×
Logo

আন্তর্জাতিক

ভুলে গাজার স্পষ্ট ছবি প্রকাশ ইসরায়েলের, ফাঁস সেনাঘাটির গোপন চিত্র

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:৪৪ এএম

ভুলে গাজার স্পষ্ট ছবি প্রকাশ ইসরায়েলের, ফাঁস সেনাঘাটির গোপন চিত্র

দীর্ঘ প্রায় তিন বছর ধরে গাজায় চলছে ইসরায়েলি আগ্রাসন। এতে ধ্বংস হয়েছে উপত্যকার বিস্তীর্ণ এলাকা। নিজেদের সামরিক কর্মকাণ্ডের তথ্য সাধারণত গোপন রাখে ইসরায়েল। তবে এবার সরকারি ম্যাপিং ওয়েবসাইটে ভুল করে গাজার বেশ কিছু এলাকার স্পষ্ট ছবি প্রকাশ করেছে দেশটি। একই সঙ্গে প্রকাশ হয়ে গেছে ইসরায়েলি সেনাদের কয়েকটি ঘাঁটির ছবিও।

সোমবার (২১ সেপ্টম্বর)  @Stinky915846091 নামের একটি এক্স অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে গভম্যাপের এই ত্রুটিটি প্রথম নজরে আসে। অ্যাকাউন্টটি ওপেন-সোর্স ইন্টেলিজেন্স নিয়ে কাজ করে এবং নিয়মিত গাজা উপত্যকার বিভিন্ন ঘটনার ভৌগোলিক অবস্থান শনাক্ত করে।

বিষয়টি বুঝতে পেরে কয়েক মুহূর্তের মধ্যেই ছবিগুলো ওয়েবসাইট থেকে সরিয়ে নেয় তেল আবিব। পরে একই এলাকার ঝাপসা ছবি প্রকাশ করা হয়।

ঘটনাটি নিয়ে বিস্তারিত প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে যুক্তরাজ্যভিত্তিক গণমাধ্যম মিডল ইস্ট আই।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইসরায়েলের সরকারি ম্যাপে অল্প সময়ের জন্য উত্তর গাজার স্পষ্ট স্যাটেলাইট ছবি দেখা যায়। প্রথমে বিষয়টি নজরে আসে এক্সের ওই ব্যবহারকারীর। পরে ছবিগুলো সরিয়ে নেওয়ার আগেই সেগুলো সংরক্ষণ করেন আরেক এক্স ব্যবহারকারী।

এরপর স্পষ্ট ছবিগুলো স্যাটেলাইট ইমেজ, ড্রোন ডেটা ও জিওস্পেশাল শেয়ারিং প্ল্যাটফর্ম সোর এটলাসে প্রকাশ করা হয়।

প্রকাশিত ছবিতে উত্তর গাজার কয়েকটি শহরের ব্যাপক ধ্বংসের চিত্র দেখা যায়। এর মধ্যে রয়েছে আইডিএফের অভিযানে প্রায় মাটির সঙ্গে মিশে যাওয়া বেইত লাহিয়া ও বেইত হানুন শহর।

ছবিতে ধ্বংস হওয়া বহু ভবন ও সড়কের পাশাপাশি জনজীবনের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির চিত্রও দেখা যায়।

এ ছাড়া বাফার জোনের ভেতরে সামরিক যানসহ আইডিএফের অন্তত ১১টি ঘাঁটির ছবিও দেখা গেছে। একই ধরনের গোপন সেনাঘাঁটির চিত্র পাওয়া গেছে গাজা সিটির যাইতুন ও জাবালিয়া এলাকার স্যাটেলাইট ছবিতেও।

২০২৩ সালে গাজায় শুরু হওয়া ইসরায়েলি আগ্রাসনে এখন পর্যন্ত ইসরায়েলি সেনাদের হাতে প্রাণ গেছে ৭৩ হাজারেরও বেশি ফিলিস্তিনির। গুরুতর আহত হয়েছেন ১ লাখ ৭৫ হাজারেরও বেশি মানুষ। এরই মধ্যে বিভিন্ন স্বাধীন মূল্যায়নে উঠে এসেছে,  গাজার ৮০ শতাংশেরও বেশি ভবন ক্ষতিগ্রস্ত বা পুরোপুরি ধ্বংস হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে আবাসিক ভবন, স্কুল, হাসপাতালসহ গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো।

/এনজেএস/এনএ 

Logo