×
Logo

আন্তর্জাতিক

লেবাননে যুদ্ধবিরতি নিয়ে বৈঠকে বসছে ইসরায়েলের নিরাপত্তা মন্ত্রিসভা

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ১২:১৮ এএম

লেবাননে যুদ্ধবিরতি নিয়ে বৈঠকে বসছে ইসরায়েলের নিরাপত্তা মন্ত্রিসভা

ফাইল ছবি

লেবাননে সম্ভাব্য যুদ্ধবিরতি নিয়ে আলোচনা করতে বৈঠকে বসছে ইসরায়েলের নিরাপত্তা মন্ত্রিসভা। ছয় সপ্তাহের বেশি সময় ধরে চলা হিজবুল্লাহর সঙ্গে সংঘাতের প্রেক্ষাপটে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হচ্ছে, যা ইরানকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল উত্তেজনার জেরে আরও তীব্র হয়ে ওঠে। খবর রয়টার্সের। 

বুধবার (১৫ এপ্রিল) ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর নেতৃত্বে স্থানীয় সময় রাত ৮টায় মন্ত্রিসভার এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। এদিকে, হিজবুল্লাহর জ্যেষ্ঠ নেতা ইব্রাহিম আল-মুসাভি জানিয়েছেন, ইরানসহ আঞ্চলিক দেশগুলোর কূটনৈতিক প্রচেষ্টায় শিগগিরই যুদ্ধবিরতি সম্ভব হতে পারে।

লেবাননের আরও দুই জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জানান, যুদ্ধবিরতির লক্ষ্যে প্রচেষ্টা চলছে এবং যুক্তরাষ্ট্র ইসরায়েলের ওপর এ বিষয়ে চাপ দিচ্ছে। মঙ্গলবার ওয়াশিংটনে ইসরায়েল ও লেবাননের প্রতিনিধিদের মধ্যে বিরল বৈঠকও হয়েছে, যদিও সেখানে সরাসরি যুদ্ধবিরতি নিয়ে আলোচনা হয়নি।

সংঘাতের সূত্রপাত ঘটে ২ মার্চ, যখন ইরান-সমর্থিত হিজবুল্লাহ ইসরায়েলের ওপর হামলা চালায়। এর জবাবে ইসরায়েল দক্ষিণ লেবাননে ব্যাপক সামরিক অভিযান শুরু করে। ইসরায়েলি বাহিনী ইতোমধ্যে ওই অঞ্চলে স্থল অভিযান চালাচ্ছে এবং লিতানি নদী পর্যন্ত এলাকাকে হিজবুল্লাহর জন্য 'নিষিদ্ধ অঞ্চল' করার পরিকল্পনা ঘোষণা করেছে। 

 লেবাননে ইসরায়েলি হামলার পর ভবনগুলোর পেছন থেকে ধোঁয়া উঠছে, ইসরায়েল থেকে তোলা ছবি, ১৫ এপ্রিল, ২০২৬। রয়টার্স

এই সংঘাতে এখন পর্যন্ত লেবাননে ২,০০০-এর বেশি মানুষ নিহত হয়েছে এবং প্রায় ১২ লাখ মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে বলে দেশটির কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। অন্যদিকে, হিজবুল্লাহর হামলায় ইসরায়েলেও হতাহতের ঘটনা ঘটেছে।

এদিকে, যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা অনেকটাই যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার সমঝোতার ওপর নির্ভর করছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ইরান বলেছে, মধ্যপ্রাচ্যের বৃহত্তর কোনো শান্তি চুক্তিতে লেবাননকে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে, যদিও যুক্তরাষ্ট্র এই দুটি বিষয়কে আলাদা হিসেবে দেখছে।

সামগ্রিকভাবে, লেবানন পরিস্থিতি এখন আঞ্চলিক শক্তিগুলোর কূটনৈতিক তৎপরতার কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। যুদ্ধবিরতির আশা তৈরি হলেও বাস্তবায়ন এখনো অনিশ্চিত রয়ে গেছে।

/এনএ 

Logo