বৃষ্টি প্রভাব এখনো কাটেনি রাজধানীর কাঁচাবাজারে। পণ্য সরবরাহে বিঘ্ন ঘটায় তার প্রভাব পড়েছে দামে। বেড়েছে মাছের দাম। সপ্তাহের ব্যবধানে মিঠা পানির বড় মাছের কেজিতে দাম বেড়েছে ৫০ টাকা পর্যন্ত। বাজারে দেখা মিলছে ইলিশ ও জাটকার, তবে দাম বেশি।
বিক্রেতাদের অজুহাত, সরবরাহ আগের থেকে বাড়তি, কিন্তু স্বাপ্তাহিক ছুটির দিনে আড়ত থেকে বাড়তি দামে মাছ কিনতে হচ্ছে।
এদিকে, স্বাভাবিক হয়নি মুরগির বাজার। চড়া দামে অপরিবর্তিত আছে সোনালি ও লেয়ার জাতের মুরগি। ব্রয়লার বিক্রি হচ্ছে ১৮৫ টাকা কেজিতে। আর দেশি মুরগির স্বাদ নিতে চাইলে গুণতে হবে ৭শ' টাকা কেজি।
মধ্যবিত্তের আমিষের চাহিদা পূরণের শেষ ভরসা ডিমের দামেও উর্ধ্বগতি। সপ্তাহের ব্যবধানে ডজনপ্রতি দাম বেড়েছে ১০ থেকে ১৫ টাকা পর্যন্ত। লাল ডিমের ডজন ১৩৫ টাকা। হাসের ডিমের জন্য দিতে হবে ২১০ টাকা। সাদা ডিম বিক্রি হচ্ছে ১২৫ টাকা ডজনে।
এদিকে, কয়েকদিনের ব্যবধানে বেশিরভাগ সবজির দাম কেজিতে ২০ থেকে ৪০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। বেশিরভাগ সবজি কিনতে গুণতে হচ্ছে ১০০ থেকে ১২০ টাকা। আর ভালো মানের কাঁচা মরিচ-শসার দাম ছুঁয়েছে ডাবল সেঞ্চুরি।
তবে রয়েছে ভিন্ন চিত্রও। আমদানি বাড়ায় টমেটোর দাম কিছুটা কমেছে। তুলনামূলক সস্তায় মিলছে পেঁপে, পেঁয়াজ আর আলুও।
বিক্রেতারা বলছেন, বৈরী আবহাওয়ায় পানিবন্দি সবজির ক্ষেত। অনেক ফলন নষ্ট হয়েছে। জোগানে দেখা দিয়েছে সংকট। নতুন সবজি বাজারে এলে তবেই স্বস্তি ফিরবে।
লাগামহীন এই পরিস্থিতিতে বিপাকে পড়েছেন সীমিত আয়ের মানুষ। আয়ের সাথে ব্যয়ের সঙ্গতি মেলাতে হিমশিম খাচ্ছে তারা। সাধারণ ক্রেতাদের অভিযোগ, তদারকি অভাবে ইচ্ছামতো দাম হাকানোর সুযোগ পাচ্ছে ব্যবসায়ীরা।
/এমএন