×
Logo

Live Icon সরাসরি

আজ রাতেই পুরো ইরান সভ্যতা ধ্বংস হয়ে যাবে: ট্রাম্প

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ০৭ এপ্রিল ২০২৬, ০৭:৫৬ পিএম

আজ রাতেই পুরো ইরান সভ্যতা ধ্বংস হয়ে যাবে: ট্রাম্প

চরমে পৌঁছেছে মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ইরান চুক্তিতে না এলে একটি পুরো সভ্যতা ধ্বংস হয়ে যেতে পারে। খবর রয়টার্সের। 

মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) ট্রাম্প তার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যাল-এ দেওয়া এক বার্তায় এই মন্তব্য করেন। তিনি ইরানকে হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়ার জন্য আল্টিমেটাম দেন। তবে শেষ সময় পর্যন্ত তেহরানের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো ইতিবাচক সাড়া পাওয়া যায়নি। 

ইরানি গণমাধ্যমের বরাতে জানা গেছে, দিনভর দেশটির বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় হামলা চালানো হয়েছে। এসব হামলায় রেল ও সড়ক সেতু, একটি বিমানবন্দর, পেট্রোকেমিক্যাল প্ল্যান্ট এবং বিদ্যুৎ লাইন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

এদিকে পাল্টা প্রতিক্রিয়ায় ইরান জানিয়েছে, তারা আর সংযত থাকবে না। উপসাগরীয় অঞ্চলে অবকাঠামো লক্ষ্য করে হামলার ঘোষণা দিয়েছে দেশটি। একই সঙ্গে একটি জাহাজ ও সৌদি আরবের শিল্প স্থাপনায় নতুন করে হামলার দাবি করেছে তেহরান।

রয়টার্সকে দেওয়া এক বক্তব্যে ইরানের এক জ্যেষ্ঠ সূত্র জানায়, মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে দেওয়া অস্থায়ী যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছে তারা। ইরানের শর্ত অনুযায়ী, স্থায়ী শান্তি আলোচনা শুরু হতে হলে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে হামলা বন্ধ করতে হবে, ভবিষ্যতে হামলা না করার নিশ্চয়তা দিতে হবে এবং ক্ষতিপূরণ দিতে হবে।

এছাড়া, ভবিষ্যৎ কোনো সমঝোতায় হরমুজ প্রণালির ওপর ইরানের নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখা এবং সেখানে চলাচলকারী জাহাজ থেকে ফি আদায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে বলেও জানায় সূত্রটি।

ট্রাম্প ইরানকে ওয়াশিংটন সময় রাত ৮টা পর্যন্ত সময় বেঁধে দিয়েছেন। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অবরোধ তুলে না নিলে, ইরানের সেতু ও বিদ্যুৎকেন্দ্রসহ গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো ধ্বংস করে দেওয়ার হুঁশিয়ারি দেন তিনি।

বর্তমান পরিস্থিতিতে মধ্যপ্রাচ্যে বড় ধরনের সংঘাতের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে, যা বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ ও আঞ্চলিক স্থিতিশীলতায় গুরুতর প্রভাব ফেলতে পারে।

/এনএ 

০৮ এপ্রিল ২০২৬, ০১:৫০ এএম

ট্রাম্প হামলা করলে সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের জ্বালানি স্থাপনা টার্গেটের হুঁশিয়ারি ইরানের

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প-এর সম্ভাব্য হামলার হুমকির জবাবে সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের জ্বালানি স্থাপনাগুলোকে টার্গেট করার হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরানের একটি সামরিক সূত্র।

মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) ইরানের তাসনিম নিউজ এজেন্সিকে দেওয়া এক প্রতিক্রিয়ায় সূত্রটি জানায়, ট্রাম্প যদি বিদ্যুৎকেন্দ্রসহ বিভিন্ন অবকাঠামোতে হামলা চালায়, তবে ইরানও পাল্টা পদক্ষেপ নিতে প্রস্তুত রয়েছে।

হুঁশিয়ারিতে বলা হয়, সৌদি আরবের রাষ্ট্রায়ত্ত তেল কোম্পানি সৌদি আরামকো-এর স্থাপনা, ইয়ানবুর তেল সুবিধা এবং ফুজাইরাহ পাইপলাইনকে সম্ভাব্য লক্ষ্যবস্তু হিসেবে তালিকায় রাখা হয়েছে।

