×
Logo

অর্থনীতি

নভেম্বর-ডিসেম্বর এলেই বাড়ে পেঁয়াজের ঝাঁঝ

বিজনেস ডেস্ক

প্রকাশ: ০৮ নভেম্বর ২০২৫, ০১:৩৭ পিএম

নভেম্বর-ডিসেম্বর এলেই বাড়ে পেঁয়াজের ঝাঁঝ

প্রতিবছরই নভেম্বর-ডিসেম্বরে বেড়ে যায় পেঁয়াজের দর। গত দু'বছর ধরে সেঞ্চুরির ঘর ছুঁয়েছে। এই সময়ে দরবৃদ্ধির কারণ কী? ব্যবসায়ী ও কৃষকরা বলছেন, হালি পেঁয়াজের মৌসুম শেষের সময়। অন্যদিকে মুড়িকাটা বাজারে আসতে, অপেক্ষা করতে হবে, দেড় থেকে দু'মাস। বন্ধ রয়েছে আমদানিও। তাই বেড়েছে ঝাঁঝ। জোরালো অভিযোগ, মৌসুম শেষে সুযোগ নিচ্ছে, সিন্ডিকেট। নেপথ্যে কলকাঠি নাড়ছে, আমদানিকারকরা।

পাবনার সুজানগরে, বিস্তীর্ণ মাঠজুড়ে চলছে মুড়িকাটা পেঁয়াজের আবাদ। ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষক। এখনও দেড় থেকে দু'মাস সময় লাগবে এই পেঁয়াজ বাজারে উঠতে।

বীজতলা তৈরির টাকা জোগাড় আর মৌসুম শেষে লোকসানের শঙ্কা। তাই আগেভাগেই মজুদ বিক্রি করে দিয়েছে কৃষক।

একই চিত্র রাজবাড়ী আর ফরিদপুরেও। আড়তেও নেই তেমন সংগ্রহ। ক'দিনের ব্যবধানেই ৭০ টাকা দরের এই নিত্যপণ্যের দাম পার করেছে শতকের ঘর, বলছেন পাইকাররা।

রাজধানীর আড়তে অবশ্য সরবরাহে ঘাটতি নেই। তবে তাতেও লাগাম টানা যায়নি ঊর্ধ্বগতির। আড়তদারদারদের মতে, হালি পেঁয়াজের মৌসুম শেষ পর্যায়ে। অন্যদিকে বন্ধ রয়েছে আমদানি। তাই, বাজারে নতুন জাত না উঠলে দর কমবে না।

প্রতিবছরই নভেম্বর-ডিসেম্বরে বাড়তি থাকে পেঁয়াজের দর। গেলো দু'বছরেও সেঞ্চুরি পার করেছে দাম। কিন্তু, বাজার নিয়ন্ত্রণে নেই কার্যকরী পদক্ষেপ অভিযোগ ক্ষুব্ধ ক্রেতাদের। বলছে, প্রতিবছরই এ সময়ে সুযোগ নিয়ে থাকে সিন্ডিকেট; আর রসদ জুগিয়ে থাকে, আমদানিকারকরা। অথচ, বাজার তদারকির দায়িত্ব যাদের, সেই ভোক্তা অধিকার অধিদফতর এ বিষয়ে কোন বক্তব্য দেয়নি।

বছরে পেঁয়াজের বার্ষিক চাহিদা ২৫ থেকে ২৭ লাখ টন। ২১ লাখ টন দেশীয় উৎপাদন দিয়ে পূরণ করা হয়।

/এটিএম

Logo