×
Logo

বিনোদন

সলিল চৌধুরীর সঙ্গে আশা ভোঁসলের আলাপচারিতা

আমি অনেক সময় মনের ভেতরে কাঁদতে কাঁদতে বাইরে হেসে গান গেয়েছি

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ১২ এপ্রিল ২০২৬, ০২:৪৭ পিএম

আমি অনেক সময় মনের ভেতরে কাঁদতে কাঁদতে বাইরে হেসে গান গেয়েছি

'কথায় ও সুরে' অনুষ্ঠান থেকে নেওয়া

১৯৯৩ সালের কথা। হঠাৎ একদিন মুখে মুখে রটে গেল দূরদর্শনের পর্দায় আসছে এক মহা চমক। বাংলা সঙ্গীতাকাশের তারকা সলিল চৌধুরীর উপস্থাপনায় এক আলাপচারিতায় এসেছেন আরেক নক্ষত্র আশা ভোঁসলে। 

দর্শকরাও অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করতে লাগলেন, কবে বোকাবক্সে দেখা যাবে সেই অনুষ্ঠান। শেষমেষ প্রচার হলো 'কথায় ও সুরে' নামের সেই অনুষ্ঠানটি। যেখানে নিজের বেড়ে ওঠা থেকে শুরু করে ব্যক্তি ও কর্মজীবনের নানা দিক অকপটে বলেছেন আশা। 

সেই অনুষ্ঠানটি যমুনা অনলাইনের পাঠকের জন্য সাক্ষাৎকার আকারে তুলে ধরা হলো। 

সলিল চৌধুরী: কলকাতা দূরদর্শনের দর্শক মণ্ডলী, আজ যারা এই অনুষ্ঠান দেখছেন তাদের কাছে বলি যে, আজ আমি এখানে উপস্থিত হয়েছি একটি অত্যন্ত শুভ দায়িত্ব নিয়ে। আমার সৌভাগ্য যে আমি এমন একজনের সঙ্গে অল্প সময়ের জন্য আলোচনা করার সুযোগ পেয়েছি, যিনি ভারতীয় সঙ্গীতের যারা সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বলে গণ্য হবেন, তাদের মধ্যে একজন চিরকাল মনে রাখার মতো শিল্পী। ভারতীয় সিনেমার সঙ্গীত এবং বিশেষ করে আধুনিক সঙ্গীতে তাঁর নাম উজ্জ্বল হয়ে থাকবে। তিনি হলেন শ্রীমতী আশা ভোঁসলে।

আশা ভোঁসলে: নমস্কার দাদা।

সলিল চৌধুরী: আশা, তুমি বাংলা তো বুঝতে পারো। হয়তো ভালো বলতে পারো না। তো আমাদের শ্রোতারাও হিন্দি একেবারে বোঝে না তা নয়। তারা হিন্দি ছবি দেখতে রোজই ভিড় করে। কাজেই আমরা হিন্দি-বাংলা মিশিয়ে কিছু প্রশ্ন করব।

আশা ভোঁসলে: আমার কী হবে দাদা? (হাসি...)

সলিল চৌধুরী: তুমি সুন্দর বললে তো। ওটা লোকে বুঝতে পারল। একটু একটু তুমি বাংলা বলো, বাকিটা হিন্দি বলো। 

আচ্ছা, তোমার সঙ্গীত সম্বন্ধে তো আমাদের দেশের বাচ্চারাও জানে। তুমি বহু সঙ্গীত পরিচালকের সঙ্গে কাজ করেছ, যাদের অধিকাংশ আজ এই জগত থেকে বিদায় নিয়েছেন। বড় বড় প্রোডিউসারের সঙ্গে কাজ করেছ। বড় বড় হিরোইন তোমার গান তাদের লিপে দিয়েছেন। তো সেই সমস্ত কথাগুলো আমি তোমাকে জিজ্ঞেস করব যে, তার স্মৃতি তোমার কি রকম আছে। সেটা প্রায় ৪৩-৪৫ বছর হবে, তুমি প্রথম গান গেয়েছ। এটা হল ৯৩, মানে ৫০ বছর। তার মানে তুমি ১০ বছর বয়স থেকে গান শুরু করেছ। তো এই সম্বন্ধে কিছু বলো, প্রথম গান তুমি কি গেয়েছ?

