×
Logo

বিনোদন

বাংলাদেশ-নেপাল যৌথ আয়োজনে ‘গ্লোবাল এক্সিলেন্স অনার ২০২৬’ অনুষ্ঠিত

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ১০ জুন ২০২৬, ০২:১৮ পিএম

বাংলাদেশ-নেপাল যৌথ আয়োজনে ‘গ্লোবাল এক্সিলেন্স অনার ২০২৬’ অনুষ্ঠিত

বাংলাদেশ ও নেপালের সাংস্কৃতিক ও পেশাগত সহযোগিতাকে আরও সুদৃঢ় করার লক্ষ্যে রাজধানীর উত্তরা লিবার্টি ক্লাব লিমিটেডে (ইউএলসিএল) আন্তর্জাতিক সম্মাননা অনুষ্ঠান ‘গ্লোবাল এক্সিলেন্স অনার ২০২৬’ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বাংলাদেশের আইডিয়া এক্সচেঞ্জ এবং নেপালের বিলক্ষণ ক্রিয়েশন প্রাইভেট লিমিটেডের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে শিল্প, সংস্কৃতি, চলচ্চিত্র, গণমাধ্যম, সংগীত, গবেষণা, ব্যবসা, সামাজিক নেতৃত্ব এবং সৃজনশীল কর্মকাণ্ডে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ বাংলাদেশের ৩০ জন এবং নেপালের ১৬ জন বিশিষ্ট ব্যক্তিকে সম্মাননা প্রদান করা হয়। 

অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ফেডারেশন অব ফিল্ম সোসাইটিজ এর সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নুরুল্লাহ। অনুষ্ঠানের সার্বিক আয়োজন ও সমন্বয়ে নেতৃত্ব দেন আইডিয়া এক্সচেঞ্জ এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এবং জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত চলচ্চিত্র নির্মাতা খন্দকার সুমন।

অনুষ্ঠানে বিশেষভাবে উপস্থিত ছিলেন বিলক্ষণ ক্রিয়েশন প্রাইভেট লিমিটেড এর চেয়ারম্যান জনাব ডাব্বু ক্ষেত্রি। তাঁর উপস্থিতিতে বাংলাদেশ ও নেপালের সম্মাননাপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের হাতে সম্মাননা স্মারক, সনদপত্র এবং উত্তরীয় তুলে দেওয়া হয়।

বাংলাদেশ থেকে সম্মাননা প্রাপ্তদের মধ্যে ছিলেন চলচ্চিত্র নির্মাতা খিজির হায়াত খান, আকতানিন খায়ের তানিন, সুপিন বর্মণ, শ্যামল শিশির ও প্রযোজক শরিফ উল আনোয়ার সজ্জন; অভিনেত্রী নাজিয়া হক অর্ষা, মৌসুমী হামিদ, মার্শিয়া শাওন, তাসমিতা শিমু, আইনূন পুতুল, কাজী নওশাবা আহমেদ এবং আফসানা মিমি; অভিনেতা মোস্তাফিজুর নূর ইমরান, ফজলুল হক, সরকার রওনক রিপন, মোহাম্মদ রফিক ও মো. রকিবুল হাসান (রাকিব); সাংবাদিক ও গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব মাসুম অপু, আহমেদ তাওকির, আহমেদ জামান শিমুল, আল মাহমুদ মনজুর ও আহমেদ তেপান্তর; আধ্যাত্মিক সংগীতশিল্পী ও বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আব্দুল কুদ্দুস; লালনসংগীত শিল্পী আকরাম হোসেন ও গজল শিল্পী সৈয়দ ইসমাইল হোসেন; কলামিস্ট ও সংস্কৃতিকর্মী নাহিদ হাসান; উদ্যোক্তা ও সমাজকর্মী এম. রহমান সাগর, জাহির রায়হান, এবং মো. মোশারাফ।

বিশেষ অতিথি হিসেবে অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার কথা থাকলেও ব্যক্তিগত কারণে প্রখ্যাত অভিনেত্রী, নির্মাতা ও সাংস্কৃতিক সংগঠক আফসানা করিম মিমি অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করতে পারেননি। তার পক্ষে সম্মাননা স্মারক ও সনদ গ্রহণ করেন সাংস্কৃতিক কর্মী সানজিদ সুপ্ত।

অনুষ্ঠানটি দুই দেশের জাতীয় সঙ্গীতের মাধ্যমে শুরু হয়। পরবর্তীতে সম্মাননা প্রদান পর্ব অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে বাংলাদেশ ও নেপালের সম্মাননাপ্রাপ্তদের হাতে ক্রেস্ট, সনদপত্র ও উত্তরীয় তুলে দেওয়া হয়। এরপর অনুষ্ঠিত হয় সাংস্কৃতিক পরিবেশনা। অনুষ্ঠান শেষে নৈশভোজ ও সৌহার্দ্য বিনিময়ের মধ্য দিয়ে আয়োজনের সমাপ্তি ঘটে।

অনুষ্ঠানে আইডিয়া এক্সচেঞ্জ এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এবং জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত চলচ্চিত্র নির্মাতা খন্দকার সুমন বলেন, গ্লোবাল এক্সিলেন্স অনার কেবল একটি সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠান নয়; এটি বাংলাদেশ ও নেপালের মধ্যে সংস্কৃতি, সৃজনশীলতা, পেশাগত উৎকর্ষ এবং মানবিক মূল্যবোধভিত্তিক সহযোগিতার একটি সেতুবন্ধন। আমরা বিশ্বাস করি, শিল্প, সংস্কৃতি, গণমাধ্যম, ব্যবসা ও সামাজিক নেতৃত্বের ক্ষেত্রে অসাধারণ অবদান রাখা ব্যক্তিদের স্বীকৃতি দেওয়া ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করবে। এই আয়োজনের মাধ্যমে দুই দেশের মানুষের মধ্যে পারস্পরিক শ্রদ্ধা, বন্ধুত্ব এবং সহযোগিতার নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে।

বক্তারা তাদের বক্তব্যে বাংলাদেশ ও নেপালের মধ্যে সাংস্কৃতিক বিনিময়, সৃজনশীল সহযোগিতা এবং পেশাগত উৎকর্ষের স্বীকৃতি প্রদানের গুরুত্ব তুলে ধরেন। তারা আশা প্রকাশ করেন, ‘গ্লোবাল এক্সিলেন্স অনার’ ভবিষ্যতে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে সংস্কৃতি, সৃজনশীলতা, ব্যবসা ও মানবিক মূল্যবোধভিত্তিক সহযোগিতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

/এএন

Logo