চট্টগ্রামের এনসিটি পরিচালনায় ডিপি ওয়ার্ল্ডের সঙ্গে চুক্তি সই
অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:৪৮ পিএম
চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) পরিচালনায় সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) ডিপি ওয়ার্ল্ডের সঙ্গে চুক্তি সই করেছে বাংলাদেশ। ১৫ বছর টার্মিনালটি পরিচালনা করবে ডিপি ওয়ার্ল্ড।
বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) দুপুর সাড়ে ৩টার দিকে এই চুক্তি সই হয়। এ সময় চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল এস এম মনিরুজ্জামান এবং ডিপি ওয়ার্ল্ডের চেয়ারম্যান ইসা কাজিম চুক্তিপত্রে সই করেন।
অনুষ্ঠানে নৌপরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম, নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী মো. রাজিব আহসান, বাংলাদেশে সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাষ্ট্রদূত আবদুল্লাহ আলী আল হামুদি এবং ইনভেস্ট বাংলাদেশের চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরীসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।
চুক্তি অনুযায়ী, ডিপি ওয়ার্ল্ড ১৫ বছর টার্মিনালটি পরিচালনা করবে। ব্যবহারকারীদের কাছ থেকে মাশুলও আদায় করবে প্রতিষ্ঠানটি। বিনিময়ে বন্দর কর্তৃপক্ষকে এককালীন অর্থ ও কনটেইনারপ্রতি মাশুল দেবে।
প্রসঙ্গত, চট্টগ্রাম বন্দরের এনসিটি ইজারার প্রক্রিয়া গতি পেয়েছিল অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে। সেই ধারাবাহিকতায় বিএনপি সরকারের আমলে সংযুক্ত আরব আমিরাতের বন্দর পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান ডিপি ওয়ার্ল্ডের সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষর হলো।
চট্টগ্রাম বন্দরকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নত করতে ডিপি ওয়ার্ল্ডের সঙ্গে চুক্তি
এদিকে, নৌপরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম বলেছেন, চট্টগ্রাম বন্দরের যে সম্ভাবনা আছে, যে আন্তর্জাতিক মানের সুযোগ-সুবিধা প্রয়োজন, সেটি পূরণের জন্যই এই চুক্তি করা হয়েছে। জাতীয় স্বার্থকে বিবেচনায় নিয়েই ডিপি ওয়ার্ল্ডের সঙ্গে চুক্তি করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, বিশ্বের শীর্ষ পাঁচটি কোম্পানির মধ্যে তিনটিকে চট্টগ্রাম বন্দর ব্যবস্থাপনায় যুক্ত করা হচ্ছে। আগামীতে ভালো অর্থনৈতিক ব্যবস্থা নিশ্চিত করার সূচনা হয়েছে। বিএনপি সরকারের প্রতি আস্থা রাখার আহ্বান জানান নৌপরিবহনমন্ত্রী।
ছয় মাসের মধ্যে ডিপি ওয়ার্ল্ড কাজ শুরু করবে উল্লেখ করে নৌপরিবহনমন্ত্রী বলেন, ডিপি ওয়ার্ল্ডের সঙ্গে এই চুক্তির মাধ্যমে বন্দর ইজারা দেওয়া হচ্ছে না। দুই বছর পর আলোচনা সাপেক্ষে দুই পক্ষ রাজি থাকলে আবারও ১৫ বছরের জন্য চুক্তির মেয়াদ বাড়ানো হতে পারে।
তিনি আরও বলেন, যারা বর্তমানে চাকরি করছেন, তাদের চাকরি হারানোর আশঙ্কা নেই। বরং, তাদের দক্ষতা বৃদ্ধি পাবে।
এছাড়াও, চুক্তি স্বাক্ষরের মাধ্যমে বাংলাদেশ ৬০০ কোটি টাকা পেয়েছে বলেও জানান নৌপরিবহনমন্ত্রী।
/এসআইএন