×
Logo

আন্তর্জাতিক

জুন-জুলাইজুড়ে ১০৫ ডলার পর্যন্ত বাড়তে পারে ক্রুড তেলের দাম: মার্কিন জ্বালানি দফতর

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ১০ জুন ২০২৬, ০৮:৪৫ পিএম

জুন-জুলাইজুড়ে ১০৫ ডলার পর্যন্ত বাড়তে পারে ক্রুড তেলের দাম: মার্কিন জ্বালানি দফতর

ফাইল ছবি

হরমুজ প্রণালি কার্যত অচল থাকায় আগামী জুলাই পর্যন্ত বিশ্ববাজারে তেলের দাম উচ্চ পর্যায়ে থাকতে পারে বলে জানিয়েছে মার্কিন জ্বালানি দফতর  পূর্বাভাস সংস্থা এনার্জি ইনফরমেশন অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (ইআইএ)। 

বুধবার (১০ জুন) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম সিএনএন।

এনার্জি ইনফরমেশন অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের নতুন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জুন ও জুলাই মাসে ব্রেন্ট ক্রুড তেলের গড় দাম ব্যারেলপ্রতি প্রায় ১০৫ ডলার পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে। বর্তমানে এই দাম প্রায় ৯১ ডলারের কাছাকাছি যা যুদ্ধ-পূর্ব সময়ের প্রায় ৭০ ডলারের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি।

প্রতিবেদনটিতে আরও জানানো হয়, তাদের পূর্বাভাস এমন ধারণার ওপর ভিত্তি করে করা হয়েছে যে আগামী কয়েক সপ্তাহে তেল পরিবহন সীমিত থাকবে এবং বৈশ্বিক উৎপাদন ও মজুত কমে যাবে। এই পরিস্থিতি বাজারে চাপ আরও বাড়াতে পারে।

এদিকে, মার্কিন বিনিয়োগ প্রতিষ্ঠান জেপি মরগানও প্রায় একই ধরনের পূর্বাভাস দিয়েছে। তাদের মতে, হরমুজ প্রণালি এই মাসেই খুলে গেলেও জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ব্রেন্ট তেলের গড় দাম ব্যারেলপ্রতি প্রায় ১০৪ ডলারের কাছাকাছি থাকতে পারে।

গ্যাসোলিনের দামের বিষয়ে ইআইএ জানায়, গ্যাসোলিনের দামও সামান্য বাড়তে পারে। সংস্থাটির পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২০২৬ সালে গড় দাম হতে পারে ৩.৯০ ডলার এবং ২০২৭ সালে ৩.৬৪ ডলার। এর আগের পূর্বাভাসে এই সংখ্যা ছিল যথাক্রমে ৩.৮৮ এবং ৩.৬২ ডলার।

এই পূর্বাভাস মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বক্তব্যের বিপরীত যেখানে তিনি দাবি করেছেন যে ইরানের সঙ্গে চুক্তি হলে তেলের দাম দ্রুত কমে যাবে।

তবে এনার্জি ইনফরমেশন অ্যাডমিনিস্ট্রেশন বলেছে, জ্বালানির দাম আরও বেশি হতে পারত কিন্তু বৈশ্বিক চাহিদা কিছুটা কমে যাওয়ায় দাম নিয়ন্ত্রণে আছে। উচ্চ মূল্য, জ্বালানি সংকট এবং বিভিন্ন অঞ্চলে সাশ্রয়ী ব্যবহার বাড়ায় চাহিদা হ্রাস পেয়েছে।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের দৈনিক তেল উৎপাদন সামান্য বাড়তে পারে। বর্তমানে উৎপাদন ১৩.৬ মিলিয়ন ব্যারেল হলেও তা বেড়ে ১৩.৭ মিলিয়ন ব্যারেল হতে পারে।

/এওয়াইএ /এএ 

Logo