সূত্রটির দাবি, ট্রাম্পের হুমকি তার দুর্বলতা ও হতাশার প্রতিফলন; তবে যুক্তরাষ্ট্র যদি কোনো পদক্ষেপ নেয়, তাহলে তার ভারী মূল্য দিতে হবে।

এছাড়া তারা সতর্ক করে বলে, যুক্তরাষ্ট্র মনে করছে, এমন চাপ প্রয়োগের মাধ্যমে হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়া সম্ভব হবে এবং তেলের দাম কমবে। কিন্তু বাস্তবে উল্টো পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে।

সূত্রটির ভাষ্যমতে, এই ধরনের হামলা হলে তেলের দাম আগামী দিনগুলোতে ২০০ ডলার পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে।

এই হুঁশিয়ারি মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনাকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে এবং বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে নতুন করে অনিশ্চয়তা তৈরি করেছে।

০৮ এপ্রিল ২০২৬, ০১:৩৩ এএম

লেবাননে শান্তিরক্ষী নিহতের ঘটনায় ইসরায়েল-হিজবুল্লাহকে দায়ী করেছে জাতিসংঘ

দক্ষিণ লেবাননে সাম্প্রতিক সংঘাতে জাতিসংঘের শান্তিরক্ষী নিহতের ঘটনায় ইসরায়েল ও হিজবুল্লাহ, উভয় পক্ষকেই আলাদা ঘটনায় দায়ী করেছে জাতিসংঘ। খবর আল জাজিরার। 

প্রাথমিক তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়, ২৯ মার্চ ইউনাইটেড নেশন্স ইন্টেরিম ফোর্স ইন লেবানন (ইউএনআইএফআইএল)-এর এক শান্তিরক্ষী নিহত হন, যা একটি ইসরায়েলি ট্যাংক থেকে ছোড়া গোলার আঘাতে ঘটে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ঘটনাটি ঘটে 'এত-তাইবে' এলাকায়।

এরপরের দিন আরও দুই শান্তিরক্ষী নিহত হন, যা একটি বিস্ফোরক ডিভাইসের কারণে হয়েছে বলে জাতিসংঘ মনে করছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, ওই বিস্ফোরকটি হিজবুল্লাহ স্থাপন করেছিল।

নিহত তিন শান্তিরক্ষীই ইন্দোনেশিয়ার নাগরিক ছিলেন বলে নিশ্চিত করেছে জাতিসংঘ।

জাতিসংঘের এক মুখপাত্র জানান, এই মূল্যায়ন এখনো প্রাথমিক পর্যায়ের এবং ঘটনাস্থলের প্রাথমিক আলামতের ভিত্তিতে করা হয়েছে। পূর্ণাঙ্গ তদন্ত এখনও চলমান রয়েছে।

তিনি এসব ঘটনাকে অগ্রহণযোগ্য আখ্যা দিয়ে বলেন, জাতিসংঘের শান্তিরক্ষীদের ওপর হামলা আন্তর্জাতিক আইনে যুদ্ধাপরাধ হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।

লেবাননে চলমান সংঘাতের মধ্যে এই ঘটনাগুলো আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগ আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।

০৭ এপ্রিল ২০২৬, ১১:১৮ পিএম

ইরান ইস্যুতে ‘পরবর্তী পদক্ষেপ শুধু ট্রাম্পই জানেন’: হোয়াইট হাউস

ইরানকে ঘিরে চলমান উত্তেজনার মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে আবারও প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কঠোর অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) হোয়াইট হাউজ জানিয়েছে, ইরানকে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তিতে পৌঁছানোর জন্য আরও সাত ঘণ্টার সময় দেওয়া হয়েছে। খবর আল জাজিরার। 

হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লিভিট আল জাজিরাকে দেওয়া বক্তব্যে বলেন, ইরানি সরকারকে পূর্বাঞ্চলীয় সময় রাত ৮টার মধ্যে চুক্তিতে পৌঁছাতে হবে।

তিনি আরও বলেন, এই পরিস্থিতিতে প্রেসিডেন্ট কী করবেন বা কীভাবে প্রতিক্রিয়া জানাবেন— তা শুধু প্রেসিডেন্টই (ডোনাল্ড ট্রাম্প) জানেন।

