদের মাঝেও তুমুল জনপ্রিয় তিনি। যমুনা টেলিভিশনকে দেয়া সাক্ষাৎকারে এল সাঈদ তুলে ধরলেন অভিবাসন ইস্যুতে নিজের অবস্থান।

মেডিকেইড কর্মসূচির আওতায় চিকিৎসাসেবা পেতে সবার জন্য কাজ বাধ্যতামূলক করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন ট্রাম্প। ২০২৭ সাল থেকেই এই নিয়ম কার্যকর হবে বলে বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশের অভিবাসীদের কাছে চিঠিও পাঠানো হয়েছে। অসুস্থ ও কাজ করতে অক্ষমদের জন্য যে নিয়ম রীতিমতো আতঙ্কের। এই ইস্যুতে নিজের উদ্বেগের কথা জানান এল সাঈদ। নির্বাচনে জিতলে ইস্যুটি আলোচনায় তুলবেন বলেও জানান তিনি। তবে, ট্রাম্প ভেটো ক্ষমতার অপব্যবহার করতে পারেন এমন শঙ্কাও আছে।

মিশিগানের ডেমোক্রেট প্রার্থী আব্দুল এল সাঈদ বলেন, 'এটি একেবারেই অযৌক্তিক। বিষয়টি আমার কাছে অত্যন্ত উদ্বেগেরও। এই নিয়মের কারণে শুধু যে মানুষ মেডিকেইড সুবিধা হারাবেন তা নয়, অনেক স্বাস্থ্যকেন্দ্রও আর্থিক সংকটে পড়বে। এই আইন বাতিলের পক্ষে আমরা সম্ভাব্য সব ধরনের পদক্ষেপ খতিয়ে দেখবো। কিন্তু যতদিন ডোনাল্ড ট্রাম্পের ভেটো ক্ষমতা থাকবে, ততদিন সেই ভেটোকে অতিক্রম করার উপায় খুঁজে বের করতে হবে আমাদের।' 

মার্কিন অভিবাসন প্রক্রিয়ার দীর্ঘসূত্রতা নিয়েও প্রশ্ন করা হয় তাকে। ফ্যামিলি ভিসায় ভাই-বোনকে নেয়ার জন্য প্রবাসীদের বেশিরভাগকেই অপেক্ষা করতে হয় ১৫ থেকে ১৬ বছর। এছাড়া বাবা-মা, স্ত্রী-সন্তানের জন্যও অপেক্ষা করতে হয় দীর্ঘ সময়। এটি কতোটা যৌক্তিক, এমন প্রশ্নের জবাবে এল সাঈদ দাবি করেন, দেশে অভিবাসন ব্যবস্থায় ব্যপক সংস্কার প্রয়োজন।

আব্দুল এল সাঈদ বলেন, 'আমাদের এমন একটি অভিবাসন ব্যবস্থা প্রয়োজন, যেখানে পুরো প্রক্রিয়া হবে অত্যন্ত স্পষ্ট-স্বচ্ছ-দক্ষতার সঙ্গে পরিচালিত। কিন্তু বর্তমানে আমাদের সেই ব্যবস্থা নেই। প্রথমে, আমাদের সমস্যাগুলো চিহ্নিত করতে হবে। কেউ যখন বৈধভাবে এখানে আসবেন, তখন তার জন্য একটি সুস্পষ্ট প্রক্রিয়া থাকতে হবে। আমরা মানুষকে এভাবে আইনি অনিশ্চয়তার মধ্যে ফেলে রাখতে পারি না।'

আগামী, ৩ নভেম্বরের নির্বাচনে জিতলে, আবদুল এল-সাঈদ-ই হবেন যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে প্রথম মুসলিম সিনেটর।

/এআই 

Logo