অপ্রতিরোধ্য নয় মার্কিন সমরাস্ত্র, ইরানের হাতে নতুন ডিফেন্স সিস্টেম!
অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: ০৬ এপ্রিল ২০২৬, ০৬:৪৬ এএম
চলমান যুদ্ধে ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের লাগাতার বোমাবর্ষণের কারণে প্রশ্ন ওঠে ইরানের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা নিয়ে। এই আলোচনার মধ্যেই তেহরানের ১২০টি ডিফেন্স সিস্টেম ধ্বংস করে ফেলার দাবি করে ইসরায়েল।
ইরান যে এখনও ফুরিয়ে যায়নি যুদ্ধের পঞ্চম সপ্তাহে এসে সেই প্রমাণই যেন দিলো দেশটি। এফ ফিফটিন ই যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করে বুঝিয়ে দিলো অপ্রতিরোধ্য নয় মার্কিন সমরাস্ত্র। ভূপাতিত করেছে একটি এ টেন ফাইটার জেট। এমন পরিস্থিতিতে প্রশ্ন উঠছে, কোন সমরাস্ত্রে এই সফলতা পেলো ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)?
নিজেদের তৈরি নতুন প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার ব্যবহারের দাবি করলেও যুদ্ধকালীন কৌশলের কারণে সেটির নাম প্রকাশ করেনি ইরান। আর তাই তৈরি হয়েছে ধোঁয়াশা। নতুন সিস্টেম নাকি পুরনো কোনো অস্ত্র দিয়েই ঘায়েল করা হয়েছে মার্কিন যুদ্ধবিমান তা নিয়ে চলছে জোর আলোচনা।
সামরিক বিশ্লেষকদের মত, ইরানের তৈরি সার্ফেস টু এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম খোরদাদ ফিফটিন ব্যবহারের সম্ভাবনাই সবচেয়ে বেশি। ১৫০ কিলোমিটার পাল্লার এই মোবাইল ডিফেন্স সিস্টেম মোতায়েন করা যায় মাত্র ৫ মিনিটে। এর আগেও মার্কিন আকাশযান ধ্বংস করেছে এটি
আলোচনায় রয়েছে রাশিয়ার এস থ্রি হান্ড্রেড ডিফেন্স সিস্টেমও। চুক্তির ৯ বছর পর ২০১৬ সালে মস্কোর কাছ থেকে এই প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার চারটি ব্যাটারি পায় তেহরান। যদিও, গত জুনের হামলায় অন্তত দু'টি ব্যাটারি ধ্বংসের দাবি করেছিল তেলআবিব।
বলা হয়ে থাকে, রুশ এস থ্রি হান্ড্রেডের ইরানি সংস্করণ হচ্ছে বাভার থ্রি সেভেন থ্রি সিস্টেম। এটি ব্যবহারের সম্ভাবনাও উড়িয়ে দিচ্ছেন না বিশ্লেষকরা। এছাড়াও ইরানের কাছে রয়েছে মার্কিন যুদ্ধবিমান ভূপাতিতে সক্ষম অ্যাডাপ্টেড এয়ার টু এয়ার মিসাইল। রাশিয়া আর টুয়েন্টি সেভেন ও চীনের পিএল সিরিজের এয়ার টু এয়ার ক্ষেপণাস্ত্রের মালিকও দেশটি।
মার্কিন যুদ্ধবিমানগুলো মূলত রাডার ফাঁকি দেয়ার জন্য প্রসিদ্ধ। আর তাই বলা হচ্ছে, রাডার নির্ভর নয় এমন কোনো নতুন সিস্টেম ব্যবহার করতে পারে ইরান।
মূলত এসব সিস্টেম প্যাসিভ ইনফ্রারেড সেন্সর ব্যবহার করে বিমান শনাক্ত করে তাতে হামলা চালায়। এসব ক্ষেত্রে রাডার জ্যামিং সিস্টেম কাজ করেনা। সাম্প্রতিক সময়ে এই সিস্টেম ব্যবহার করে সফলতা পেয়েছে ইয়েমেনের সশস্ত্র গোষ্ঠী হুতি।
/এমএইচআর