এই মন্তব্যের মাধ্যমে হোয়াইট হাউস ইঙ্গিত দিয়েছে যে, সময়সীমা শেষ হলে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিক্রিয়া কী হবে তা এখনো অনিশ্চিত এবং চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ট্রাম্পের হাতেই রয়েছে।

০৭ এপ্রিল ২০২৬, ১০:৫৬ পিএম

হরমুজ প্রস্তাবে রাশিয়া-চীনের ভেটো, জাতিসংঘে উত্তেজনা

জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে উপসাগরীয় অঞ্চলের হরমুজ নিরাপত্তা নিয়ে আনা একটি খসড়া প্রস্তাবে ভেটো দিয়েছে রাশিয়া ও চীন। প্রস্তাবটিতে উপসাগরীয় অঞ্চলে প্রতিরক্ষামূলক ও সমন্বিত পদক্ষেপ জোরদার করে গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথ সুরক্ষার আহ্বান জানানো হয়েছিল। যার প্রেক্ষিতে ক্ষোভ জানিয়েছে ছয় আরব দেশ। খবর বিবিসির। 

মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) অনুষ্ঠিত ভোটে ১১টি দেশ প্রস্তাবের পক্ষে অবস্থান নেয়, তবে দুই সদস্য— পাকিস্তান ও কলম্বিয়া ভোটদানে বিরত থাকে। রাশিয়া ও চীনের ভেটোর কারণে প্রস্তাবটি পাস হয়নি।

দীর্ঘ আলোচনার পর খসড়াটি শুরুতে সামরিক পদক্ষেপের অনুমতি থেকে পরিবর্তন করে শুধু প্রতিরক্ষামূলক ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানানো হয়েছিল।

বাহরাইনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্দুল লতিফ বিন রশিদ আল জায়ানি বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন। তিনি ভোটের আগে বলেন, প্রস্তাবটি নতুন কোনো বাস্তবতা তৈরি করছে না, বরং ইরানের কথিত আক্রমণাত্মক আচরণের প্রতিক্রিয়া হিসেবে এসেছে।

তিনি সতর্ক করে বলেন, গুরুত্বপূর্ণ এই জলপথকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা হলে নিরাপত্তা পরিষদের ব্যর্থতা বৈশ্বিকভাবে গুরুতর পরিণতি ডেকে আনতে পারে এবং অন্যান্য সমুদ্রপথেও একই ধরনের সংকট ছড়িয়ে পড়তে পারে।

০৭ এপ্রিল ২০২৬, ১০:২৮ পিএম

নিরাপত্তা পরিষদের ব্যর্থতায় ক্ষোভ ছয় আরব দেশের

জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে গৃহীত প্রস্তাব পাস না হওয়ায় তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে ছয়টি আরব দেশ। বাহরাইনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্দুল লতিফ বিন রশিদ আল জায়ানি নিরাপত্তা পরিষদে বাহরাইন, সংযুক্ত আরব আমিরাত, সৌদি আরব, কাতার, কুয়েত ও জর্ডানের পক্ষ থেকে যৌথ বিবৃতি পাঠ করেন। সেখানে তিনি এই ক্ষোভ জানান। 

মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে আল জাজিরা। 

আল জায়ানি বলেন, আজ উপস্থাপিত প্রস্তাবটি গ্রহণ না হওয়ায় আমরা দুঃখিত। পরিষদ একটি অবৈধ কর্মকাণ্ডের ক্ষেত্রে তার দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হয়েছে, যা দ্রুত ও দৃঢ় পদক্ষেপ দাবি করে।

তিনি অভিযোগ করেন, নিরাপত্তা পরিষদ সময়োপযোগী ব্যবস্থা নিতে পারেনি, যা আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী নৌ চলাচলের স্বাধীনতা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ছিল।

বিবৃতিতে বলা হয়, হরমুজ প্রণালিকে আন্তর্জাতিক জলপথ হিসেবে অবাধ ও নিরাপদ রাখাই তাদের প্রত্যাশা ছিল। কোনো দেশেরই এই নৌপথ অবরুদ্ধ করার অধিকার নেই— এমন অবস্থানও পুনর্ব্যক্ত করা হয়।


