×
Logo

আন্তর্জাতিক

শেয়ারবাজারে আসার আগেই বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে ৭৫ বিলিয়ন ডলার তহবিল সংগ্রহ স্পেসএক্সের

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ১২ জুন ২০২৬, ০৬:১০ পিএম

শেয়ারবাজারে আসার আগেই বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে ৭৫ বিলিয়ন ডলার তহবিল সংগ্রহ স্পেসএক্সের

বিশ্বের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় স্টক মার্কেট তালিকাভুক্তির দিকে এগোচ্ছে ইলন মাস্কের স্পেসএক্স। শেয়ারবাজারে আসার আগেই প্রতিষ্ঠানটি বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে প্রায় ৭৫ বিলিয়ন ডলার সংগ্রহ করেছে বলে জানিয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনে দেওয়া এক নথিতে বলা হয়, স্পেসএক্স শেয়ারপ্রতি ১৩৫ ডলার দরে এই শেয়ার বিক্রি করেছে। এতে কোম্পানিটির সম্ভাব্য বাজারমূল্য দাঁড়াচ্ছে প্রায় ১.৮ ট্রিলিয়ন ডলার।

এই মূল্যায়ন বাস্তবায়িত হলে ইলন মাস্ক, যিনি বর্তমানে বিশ্বের শীর্ষ ধনী, প্রথম ট্রিলিয়নিয়ার হওয়ার পথে এগিয়ে যাবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। প্রাথমিকভাবে কোম্পানির মোট শেয়ারের মাত্র ৫ শতাংশ বাজারে ছাড়া হচ্ছে।

শেয়ারবাজারে লেনদেন শুরু হলে এর দাম চাহিদা ও বিনিয়োগকারীদের আগ্রহের ওপর নির্ভর করে ওঠানামা করবে। বিশ্লেষকদের মতে, শেয়ারপ্রতি ১৩৫ ডলার বা তার বেশি দামে লেনদেন শুরু হলে স্পেসএক্স মুহূর্তেই বিশ্বের অন্যতম মূল্যবান পাবলিক কোম্পানিতে পরিণত হবে।

তবে বিশ্লেষকদের মধ্যে এ নিয়ে মতভেদও রয়েছে। অনেকে মনে করছেন, স্পেসএক্সের ভবিষ্যৎ প্রবৃদ্ধি নিয়ে বাজারে অতিরিক্ত প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক ব্রোকারেজ প্রতিষ্ঠান ওপেনহাইমারসহ কয়েকটি আর্থিক বিশ্লেষক সংস্থা শেয়ারটির সম্ভাব্য লক্ষ্য মূল্য ১৯০ ডলার পর্যন্ত যেতে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে।

এদিকে স্পেসএক্সের শীর্ষ নির্বাহীরা বলছেন, কোম্পানিটি দীর্ঘমেয়াদি প্রযুক্তি উন্নয়ন ও মহাকাশ গবেষণায় কাজ করছে। তারা ত্রৈমাসিক মুনাফার চাপের বদলে ভবিষ্যৎ উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে চান।

স্পেসএক্সের একাংশ মালিকানা ইলন মাস্কের হাতে থাকায় কোম্পানির নিয়ন্ত্রণও মূলত তার হাতেই থাকবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ফলে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত হলেও সিদ্ধান্ত গ্রহণে তার প্রভাব প্রায় পূর্ণমাত্রায় বজায় থাকবে।

বিশ্লেষকদের মতে, এই কাঠামো বিনিয়োগকারীদের জন্য কিছু ঝুঁকিও তৈরি করতে পারে। বিশেষ করে কোম্পানির সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে পারে।

সব মিলিয়ে স্পেসএক্সের এই বাজারে প্রবেশকে প্রযুক্তি খাতে এক ঐতিহাসিক ঘটনা হিসেবে দেখা হচ্ছে। এখন নজর থাকবে শেয়ার লেনদেন শুরুর পর বাজারের প্রতিক্রিয়ার দিকে।

/এআই 

Logo