×
Logo

আন্তর্জাতিক

ছবিতে ভেনেজুয়েলায় ভূমিকম্পের বীভৎসতা

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ২৫ জুন ২০২৬, ০৫:৫৮ পিএম

ছবিতে ভেনেজুয়েলায় ভূমিকম্পের বীভৎসতা

কারাকাসে ধসে পড়া একটি ভবনের ধ্বংসস্তূপের মধ্যে তল্লাশি চালাচ্ছেন উদ্ধারকর্মীরা। ছবি: রয়টার্স

পরপর ৭.২ ও ৭.৫ মাত্রার দুটি শক্তিশালী ভূমিকম্পে কেঁপে উঠেছে ভেনেজুয়েলা। রাজধানী কারাকাসে বহু ভবন ধসে পড়েছে। কাতারভিত্তিক গণমাধ্যম আল জাজিরার সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, প্রাণ হারিয়েছেন অন্তত ১৬৪ জন এবং আহত হয়েছেন ৯৭১ জন। এদিকে, ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় উদ্ধার তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে। ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে পড়াদের সন্ধানে কাজ করছেন উদ্ধারকর্মীরা। পরিস্থিতি মোকাবিলায় জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছে দেশটির ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট ডেলসি রদ্রিগেজ।  

ভূমিকম্পের পর আতঙ্কে ঘর ছেড়ে রাস্তায় নেমে আসে মানুষ। ছবি: বিবিসি 

ভূমিকম্পের পর বহু ভবন ধসে পড়েছে, জ্বালানি সরবরাহ ব্যাহত হয়েছে এবং ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে পড়া মানুষরা সাহায্যের জন্য আহ্বান জানাচ্ছে। এরই মাঝে দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বাসিন্দাদের ঘরবাড়ি ত্যাগ করার আহ্বান জানিয়েছেন। 

ধ্বংসস্তূপের মধ্যে উদ্ধারকর্মীদের তল্লাশি। ছবি: বিবিসি

সবশেষ খবর, ৫০০'রও বেশি জরুরি কর্মী ভূমিকম্পে বিভিন্ন ভবনে আটকে পড়াদের উদ্ধারের চেষ্টা করছেন। 

শক্তিশালী ভূমিকম্পের পর লা গুয়েরায় দ্রুত একটি ফিল্ড হাসপাতাল স্থাপন করা হয়। ছবি: রয়টার্স  

ভেনেজুয়েলা ভূমিকম্পপ্রবণ হলেও সেখানে বড় ভূমিকম্প তুলনামূলকভাবে কম ঘটে। দেশটি দক্ষিণ আমেরিকা ও ক্যারিবীয় টেকটোনিক প্লেটের কাছাকাছি অবস্থানে রয়েছে। মেক্সিকো, চিলি এবং যুক্তরাষ্ট্রের পশ্চিম উপকূলসহ কিছু দেশ ‘রিং অব ফায়ার’ অঞ্চলে অবস্থিত। এই অঞ্চল থেকেই বিশ্বের প্রায় ৯০ শতাংশ ভূমিকম্প ঘটে। 

কারাকাস ও লা গুয়েরায় আহতদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। ছবি: বিবিসি 

এখন পর্যন্ত অন্তত ৯৭১ জনের আহত হওয়ার তথ্য নিশ্চিত করেছে আল-জাজিরা। তবে ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট জানিয়েছেন, সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত লা গুয়েরা রাজ্যের আহতদের সংখ্যা এই প্রাথমিক হিসাবের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত নয়। 

প্রাণঘাতী ভূমিকম্পের পর ভেনেজুয়েলাকে সাহায্যের প্রস্তাব চীনের। ছবি: আনাদোলু এজেন্সি

ভেনেজুয়েলাকে সহায়তা দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে চীন। চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, ভেনেজুয়েলার প্রয়োজন অনুযায়ী যেকোনো ধরনের সহায়তা দিতে প্রস্তুত বেইজিং। 

রাস্তায় জড়ো হয়েছেন বেঁচে যাওয়া মানুষরা। ছবি: এএফপি 

ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্ত বাড়ির বাইরে রাত কাটাচ্ছে পরিবারগুলো। ছবি: এপি 
বিদ্যুৎ ও মোবাইল নেটওয়ার্ক বিচ্ছিন্ন থাকায় অনেকেই প্রতিবেশী ও পোষা প্রাণীদের সঙ্গে একত্র হয়ে খোলা আকাশের নিচে অবস্থান করছেন। 
আফটারশকের কারণে দুর্বল হয়ে পড়া ভবনগুলো ধসে পড়ার শঙ্কায়। ছবি: এএফপি
ভূমিকম্প থেকে বেঁচে যাওয়া মানুষেরা। ছবি: এপি 
ভূমিকম্প থেকে বেঁচে যাওয়া মানুষেরা তাদের ভয়াবহ অভিজ্ঞতার কথা বলেছেন। তাদের মতে, ঘরের মেঝে ঢেউয়ের মতো নড়ছিল। দ্বিতীয় ও বেশি শক্তিশালী কম্পনটি যেন পায়ের নিচ দিয়ে দ্রুত চলা একটি ট্রেনের মতো অনুভূত হয়েছিল। 
হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়ার আশঙ্কা। ছবি: এএফপি 
দুর্গম উপকূলীয় এলাকায় পৌঁছালে হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়ার আশঙ্কা করছেন উদ্ধারকর্মীরা। 
/এএন

Logo