নিবন্ধনের আওতায় খাবারের দোকান, ১ নভেম্বর থেকে খাবার ব্যবসায়ীদের আবেদন করতে হবে
অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:৩০ এএম
এখন থেকে শুধু দোকান খুলেই যত্রতত্র খাবার বিক্রি বন্ধ করতে চায় নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ। রাস্তার পাশে পিঠাপুলি বা ভাজাপোড়া বিক্রি থেকে শুরু করে খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকারী প্রতিষ্ঠানদের নিবন্ধন ও লাইসেন্স বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। মূলত, ১ নভেম্বর থেকে করতে হবে আবেদন।
২০ বছর ধরে, রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে, ফেরি করে ভাজাপোড়া বিক্রি করে চলেছেন মিজানুর রহমান। সকালে এক জায়গা তো বিকেলে আরেক। মিজানুরদের মতো এসব অস্থায়ী খাবারের দোকানকেও এখন নিবন্ধনের আওতায় আনতে চায় নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ।

কিন্তু কিভাবে করা হবে এই নিবন্ধন? করলে কি উপকার আর না করলে বিপত্তিই বা কি? এসব বিষয়ে কতোটুকু জানেন মিজানুররা?
উত্তরে মিজানুর রহমান বলেন, নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ কেউ আসে নাই, আলোচনাও হয় নাই।
অথচ, নিরাপদ খাদ্যের প্রবিধান অনুযায়ী, ১ নভেম্বর থেকে রেস্তোরাঁ, বেকারি, ক্যাটারিং প্রতিষ্ঠানদের নিবন্ধনের আবেদন করতে হবে।

আর শর্ত অনুযায়ী ফি দিয়ে, খাদ্যপণ্য উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান, আমদানিকারক ও বড় খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকারী প্রতিষ্ঠানকে লাইসেন্স নিতে হবে। তবে, মেয়াদ থাকবে ৩ বছর। এরপর করতে হবে নবায়ন।
যদিও, রেস্তোরাঁ মালিক সমিতির মতে, অস্থায়ী খাবারের দোকানের মতো তারাও রয়েছেন অন্ধকারে।

তবে নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ জানায়, প্রথমে বড়, মাঝারি স্থায়ী খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকারী প্রতিষ্ঠান ও পর্যায়ক্রমে অস্থায়ী বিক্রেতাদের আনা হবে এর আওতায়। কিন্তু কীভাবে, ভ্রাম্যমাণ খাবারের দোকান ও রেস্তোরাঁদের এর আওতায় আনা হবে, আর কি কি প্রবিধান থাকবে অনেক কিছুই এখনও আলোচনাধীন।
বিবিএস'র জরিপ মতে, দেশে স্থায়ী হোটেল ও রেস্তোরাঁর সংখ্যা ৪ লাখ ৩০ হাজারের বেশি। আর অস্থায়ী, অনানুষ্ঠানিক খাদ্য ব্যবসার সাথে যুক্ত প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ১০ লাখ ছাড়িয়ে যাবে।
/এআই