ইসরায়েলিদের জন্য ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ দেশের তালিকায় বাংলাদেশ, ভ্রমণ সতর্কতা জারি
অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:৩১ পিএম
আসন্ন ধর্মীয় উৎসবকে সামনে রেখে বিশ্বজুড়ে অবস্থানরত নিজেদের নাগরিকদের জন্য বড় ধরনের নিরাপত্তা সতর্কতা জারি করেছে ইসরায়েলের জাতীয় নিরাপত্তা কাউন্সিল (এনএসসি)। এর অংশ হিসেবে বাংলাদেশসহ কয়েকটি দেশে ইসরায়েলিদের ভ্রমণ ও অবস্থান এড়িয়ে চলার পরামর্শ দেয়া হয়েছে। খরব জেরুজালেম পোস্টের।
রোববার প্রকাশিত এক সতর্কবার্তায় এনএসসি জানায়, আসন্ন ইহুদিদের কয়েকটি ধর্মীয় দিবসকে কেন্দ্র করে বিদেশ সফররত ইসরায়েলি ও ইহুদিদের ওপর সন্ত্রাসী হামলার ঝুঁকি আগের চেয়ে অনেক বেড়েছে। ইরান, লেবাননের হিজবুল্লাহ ও ফিলিস্তিনের সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাসের সঙ্গে ইসরায়েলের চলমান সংঘাতের কারণে এই ঝুঁকি আরও বাড়তে পারে। একই সঙ্গে, আফ্রিকা মহাদেশে ইয়েমেনভিত্তিক হুতিরা ইসরায়েলিদের ওপর হামলার হুমকি দিয়েছে বলেও এনএসসির দাবি।
নিরাপত্তা সংস্থাটি বলেছে, ইরানের আশপাশের দেশগুলো ইসরায়েলিদের জন্য সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ। বিশেষ করে আজারবাইজান, তুরস্ক ও সংযুক্ত আরব আমিরাতে উচ্চ ঝুঁকি রয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে। আগামী অক্টোবরে ইসরায়েল-হামাস সংঘাতের বর্ষপূতিকে কেন্দ্র করে বিশ্বজুড়ে ইসরায়েলবিরোধী সহিংস বিক্ষোভ ও হামলা বাড়তে পারে বলে ধারণা করছে তারা।
জর্ডান, কাতার, সোমালিল্যান্ড ও মিসর (সিনাই উপত্যকাসহ) ইসরায়েলিদের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ বলে সতর্ক করা হয়েছে। এসব দেশে ভ্রমণ না করা এবং অবস্থানরত ইসরায়েলিদের সেখান থেকে সরে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। দেশগুলোতে বিমান ট্রানজিটের ক্ষেত্রে বিমানবন্দর থেকে বের না হওয়ার নির্দেশনাও দেয়া হয়েছে।
এছাড়া ইরাক, কুর্দিস্তান, ইয়েমেন, ইরান, সিরিয়া, লেবানন ও সৌদি আরবে ইসরায়েলিদের ভ্রমণ আইনিভাবে নিষিদ্ধ বলেও জানিয়েছে সংস্থাটি। দ্বৈত নাগরিকদের ক্ষেত্রেও এসব নিষেধাজ্ঞা প্রযোজ্য হবে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
অন্যদিকে বাংলাদেশ, পাকিস্তান, আফগানিস্তান, লিবিয়া, আলজেরিয়া ও সোমালিয়াকেও ইসরায়েলিদের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ দেশ হিসেবে উল্লেখ করে এসব দেশে ভ্রমণ না করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
বাংলাদেশের সঙ্গে ইসরায়েলের কোনো কূটনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক নেই। বাংলাদেশে নিয়মিত যাতায়াতও নেই ইসরায়েলিদের। তারপরও এনএসসির বৈশ্বিক ঝুঁকি মূল্যায়নের তালিকায় বাংলাদেশের নাম উঠে এসেছে।
/এএম