আশা ভোঁসলে: দাদা, আমার বাবা ছিলেন ড্রামা আর্টিস্ট এবং ক্লাসিক্যাল গায়ক। তো আমরা ৬-৭ বছর বয়স থেকেই গান শিখতে শুরু করেছি। আর প্রথম গান যেটা আমি গেয়েছি তা কোলাপুরে একটা মারাঠি ছবিতে। গানটা ছিল, ‘চালা চালা নববালা... গুম্ফু চালা সুমমালা...’ আমি আর লতাদি দুজনে মিলে গেয়েছিলাম। এটা ডুয়েট ছিল।


সলিল চৌধুরী: আচ্ছা, তোমার মেমোরি খুব ভালো, এখনও শব্দগুলো মনে আছে। আচ্ছা, আমাকে জিজ্ঞেস করতে হবে, তোমরা তো পরপর চার বোন জন্মেছ। আর বাবা তোমরা যখন খুব ছোট সেই বয়সেই পৃথিবী থেকে বিদায় নিয়েছেন। তোমরা দিদি হিসেবে ছোট ভাইয়ের দায়িত্ব, বিধবা মায়ের দায়িত্ব পালন করেছ। তা করেও লতার মতো এরকম বিশ্বখ্যাত শিল্পী, তোমার মতো বিশ্বখ্যাত শিল্পী, হৃদয়নাথের মতো এত সুন্দর সুরকার, এগুলো তো হয়তো বলবে ভাগ্য, কিন্তু এর জন্য তো পরিশ্রম করতে হয়, স্ট্রাগল করতে হয়। সেই স্ট্রাগলটা কিরকম তুমি ছোটবেলায় করেছ, সেটা আমরা দর্শকদের জানাতে চাই।

আশা ভোঁসলে: যখন বাবা চলে গেলেন আমরা খুব ছোট ছিলাম। লতাদি কাজ শুরু করলেন। দিদির সাথে সাথে আমরাও গান গাওয়া, ঘর সামলানো, মাকে দেখা, সব আমাদের ওপর পড়ল। কিন্তু পরিশ্রম করেছি, তাই লতা মঙ্গেশকর জন্মেছেন, আশা ভোঁসলে জন্মেছেন, হৃদয়নাথ আর উষা জন্মেছেন। বাবা যদি আমাদের সব দিয়ে যেতেন তবে হয়তো আমরা কিছুই হতে পারতাম না। বড় আর্টিস্টদের বাচ্চারা অনেক সময় কিছু হতে পারে না। কারণ তারা সব হাতের কাছে পেয়ে যায়। পরিশ্রমের দাম তারা বোঝে না। প্রথম কথা বাবা লতাদিকে একটা তানপুরা দিয়ে বলেছিলেন যে এটাই আমি তোমাকে দিয়ে যাচ্ছি। আর কিছু নেই আমার কাছে। এটা তোমরা সামলে রেখো। গান মন দিয়ে গেও। বাবা আমাদের টাকা দেননি কিন্তু গলা দিয়েছেন আর যা শিখিয়েছেন তার জোরেই আমরা এতটা পরিশ্রম করে ওপরে উঠেছি।

দুই বোন লতা মঙ্গেশকর ও আশা ভোঁসলে


সলিল চৌধুরী: উনিও তো সে সময়ের স্টেজের খুব বড় শিল্পী ছিলেন। খুব জনপ্রিয় ছিলেন। আচ্ছা, এই যত মিউজিক ডিরেক্টরের কথা বলছিলাম যেমন খেমচাঁদ প্রকাশ, রোশন লাল, মদন মোহন জি, বর্মন দাদা সবার গানই তুমি গেয়েছ। কিছু কি মনে আছে এক-দু লাইন করে যেটা তোমার খুব পছন্দ ছিল?

