×
Logo

আন্তর্জাতিক

আল জাজিরা এক্সপ্লেইনার

২০২৬ সালে এখন পর্যন্ত চীনে সফর করেছেন ২৩টি দেশের ২৬ নেতা

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ০২ জুন ২০২৬, ০৭:৪৫ পিএম

২০২৬ সালে এখন পর্যন্ত চীনে সফর করেছেন ২৩টি দেশের ২৬ নেতা

চলতি বছরে চীনে বিশ্বনেতাদের একের পর এক সফর দেশটির ক্রমবর্ধমান কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক প্রভাবের ইঙ্গিত দিচ্ছে। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার বিশ্লেষণ অনুযায়ী, ২০২৬ সালে এখন পর্যন্ত ২৩টি দেশের ২৬ জন শীর্ষ নেতা ও জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা চীন সফর করেছেন।

সর্বশেষ এই তালিকায় যুক্ত হয়েছেন ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইয়ভেট কুপার। তিন দিনের সফরে, তিনি বেইজিংয়ে চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং-ই এবং ভাইস প্রেসিডেন্ট হান ঝেংয়ের সঙ্গে বৈঠক করবেন। এরপর প্রযুক্তি ও বিজ্ঞান সহযোগিতার বিষয় নিয়ে সফর করবেন দেশটির দক্ষিণের প্রযুক্তিনগরী শেনজেনে।

চীন সফরকারী নেতাদের মধ্যে রয়েছেন রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, চ্যান্সেলর, ক্রাউন প্রিন্স ও পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা। তালিকায় আছে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, রাশিয়া, জার্মানি, কানাডা, স্পেন, পাকিস্তান, ইরান, ব্রাজিল, ভিয়েতনামসহ ইউরোপ, এশিয়া, আফ্রিকা, মধ্যপ্রাচ্য ও লাতিন আমেরিকার গুরুত্বপূর্ণ দেশগুলো।

বিশ্লেষকদের মতে, চীনে এই ধারাবাহিক সফরের মূল লক্ষ্য হচ্ছে বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও প্রযুক্তি সহযোগিতা জোরদার করা। বিশেষ করে বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তার মধ্যে অনেক দেশই চীনের বিশাল বাজার ও বিনিয়োগ সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে চাইছে।

এদিকে, চলতি বছর, চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং বিদেশ সফরের পরিবর্তে দেশেই বিদেশি অতিথিদের স্বাগত জানাচ্ছেন, যা বেইজিংয়ের ‘হোস্ট-ডিপ্লোমেসি’ কৌশল হিসেবে দেখা হচ্ছে।

আল জাজিরার তথ্য অনুযায়ী, সফরকারী দেশগুলোর মধ্যে ইউরোপীয় দেশগুলোর উপস্থিতি সবচেয়ে বেশি, যা মোট তালিকার প্রায় এক-তৃতীয়াংশ। যুক্তরাজ্য, জার্মানি, স্পেন, আয়ারল্যান্ড ও ফিনল্যান্ডের মতো দেশগুলোর নেতারা বাণিজ্য ও কৌশলগত মতবিরোধ থাকা সত্ত্বেও চীনের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদারে আগ্রহ দেখাচ্ছেন।

চীন বর্তমানে বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ বাণিজ্যিক শক্তি। ২০২৫ সালে দেশটির মোট পণ্য বাণিজ্যের পরিমাণ দাঁড়ায় প্রায় ৬.৫ ট্রিলিয়ন ডলার, যা এটিকে টানা নবম বছরের মতো বিশ্বের শীর্ষ পণ্য বাণিজ্যকারী দেশ হিসেবে ধরে রেখেছে।

বিশ্লেষকরা বলছেন, যুক্তরাষ্ট্র, ভিয়েতনাম, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া ও ভারত চীনের শীর্ষ বাণিজ্য অংশীদার হলেও বৈশ্বিক সরবরাহ শৃঙ্খলে বেইজিংয়ের প্রভাব এখন আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি।

/এআই 

Logo