×
Logo

বিনোদন

যে ভালোবাসা শুরু হয়েছিল ‘জাদুকর’-এ, শেষ হলো বিচ্ছেদের সিদ্ধান্তে

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ০৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:১৯ এএম

যে ভালোবাসা শুরু হয়েছিল ‘জাদুকর’-এ, শেষ হলো বিচ্ছেদের সিদ্ধান্তে

তারকাদের প্রেমের গল্পে দর্শকের আগ্রহ বরাবরই বেশি। পর্দায় কিংবা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাদের একসঙ্গে দেখা-প্রেম-বিয়ে সবকিছুই ভক্তদের কাছে হয়ে ওঠে বিশেষ কিছু। তাই সেই সম্পর্কের শেষের খবরটাও আসে আলোচনার কেন্দ্রে।

সেই তালিকায় নতুন করে যুক্ত হলো প্রীতম হাসান ও শেহতাজ মনিরা হাশেমের নাম।

দীর্ঘদিনের সম্পর্ক ও দাম্পত্য জীবনের অবসান ঘটিয়ে আলাদা হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন এই তারকা জুটি। রোববার (৪ অক্টোবর) রাতে নিজেদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া পৃথক পোস্টে তারা জানান, একসঙ্গে কাটানো সময় ও স্মৃতির জন্য তারা কৃতজ্ঞ। পরস্পরের প্রতি এখনও যত্ন ও শ্রদ্ধা রয়েছে। তবে সময়ের সঙ্গে তারা উপলব্ধি করেছেন, পারস্পরিক বোঝাপড়ার অভাবে আলাদা থাকাই তাদের জন্য ভালো। দীর্ঘ সময় ভেবেচিন্তে এবং পরস্পরের সম্মতিতেই এবং  পরিবারের সমর্থন নিয়ে তারা বিবাহবিচ্ছেদের প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে নতুন অধ্যায়ের দিকে এগিয়ে যাচ্ছেন।

২০১৭ সালে ‘জাদুকর’ গানের মিউজিক ভিডিওতে কাজের সূত্রে ধরেই প্রীতম-শেহতাজের পরিচয় । সেই পরিচয় পরে রূপ নেয় গভীর প্রেমে। কয়েক বছরের সম্পর্কের পর, ২০২২ সালের অক্টোবরে, বিয়ের পিড়িতে বসেন এই জুটি। অর্থাৎ পরিচয় থেকে প্রেম, এরপর বিয়ে সব মিলিয়ে দীর্ঘ ১০ বছরের পথচলা। 

কিন্তু দীর্ঘ সময়ের সম্পর্কও সবসময় একই বাস্তবতায় আটকে থাকে না। মানুষ বদলায়, বদলায় জীবনের অগ্রাধিকার ও প্রত্যাশা। কখনো কখনো পাশাপাশি পথ চলতে চলতেই দু'জন মানুষ বুঝতে পারেন, সামনে যাওয়ার পথটি হয়তো আর এক নয়।

বাংলাদেশের বিনোদন অঙ্গনে এমন উপলব্ধি অবশ্য নতুন নয়। এর আগে, সবচেয়ে আলোচিত উদাহরণগুলোর একটি ছিল তাহসান রহমান খান ও রাফিয়াত রশিদ মিথিলার বিচ্ছেদ। ২০০৬ সালে, বিয়ে করা এই জুটি ২০১৭ সালে তাদের দাম্পত্যের ইতি টানার ঘোষণা দেন। দীর্ঘ সময়ের সম্পর্কের পর তাদেরও পথ আলাদা হয়ে যায়।

প্রীতম–শেহতাজের ঘটনাটিও তাই শুধু আরেকটি তারকা-বিচ্ছেদের খবর নয়। এটি মনে করিয়ে দেয়, ভালোবাসা থাকলেও কখনো কখনো একসঙ্গে জীবন কাটানোর বাস্তবতা, আলাদা সিদ্ধান্তের দিকে নিয়ে যেতে পারে।

ভালোবাসা শুধু একসঙ্গে থাকার নাম নয়। একটি সম্পর্ক টিকিয়ে রাখতে প্রয়োজন পারস্পরিক বোঝাপড়া, সম্মান, মানিয়ে নেওয়ার ইচ্ছা এবং দুজনের সম্মতি। আর যখন সেই জায়গাগুলো আর কাজ করে না, তখন শুধু সামাজিক চাপ বা মানুষের কথার জন্য সম্পর্ক ধরে রাখার চেয়ে, নিজেদের বাস্তবতাকে স্বীকার করাও কখনো কখনো পরিণত সিদ্ধান্ত হতে পারে।

/এনজেএস/এআই

Logo