×
Logo

আন্তর্জাতিক

মাশহাদে সমাহিত আলী খামেনি; ইরানের ইতিহাসের অনন্য এক অধ্যায়ের সমাপ্তি

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ১০ জুলাই ২০২৬, ০৬:৩৬ এএম

মাশহাদে সমাহিত আলী খামেনি; ইরানের ইতিহাসের অনন্য এক অধ্যায়ের সমাপ্তি

শেষ হলো ইরানের দীর্ঘ রাজনৈতিক ও ধর্মীয় ইতিহাসের এক অধ্যায়। নিজ শহর মাশহাদের মাটিতে দাফন করা হলো যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের হামলায় নিহত ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিকে। খবর রয়টার্সের। 

ইমাম রেজার মাজারে খামেনিকে সমাহিত করা হয়। একই সঙ্গে দাফন করা হয় পরিবারের বাকি ৪ সদস্যকেও। এর আগে, টানা ছয়দিন চার শহরে প্রিয় নেতার জানাজা পড়েন, লাখ লাখ মানুষ। 

বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) মাশহাদের রাস্তায় হাজারো মানুষের উপস্থিতিতে খামেনির মরদেহ ইমাম রেজার মাজারে নেওয়া হয়। শোকযাত্রায় অংশ নেওয়া অনেককে ইরানের পতাকা, খামেনির ছবি ও বিপ্লবী স্লোগানসংবলিত প্ল্যাকার্ড হাতে দেখা যায়।

দীর্ঘ কয়েক দশক ধরে ইরানের রাজনীতি, পররাষ্ট্রনীতি এবং ধর্মীয় নেতৃত্বের কেন্দ্রে ছিলেন আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি। সমর্থকদের কাছে তিনি ছিলেন দৃঢ়তার প্রতীক, আবার সমালোচকদের কাছে বিতর্কিত এক শাসক।

যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের যৌথ হামলায় নিহত হওয়ার চার মাস পর, গত ২ জুলাই প্রথমবার জনসম্মুখে উন্মোচন করা হয় খামেনির মরদেহবাহী কফিন। শুক্রবার শ্রদ্ধা জানান বিদেশি প্রতিনিধিরা। এরপর, মরদেহ রাখা হয় তেহরানের গ্র্যান্ড মোসাল্লা মসজিদে। ৬ জুলাই মসজিদ প্রাঙ্গন থেকে আজাদি স্কয়ার পর্যন্ত শোক মিছিল হয়। এরপর ৭ জুলাই শিয়াদের কাছে অন্যতম পবিত্র শহর কোমে নেওয়া হয় তার মরদেহ।

এদিকে, বাবার মৃত্যুর এক সপ্তাহ পর মার্চের শুরুতে ধর্মীয় পরিষদের সিদ্ধান্তে মোজতবা খামেনিকে নতুন সর্বোচ্চ নেতা ঘোষণা করা হলেও যুদ্ধ শুরুর পর থেকে তিনি জনসমক্ষে আসেননি। লিখিত বিবৃতি দিলেও এখন পর্যন্ত তার কোনো ছবি, ভিডিও বা বক্তব্য প্রকাশ করা হয়নি। তেহরানের জ্যেষ্ঠ সূত্রগুলোর দাবি, হামলায় গুরুতর আহত হওয়ায় তিনি এখন সুস্থ হয়ে উঠছেন। একই সঙ্গে সম্ভাব্য নতুন মার্কিন হামলার আশঙ্কায় নিরাপত্তার স্বার্থেও তাকে জনসমক্ষে আনা হচ্ছে না।

/এএন

Logo