×
Logo

আন্তর্জাতিক

সিএনএনের প্রতিবেদন

একদিকে যুক্তরাষ্ট্রে স্বাধীনতা দিবসের উৎসবের প্রস্তুতি, অন্যদিকে ইরানে চলছে শোকের মাতম

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ০৩ জুলাই ২০২৬, ০৮:১৩ পিএম

একদিকে যুক্তরাষ্ট্রে স্বাধীনতা দিবসের উৎসবের প্রস্তুতি, অন্যদিকে ইরানে চলছে শোকের মাতম

এমন এক সময়ে খামেনির শেষ বিদায়ের আয়োজন করছে তেহরান, যখন যুক্তরাষ্ট্রে ২৫০তম স্বাধীনতা দিবস উদযাপনের প্রস্তুতি চলছে।

যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের সঙ্গে যুদ্ধের শুরুতেই নিহত হওয়া ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির মৃত্যুর চার মাস পর শুরু হয়েছে তার সপ্তাহব্যাপী শেষ বিদায়ের অনুষ্ঠান। 

ব্যয়বহুল যুদ্ধ এবং দীর্ঘদিনের অর্থনৈতিক সংকটের মধ্যেও খামেনিকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় বিদায় জানাতে কোনো কার্পণ্য করছে না তেহরান।

ইরানি কর্তৃপক্ষের দাবি, ইসলামি প্রজাতন্ত্রের ইতিহাসে এটিই সবচেয়ে বড় লজিস্টিক আয়োজনগুলোর একটি। খামেনির শেষ বিদায় সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে দেশটির সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী, বিশ্ববিদ্যালয়, শ্রমিক সংগঠন, দমকল বাহিনী, সেনাবাহিনী, ত্রাণকর্মী এবং বিভিন্ন ধর্মীয় শোকগোষ্ঠীকে সমন্বিতভাবে কাজ করার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, খামেনিকে শেষ বিদায় জানাতে ইরান ও ইরাকের বিভিন্ন শহর এবং পবিত্র ধর্মীয় স্থানে লাখো মানুষ সমবেত হবেন। প্রতিবেশী ইরাকের কর্তৃপক্ষও জানিয়েছে, দেশটিতে বিপুলসংখ্যক শোকাহত মানুষের উপস্থিতি প্রত্যাশা করা হচ্ছে। শিয়া মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ এই দেশেও খামেনির প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে ব্যাপক আয়োজন করা হয়েছে।

গত ১০ দিনেরও বেশি সময় ধরে ইরানের সংবাদমাধ্যমগুলোতে খামেনির শেষ বিদায়কে কেন্দ্র করে বিশেষ আয়োজন চলছে। তার জীবন ও রাজনৈতিক নেতৃত্ব নিয়ে নির্মিত প্রামাণ্যচিত্র, শ্রদ্ধার্ঘ্য সংগীত এবং বিশেষ অনুষ্ঠান সম্প্রচার করা হচ্ছে। এর ফলে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনাসংক্রান্ত যেসব খবর এতদিন শিরোনামে ছিল, সেগুলো অনেকটাই আড়ালে চলে গেছে।

বিশ্লেষকদের মতে, এই বিশাল আয়োজনের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে একটি রাজনৈতিক বার্তাও দিতে চায় তেহরান। তাদের লক্ষ্য দেখানো যে, শক্তিশালী দুই সামরিক শক্তির সঙ্গে যুদ্ধের পরও ইসলামি প্রজাতন্ত্র টিকে রয়েছে এবং নিহত নেতা আলি খামেনিকে রাষ্ট্রের দৃঢ়তা ও প্রতিরোধের প্রতীক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে বদ্ধপরিকর।

/এআই 

Logo