আশা ভোঁসলে: অনেক মিউজিক ডিরেক্টরের গান গেয়েছি। সব বলতে গেলে দুই দিন লেগে যাবে। খেমচাঁদ জি থেকে শুরু করে সবার কাছে গিয়েছি। আমি আর কিশোর দা খেমচাঁদ জির কাছে প্রথম গেয়েছিলাম। যখন কিশোরদার প্রথম ছবি ছিল ‘আন্দোলন’। আর বর্মন দাদার গান আমার খুব মনে পড়ে। আমাদের বলা উচিত যে বাংলা আমাদের অনেক ভালো মিউজিক ডিরেক্টর আর গায়ক দিয়েছে। আমরা বাংলা থেকে অনেক কিছু শিখেছি। আপনি আছেন, বর্মন দাদা ছিলেন, হেমন্ত দা ছিলেন। পঙ্কজ মল্লিক আর রায় বাবুকেও ছোটবেলা থেকে শুনে আসছি। আপনার গান আমি প্রথম গেয়েছিলাম মনে আছে? আপনার হয়তো মনে থাকবে না। একটা অপরাধী কৌন ছবির গান- ‘হা রে হা রে জান কিউ না যায়ে রে... কেয়া রাখা হ্যায় জিনে মে জলতে আঁশু পিনে মে...’ আমি আপনাকে নকল করার চেষ্টা করতাম। এভাবেই আমি সব মিউজিক ডিরেক্টরকে নকল করেছি।

এসডি বর্মনের কাছে সুর তুলছেন আশা 


সলিল চৌধুরী: এই যে শ্রদ্ধাটা তোমার আর লতার মধ্যে দেখেছি যে মিউজিক ডিরেক্টর যত ছোটই হোক, সে যখন স্টেজে আছে তাকে সম্মান করা প্রাইমারি ডিউটি ছিল তখনকার আর্টিস্টদের। এখন অনেক সময় বড় সিঙ্গারেরা ভাবে আমি তো বড়, মিউজিক ডিরেক্টরের স্টাইল মানব না।

আশা ভোঁসলে: আমার মনে হয় প্রত্যেক মিউজিক ডিরেক্টর যতক্ষণ গান শেখাচ্ছেন ততক্ষণ তিনি আমাদের গুরু। ছোট হোক বা বড়, গুরুকে সম্মান করা আর ওনার দান গ্রহণ করা শিষ্যের কাজ।

সলিল চৌধুরী: আচ্ছা এক কথা বলো, তুমি বিশ্বের অন্যতম বিস্ময় লতা মঙ্গেশকরের বোন। তা সত্ত্বেও লতার স্টাইল নকল না করে তুমি নিজের একটা সম্পূর্ণ আলাদা স্টাইল কিভাবে তৈরি করলে যেটা শুনলেই বোঝা যায় এটা আশা ভোঁসলে গাইছে?

আশা ভোঁসলে: শুরু থেকেই ছোটবেলায় ছোট বোন দিদির অনুকরণ করে। দিদি যেভাবে গান গাইতেন আমি তাই করতাম। কিন্তু দিদির নাম যখন খুব বড় হয়ে গেল তখন আমি ভাবলাম দিদির মতো গাইলে আমাকে গান কে দেবে? আমার কোনো নিজের জায়গা থাকবে না। লোকে বলবে দিদির মতো গায় কিন্তু লতা তো নয়। এই ‘মতো’ হওয়াটা আমার জীবনে পছন্দ ছিল না। আমার গান আমার মতো হওয়া উচিত। নিজের একটা সত্তা থাকা দরকার। তাই দিদির থেকে একদম আলাদা একটা পথ বেছে নিলাম। ছোটবেলায় কারমেন মিরান্ডার গান খুব শুনতাম। সেটা আমাদের সঙ্গীতের চেয়ে আলাদা ছিল। তারপর ওপি নায়ারের সেই গান এল- ‘মিস্টার জন বাবা খান... লা লা লা রোশনদান...’এটা আমি গেয়েই খুব প্রশংসা পেলাম। আন্না শ্রীরামচন্দ্র আমাকে আলাদা করে শিখিয়েছেন। এভাবেই আস্তে আস্তে আমার গলা তৈরির স্টাইল দিদির থেকে আলাদা করে নিলাম।

