×
Logo

আন্তর্জাতিক

হরমুজে মার্কিন সাবমেরিন ড্রোন আটকের দাবি ইরানের, নাকচ যুক্তরাষ্ট্রের

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:৪৯ এএম

হরমুজে মার্কিন সাবমেরিন ড্রোন আটকের দাবি ইরানের, নাকচ যুক্তরাষ্ট্রের

হরমুজ প্রণালিতে একটি মার্কিন অটোনোমাস আন্ডারওয়াটার ভেহিকেল (এইউভি) আটকের ইরানি দাবি নাকচ করেছে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী। রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) স্থানীয় সময় সন্ধ্যায়, ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) দাবি করে, তাদের নৌবাহিনী উন্নত প্রযুক্তির একটি মার্কিন স্বয়ংক্রিয় ডুবযান আটক করেছে।

তবে, কাতারভিত্তিক রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম আল জাজিরাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে মার্কিন সেনাবাহিনীর এক মুখপাত্র বলেন, সব ইউএভির ওপরই যুক্তরাষ্ট্রের ‘ইতিবাচক নিয়ন্ত্রণ’ রয়েছে। হরমুজ প্রণালিতে একটি অত্যাধুনিক মার্কিন সাবমেরিন ড্রোন আটকের ইরানি দাবি ‘স্পষ্টতই হতাশাজনক’ বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

অন্যদিকে, আইআরজিসির মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল হোসেইন মোহেবি এক্সে দেওয়া এক বিবৃতিতে দাবি করেন, হরমুজ প্রণালি শুধু উন্মুক্তই নয়, বরং সেখানে মার্কিন সাবমেরিন লক্ষ্য করে অভিযান চালানোর ক্ষেত্রেও আইআরজিসি নৌবাহিনী সক্রিয়।

তিনি দাবি করেন, এটি আইআরজিসি'র ‘দ্বিতীয়বার’ কোনো মার্কিন ডুবযান আটকের ঘটনা। মোহেবির ভাষ্য অনুযায়ী, আটক করা ডুবযানটি ‘এমকে ১৮ মড ২ কিংফিস’। এটি অত্যাধুনিক নেভিগেশন ব্যবস্থাসম্পন্ন একটি স্বয়ংক্রিয় ডুবযান, যার মূল্য কয়েক মিলিয়ন ডলার।

‘এটি শুধু শিকার নয়; এটি গোয়েন্দা তথ্যের বিশাল সুযোগ’, বলে দাবি করেন আইআরজিসির এই মুখপাত্র।

চলতি মাসের শুরুতেও হরমুজ প্রণালিতে একটি মার্কিন মানববিহীন ডুবযান আটকের দাবি করেছিল আইআরজিসি। সেসময় ইরানি সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়, আটক করা ডুবযানটি ‘ডাইভ-এলডি’, যা ক্যালিফোর্নিয়াভিত্তিক প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান অ্যান্ডুরিল তৈরি করেছে।

আইআরজিসি নৌবাহিনী এক বিবৃতিতে দাবি করেছিল, ‘সন্ত্রাসী আমেরিকান বাহিনীর সবচেয়ে আধুনিক, বুদ্ধিমান ও মানববিহীন সাবমেরিনগুলোর একটি’ তারা হরমুজ প্রণালির প্রবেশমুখে আটক করেছে। ডুবযানটিতে সর্বাধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয়েছে বলেও দাবি করা হয়।

তবে সেসময় মার্কিন প্রতিরক্ষা দফতর পেন্টাগন জানায়, একটি পানির নিচে পরিচালিত ড্রোন এক দিনেরও বেশি সময় আগে বিকল হয়ে পড়েছিল।

পেন্টাগনের মুখপাত্রের ভাষ্য অনুযায়ী, ড্রোনটি চলমান সামরিক অভিযানের সহায়তায় আঞ্চলিক জলসীমা পর্যবেক্ষণ করছিল। তবে এটি ছিল পুরোনো মডেলের একটি ড্রোন, যা কোনো সংবেদনশীল তথ্য সংগ্রহ করেনি এবং এতে কোনো রাডার সরঞ্জামও ছিল না।

তখন ইরানের পক্ষ থেকে ডুবযান আটকের যে দাবি করা হয়েছিল, সে বিষয়ে সরাসরি কোনো মন্তব্য করেনি পেন্টাগন।

/এআই 

Logo