খালিজ টাইমসের প্রতিবেদন
সংযুক্ত আরব আমিরাতে সেরা শিক্ষার্থীদের এক লাখ দিরহাম করে উপহার দিলেন শেখ মোহাম্মদ
অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: ১৪ জুলাই ২০২৬, ১২:০৯ পিএম
সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) মাধ্যমিক পর্যায়ের ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের পরীক্ষায় সর্বোচ্চ ফল করা শিক্ষার্থীদের প্রত্যেককে ১ লাখ দিরহাম করে নগদ অর্থ উপহার দিয়েছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী এবং দুবাইয়ের শাসক শেখ মোহাম্মদ বিন রাশিদ আল মাকতুম। শিক্ষার্থীদের অসাধারণ সাফল্যের স্বীকৃতি দিতেই এ বিশেষ সম্মাননা দেয়া হয়েছে।
শনিবার (১১ জুলাই) আকস্মিকভাবে এ নগদ পুরস্কার ঘোষণা করা হয়। সরকারি, বেসরকারি এবং অ্যাপ্লাইড টেকনোলজি: এই তিন ধারার শিক্ষাব্যবস্থায় সর্বোচ্চ নম্বর পাওয়া শিক্ষার্থীরা এই সম্মাননা পেয়েছেন।
বেসরকারি শিক্ষা ধারায় অ্যাডভান্সড ট্র্যাকে শারজাহর আল নূর ইন্টারন্যাশনাল প্রাইভেট স্কুলের আলি আসিম হাসান এবং জেনারেল ট্র্যাকে আবুধাবির আল ফালাহ একাডেমির আবদুল্লাহ ইয়াসের আবু আরাবি জাতীয়ভাবে সেরা হয়েছেন।
এছাড়া অ্যাপ্লাইড টেকনোলজি শিক্ষায় বিজ্ঞান ট্র্যাকে ফুজাইরাহর রাশিদ আহমেদ রাশিদ আল ধানহানি, অ্যাডভান্সড ট্র্যাকে আজমানের শাইখা আবদুল আজিজ আবদুল রহমান মোহাম্মদ আল হোসানি এবং জেনারেল ট্র্যাকে উম্ম আল কুওয়াইনের মারিয়াম সাঈদ হামাদ আল হাদফি আল কেতবি সর্বোচ্চ ফল অর্জন করেন।
এর আগে, ১১ জুলাই, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক বার্তায় দেশসেরা শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন জানিয়েছিলেন শেখ মোহাম্মদ। তিনি বলেন, 'আমরা আমাদের কৃতী ছেলে-মেয়েদের নিয়ে গর্বিত। তারাই ভবিষ্যতের আমিরাত গড়ে তুলবে। শিক্ষা আমাদের সবচেয়ে বড় জাতীয় প্রকল্প, আর আমাদের সন্তানরাই বর্তমান ও ভবিষ্যতের সবচেয়ে বড় শক্তি।'
তিনি আরও বলেন, বিশ্বমানের শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তুলে তরুণদের জ্ঞান, দক্ষতা ও মূল্যবোধে সমৃদ্ধ করে ভবিষ্যতের নেতৃত্বে প্রস্তুত করাই ইউএইর অন্যতম প্রধান লক্ষ্য।
শেখ মোহাম্মদের এই উদ্যোগে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন শিক্ষার্থী ও তাদের পরিবার। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেকেই এটিকে শিক্ষার্থীদের জন্য অনুপ্রেরণামূলক পদক্ষেপ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। বিশেষ করে এক অভিভাবক লিখেছেন, দেশের নেতৃত্ব যেভাবে মেধাকে মূল্যায়ন করছে, তা ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে আরও ভালো ফল করতে উৎসাহিত করবে।
অন্যদিকে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেক ব্যবহারকারী মন্তব্য করেছেন, এবারের শিক্ষার্থীরা মহামারি, অনলাইন ও অফলাইন শিক্ষাব্যবস্থার পরিবর্তন এবং বৈশ্বিক অস্থিরতার মতো নানা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করেও যে সাফল্য দেখিয়েছে, তা সত্যিই প্রশংসার দাবিদার। তাদের মতে, এই অর্জন শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও পরিবারের দীর্ঘদিনের সম্মিলিত প্রচেষ্টার ফল।
/এআই