সলিল চৌধুরী: এখন যে কথাটি বলতে চাইছি যে তুমি তো পৃথিবীর প্রায় সব দেশে ঘুরেছ। সব দেশে পারফর্ম করেছ। সেখানকার জীবনযাত্রা দেখে ভারতবর্ষ সম্পর্কে তোমার কি ধারণা? তুমি বলছিলে যে লন্ডনে গিয়ে আমার কলকাতার কথা মনে হয়।

আশা ভোঁসলে: আমরা ভারতীয়। যেখানেই যাই দেশের কথা মনে পড়ে। লন্ডনে একজন আমাকে জিজ্ঞেস করেছিল যে ইন্ডিয়া, লন্ডন নাকি আমেরিকা কোনটা পছন্দ? আমি বলেছি লন্ডন খুব সুন্দর জায়গা কিন্তু আমি মরতে চাই আমার দেশের মাটিতে। সেটা যেমনই হোক আমার মাটি। ওনাদের খুব ভালো লেগেছিল আমাদের এই ভালোবাসা দেখে। আমাদের ক্লাসিক্যাল মিউজিক আর ডান্স এত মহান যে পৃথিবীর অন্য কোথাও এর তুলনা নেই। সব গানের বেস হলো ক্লাসিক্যাল। তবে ওয়েস্টার্ন মিউজিকেও একটা সায়েন্টিফিক ট্রেনিং থাকে। আমি ওটা দেখেছি। ওরা ফলসেটো (একটি বিশেষ কণ্ঠ কৌশল) কিভাবে লাগাতে হয় শেখায়। কিন্তু আমি মনে করি সকালে সাতটা থেকে সাড়ে সাতটা ওঙ্কার জপ করলে গলা অনেকদিন পর্যন্ত ইয়ং রাখা যায়। আমরা তো পেট খুলে গাই, ফলসেটোতে গাই না।

সলিল চৌধুরী: তার প্রমাণ তো তুমি নিজেই। ৩০ বছর আগে তোমার যা ভয়েস ছিল এখনও তাই আছে। এখানে বাঙালি শ্রোতাদের কাছে তুমি ভীষণ ভালোবাসার মানুষ কারণ বাঙালি কালচারকে নিজের মতো করে গ্রহণ করেছো। বিশেষ করে রবীন্দ্রসঙ্গীত গেয়েছো যা আমাদের কাছে অত্যন্ত শ্রদ্ধার। রবীন্দ্রসঙ্গীত গেয়ে প্রত্যেক বাঙালির মনে জায়গা করে নিয়েছো। 

আশা ভোঁসলে: রবীন্দ্রসঙ্গীত আমার খুব ভালো লাগে। রবীন্দ্রনাথ আমার কাছে অত্যন্ত শ্রদ্ধেয়। ছোটবেলায় ওনার ‘গোরা’ পড়েছি। শরৎচন্দ্র আর রবীন্দ্রনাথ পড়ার পর থেকেই আমরা কলকাতার ভক্ত হয়ে যাই। রবীন্দ্রসঙ্গীত গাওয়া একটু কঠিন কারণ অনেক বাধন থাকে।

সলিল চৌধুরী:কলকাতাকে তুমি কেন ভালোবাসো?