০৭ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:৪৯ পিএম

বাহরাইনে মার্কিন নাগরিকদের জন্য ‘শেল্টার ইন প্লেস’ নির্দেশ জারি

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যে বাহরাইনে অবস্থানরত যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের জন্য জরুরি নির্দেশ জারি করেছে ওয়াশিংটন। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট জানিয়েছে, বাহরাইনে থাকা সব মার্কিন নাগরিককে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত নিজ নিজ অবস্থানে নিরাপদে থাকতে বলা হয়েছে।


০৭ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:২০ পিএম

ইরানের রেলপথ ও সেতুতে হামলার দাবি নেতানিয়াহুর

ইরানের রেলপথ ও সেতুতে হামলা চালানো হয়েছে বলে দাবি করেছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। এর আগে, ইরানের গণমাধ্যমেও সেতুতে হামলার খবর জানানো হয়।

নেতানিয়াহু দাবি করেন, এসব রেলপথ ও সেতু ইরানের রেভল্যুশনারি গার্ডের সদস্য, অস্ত্র এবং কাঁচামাল পরিবহনের কাজে ব্যবহৃত হচ্ছিলো। তবে তিনি এ দাবির পক্ষে কোনো প্রমাণ দেননি।


০৭ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:০১ পিএম

সৌদি আরবের পেট্রোকেমিক্যাল প্ল্যান্টে হামলার দাবি ইরানের

সৌদি আরবের জুবাইল এলাকায় একটি পেট্রোকেমিক্যাল প্ল্যান্টে ইরান হামলা চালিয়েছে বলে দাবি করেছে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি)। দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা আইআরএনএ-তে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে এ দাবি করা হয়।

বিবৃতিতে বলা হয়, সোমবার ইরানের পেট্রোকেমিক্যাল স্থাপনাগুলোতে হামলার জবাব হিসেবে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয়েছে।

এর আগে, বার্তা সংস্থা এএফপি জুবাইলের ওই কমপ্লেক্সে হামলার খবর জানায়। ঘটনাস্থলে থাকা একটি সূত্রের সঙ্গে সরাসরি কথা বলে এ তথ্য পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছে।

সূত্রটি জানিয়েছে, হামলার ফলে কমপ্লেক্সে আগুন লাগে এবং জোরালো বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়।

এর আগে, দিনের বিভিন্ন সময়ে ইরানের একাধিক গণমাধ্যম—ফার্স, নূর ও তাসনিম—এ ঘটনাটি নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করে এবং একটি ভিডিও শেয়ার করে, যেখানে কমপ্লেক্সে আগুন জ্বলতে দেখা যায় বলে দাবি করা হয়েছে।

তবে বিবিসি এসব তথ্য যাচাই করতে পারেনি এবং সৌদি আরবের কর্তৃপক্ষও এখনও এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেনি।


০৭ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:০০ পিএম

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংলাপ এগোতে পাকিস্তানের প্রচেষ্টা অব্যাহত

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সংলাপ শুরু করাতে পাকিস্তানের মধ্যস্থতার চেষ্টা এখনও চলছে। দেশটির দুটি সূত্র জানিয়েছে, পরিস্থিতি উত্তপ্ত থাকলেও কূটনৈতিক প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

এদিকে ইরানে হামলা জোরদার হচ্ছে এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্ধারিত সময়সীমা ঘনিয়ে আসায় আলোচনা আরও অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।

০৭ এপ্রিল ২০২৬, ০৭:৫৮ পিএম

ইসরায়েলে মিসাইল-ড্রোন হামলা ইরানের

ইরান ও হিজবুল্লাহর পক্ষ থেকে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার পর ইসরায়েলের উত্তর ও দক্ষিণাঞ্চলের বিভিন্ন এলাকায় সাইরেন বেজে উঠেছে বলে দেশটির গণমাধ্যম জানিয়েছে।

ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম আরুতজ শেভা জানিয়েছে, ইরান থেকে ছোড়া একটি ক্ষেপণাস্ত্র দক্ষিণাঞ্চলের নেগেভের দিকে আসার সময় প্রতিহত করা হয়েছে।

তাৎক্ষণিকভাবে কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

Logo