×
Logo

আন্তর্জাতিক

আল জাজিরার প্রতিবেদন

ইসরায়েলি বন্ড বিক্রি ঠেকাতে ইইউ দেশগুলোর প্রতি আহ্বান অ্যামনেস্টির

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ২২ জুলাই ২০২৬, ১২:৩২ পিএম

ইসরায়েলি বন্ড বিক্রি ঠেকাতে ইইউ দেশগুলোর প্রতি আহ্বান অ্যামনেস্টির

ইসরায়েলের সরকারি বন্ড বিক্রি ও ইউরোপীয় বাজার থেকে অর্থ সংগ্রহের পথ বন্ধ করতে লুক্সেমবার্গ, আয়ারল্যান্ডসহ ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) সদস্য রাষ্ট্রগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়েছে মানবাধিকার সংস্থা অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল। সংস্থাটির দাবি, এ উদ্যোগ অব্যাহত থাকলে গাজায় চলমান 'গণহত্যায়' পরোক্ষভাবে সহযোগিতার ঝুঁকি তৈরি হবে।

অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের ইউরোপবিষয়ক আঞ্চলিক পরিচালক স্টিভ ককবার্ন বলেন, 'গণহত্যা, বর্ণবাদী বৈষম্যমূলক ব্যবস্থা (অ্যাপারথাইড) এবং অবৈধ দখলদারিত্বের অর্থায়নে বিদেশি বিনিয়োগের ওপর ইসরায়েলের নির্ভরশীলতা ক্রমেই বাড়ছে। একই সঙ্গে ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে সংঘটিত অপরাধ চালিয়ে নিতেও এসব অর্থ ব্যবহার করা হচ্ছে।'

তিনি আরও বলেন, 'ইসরায়েলি বন্ড সরকারের জন্য অতিরিক্ত অর্থের জোগান নিশ্চিত করে। ফলে অধিকৃত গাজা উপত্যকায় ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে চালানো গণহত্যার অর্থায়নেও তা ভূমিকা রাখছে।'

অ্যামনেস্টির তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালের অক্টোবরের পর থেকে সামরিক ব্যয় মেটাতে ইসরায়েল উল্লেখযোগ্য পরিমাণে সরকারি বন্ড ইস্যু বাড়িয়েছে। বর্তমানে এসব বন্ডের নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষ হিসেবে কাজ করছে লুক্সেমবার্গ। এর আগে এই কর্মসূচির নিয়ন্ত্রক ছিল আয়ারল্যান্ড।

আগামী ৩১ আগস্ট, লুক্সেমবার্গে এ বন্ড কর্মসূচির বিদ্যমান প্রসপেক্টাসের মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা। এ প্রেক্ষাপটে অ্যামনেস্টি লুক্সেমবার্গ সরকারের প্রতি এর নবায়ন প্রত্যাখ্যানের আহ্বান জানিয়েছে। পাশাপাশি, আয়ারল্যান্ডসহ সব ইইউ সদস্য রাষ্ট্রকে ভবিষ্যতে এসব বন্ডের আয়োজক বা অনুমোদনকারী না হওয়ারও আহ্বান জানিয়েছে সংস্থাটি।

স্টিভ ককবার্ন বলেন, 'ইউরোপীয় ইউনিয়নের বাজারে এসব বন্ড বিক্রির অনুমতি দেওয়ার সঙ্গে বড় ধরনের নৈতিক ও আইনি দায় জড়িত। আন্তর্জাতিক আইন স্পষ্টভাবে বলছে, কোনো রাষ্ট্রই গণহত্যায় সহায়তা বা সহযোগিতা করতে পারে না। একই সঙ্গে গণহত্যা প্রতিরোধে পদক্ষেপ নেওয়াও সব রাষ্ট্রের বাধ্যবাধকতা।'

উল্লেখ্য, গাজায় ইসরায়েলের সামরিক অভিযানে আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘনের অভিযোগ নিয়ে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থা ও মানবাধিকার সংগঠন ধারাবাহিকভাবে উদ্বেগ জানিয়ে আসছে। তবে ইসরায়েল বরাবরই এসব অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে আসছে।

/এআই 

Logo