আশা ভোঁসলে: সবাই আমাকে জিজ্ঞেস করে যে আপনি কলকাতাকে এত কেন ভালোবাসেন। নোংরা, ধুলো, লোডশেডিং- তবুও আমার ভালো লাগে। শরৎচন্দ্রের সব বই পড়ার পর থেকেই মনে হয়েছে আমি হয়তো গত জন্মে কলকাতায় জন্মেছিলাম। ৫২ সালে যখন কলকাতায় প্রথম আসি তখন সবাইকে জিজ্ঞেস করতাম মাছের ঝোল কি, চিংড়ি কি। আমি সব অলিগলি ঘুরেছি। লন্ডনে বা আমেরিকায় গিয়েও মনে হয় ফিরে এসে নিউ মার্কেটটা একটু ঘুরে আসি। একবার প্রোগ্রাম করে বেরোনোর পর এক বৃদ্ধ মহিলা আমার পা ধরে বলেছিলেন, ‘আশা মা, ও কালী মা, ও দুর্গা মা, কবে ফিরে আসবে গো?’ আমার খুব কান্না পেয়েছিল কারণ আমি তো এক সাধারণ মেয়ে। এই যে ভালোবাসা কলকাতা আমাকে দিয়েছে তা কোথাও পাওয়া যায় না।

সলিল চৌধুরী: কলকাতার এটা নিয়ে গর্ব হওয়া উচিত। আজকের মেয়েরা অনেক বেশি স্বাধীনতা পায়, তারা পাইলট হচ্ছে, বিজনেস সামলাচ্ছে। কিন্তু তোমার সময়ে তো অনেক বাধন ছিল।

আশা ভোঁসলে: তখন মেয়েদের পড়াশোনার চেয়ে বিয়ে আর গানই বড় ছিল। আমার যখন বাচ্চা হল তখন আমরা অনেক স্ট্রাগল করেছি। একা হাতে তিন বাচ্চাকে বড় করেছি। ভোরে উঠে কুয়ো থেকে জল তোলা, উঠোনে জল ছেটানো, রান্না করা- সব করে স্টুডিওতে যেতাম। ট্রেনের দরজায় ঝুলে যেতাম কারণ ভিড়ে জায়গা থাকত না। আমার ছেলের নাম হেমন্ত রেখেছি কারণ হেমন্ত মুখোপাধ্যায়ের গান আমি খুব পছন্দ করতাম। ‘আঁচল সে কিউ বান্ধ লিয়া মুঝ পরদেশী কা প্যার’ গানটি আমাকে খুব প্রেরণা দিয়েছিল। ঈশ্বর আমাকে অফুরন্ত শক্তি দিয়েছেন বলেই সব সামলে নিতে পেরেছি। আজকের প্রজন্মের কাছে এটা একটা বড় উদাহরণ।

স্বামী আরডি বর্মনের সঙ্গে আশা ভোঁসলে


সলিল চৌধুরী: তোমার প্রথম সাকসেস কবে এসেছিল?

আশা ভোঁসলে: প্রথম বড় ব্রেক পেলাম ‘নয়া দৌড়’ ছবিতে ওপি নায়ার সাহেবের সাথে। ‘মাঙ্গ কে সাথ তুমহারা ম্যায়নে মাঙ্গ লিয়া সংসার’ গানটি খুব হিট হয়েছিল। কিন্তু বিধাতা যখন কিছু দেয় তখন হয়তো অন্য কিছু কেড়েও নেয়। টাকা, নাম সব পেলাম কিন্তু সুখের কিছু জিনিসও চলে গেল। তবে আমি সবসময় হাসিখুশি থাকতে ভালোবাসি। আমি হাসলে সবাই হাসবে। মানুষ হাসলে আনন্দ পায়। আমি অনেক সময় মনের ভেতরে কাঁদতে কাঁদতে বাইরে হেসে গান গেয়েছি। এটা হয়তো অনেকে বুঝতে পারেনি। আজ প্রথমবার আপনাদের সামনে এই মনের কথাগুলো বললাম।

(ঈষৎ সংক্ষেপিত)

/এমএমএইচ


Logo