বিজিবিএ’র ২০২৬-২৮ মেয়াদের ৬৬টি স্থায়ী কমিটি গঠন
অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: ০৫ জুলাই ২০২৬, ১০:৪১ পিএম
২০২৬-২০২৮ মেয়াদের জন্য ৬৬টি স্থায়ী (স্ট্যান্ডিং) কমিটি গঠন করেছে বাংলাদেশ গার্মেন্ট বায়িং হাউস অ্যাসোসিয়েশন (বিজিবিএ)। রোববার (৫ জুলাই) রাজধানীর উত্তরা ক্লাবের ইউসিবি লাউঞ্জে অনুষ্ঠিত স্ট্যান্ডিং কমিটির পরিচিতি সভায় এ ঘোষণা দেওয়া হয়।
সভায় সভাপতিত্ব করেন বিজিবিএর সভাপতি মো. আবদুল হামিদ। এ সময় সংগঠনের সাবেক সভাপতি ও প্রধান উপদেষ্টা মোহাম্মদ পাভেল, কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য এবং নবগঠিত কমিটির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
বিজিবিএ নেতারা জানান, সংগঠনের কার্যক্রম আরও গতিশীল করা এবং গার্মেন্ট বায়িং হাউস খাতের বর্তমান চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাবনা মোকাবিলায় ৬৬টি স্থায়ী কমিটি গঠন করা হয়েছে। সদস্যদের প্রয়োজন ও সংগঠনের অগ্রাধিকার বিবেচনায় এসব কমিটিতে বিভিন্ন খাতের অভিজ্ঞ সদস্যদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
সংগঠনটির মতে, নবগঠিত কমিটিগুলো নীতিগত অ্যাডভোকেসি, বাণিজ্য সহায়তা, কমপ্লায়েন্স, সালিসি, সদস্যসেবা, সক্ষমতা উন্নয়ন, টেকসই উন্নয়ন, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক, ডিজিটাল রূপান্তর এবং বিনিয়োগ উন্নয়নসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে কাজ করবে। পাশাপাশি, দেশের তৈরি পোশাক (আরএমজি) রফতানি খাতের প্রবৃদ্ধি ও প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বাড়াতে ভূমিকা রাখবে।
বিজিবিএর সভাপতি মো. আবদুল হামিদ বলেন, ৬৬টি স্থায়ী কমিটি গঠন সংগঠনকে আরও শক্তিশালী, গতিশীল ও সদস্যকেন্দ্রিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতির প্রতিফলন। তিনি আশা প্রকাশ করেন, প্রতিটি কমিটি দায়িত্বশীল ও পেশাদারভাবে কাজ করে সংগঠন এবং দেশের পোশাক রফতানি খাতের উন্নয়নে অবদান রাখবে।
বিজিবিএর সাবেক সভাপতি ও প্রধান উপদেষ্টা মোহাম্মদ পাভেল কমিটির সদস্যদের সততা, আন্তরিকতা ও ঐক্যের সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান। তিনি বলেন, সদস্যদের সক্রিয় অংশগ্রহণই সংগঠনের সাফল্যের মূল শক্তি এবং নতুন কমিটিগুলো গার্মেন্ট বায়িং হাউস খাতের স্বার্থ রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
বিজিবিএ নেতারা জানান, সদস্য, সরকারি সংস্থা, আন্তর্জাতিক ক্রেতা ও উন্নয়ন সহযোগীদের সঙ্গে আরও কার্যকর সমন্বয়ের মাধ্যমে একটি স্বচ্ছ, টেকসই ও বৈশ্বিকভাবে প্রতিযোগিতামূলক গার্মেন্ট বায়িং হাউস খাত গড়ে তুলতে তারা কাজ করবে। পাশাপাশি, স্থায়ী কমিটিগুলোর কার্যক্রম শিল্পসংশ্লিষ্ট নীতিনির্ধারণ এবং পোশাক রফতানি খাতের দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়নে সহায়ক হবে বলে আশা প্রকাশ করেছে সংগঠনটি।
উল্লেখ্য, বিজিবিএ দেশের গার্মেন্ট বায়িং হাউসগুলোর শীর্ষ বাণিজ্য সংগঠন। সংগঠনটি সদস্যদের স্বার্থ সংরক্ষণ, নৈতিক ব্যবসায়িক চর্চা প্রসার, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সহজীকরণ এবং বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রফতানি খাতের টেকসই প্রবৃদ্ধি ও বৈশ্বিক প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বৃদ্ধিতে কাজ করে যাচ্ছে।
/এসএসটি/এএম