নিত্যপণ্যের বাজারে নেই স্বস্তি: আটা-চিনির পর চড়া মাছ ও পোল্ট্রির দর
অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: ২১ আগস্ট ২০২৬, ১১:৪০ এএম
কাগজে-কলমে মূল্যস্ফীতি কমার পরিসংখ্যান থাকলেও দেশের নিত্যপণ্যের বাজারে মিলছে না কোনো স্বস্তির খবর। কাঁচামরিচ ও ডিমের পর এবার নতুন করে বেড়েছে প্যাকেটজাত আটা ও চিনির দাম। পাশাপাশি সাপ্তাহিক ছুটির দিনে চড়া রয়েছে পোল্ট্রি ও মাছের বাজার। ফলে আয়ের সাথে ব্যয়ের সঙ্গতি মেলাতে গিয়ে চরম বিপাকে পড়েছেন সাধারণ ও নিম্ন-আয়ের ক্রেতারা।
রাজধানীর বিভিন্ন বাজার হুট করেই প্যাকেটজাত আটার দাম কেজিতে ৫ থেকে ১০ টাকা পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। খুচরা ব্যবসায়ীদের দাবি, কোম্পানি পর্যায় থেকেই দাম বাড়িয়ে সরবরাহ করা হচ্ছে। একই চিত্র চিনির বাজারেও; প্রতি কেজিতে ৫ থেকে ১০ টাকা বৃদ্ধির পাশাপাশি নতুন করে ঊর্ধ্বমুখী মসুর ডালের দরও।
এদিকে সীমিত আয়ের মানুষের প্রোটিনের অন্যতম প্রধান উৎস ডিমের বাজারও চড়া। প্রতি ডজন ডিম বিক্রি হচ্ছে ১৫০ টাকা দরে। দোকানিদের মতে, লোকসানের মুখে অনেক ছোট খামারি ব্যবসা বন্ধ করে দেওয়ায় বাজারে ডিমের জোগানে বড় ঘাটতি তৈরি হয়েছে।
অন্যদিকে সাপ্তাহিক ছুটির আঁচ লেগেছে ব্রয়লার মুরগির বাজারেও। প্রতি কেজি ব্রয়লার বিক্রি হচ্ছে ১৯০ থেকে ২০০ টাকায়। ফিডের উচ্চমূল্য না কমলে লেয়ার কিংবা দেশি মুরগির দাম কমার কোনো সম্ভাবনা নেই বলে জানিয়েছেন বিক্রেতারা।
বাজারে মাছের পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকলেও বাড়তি পরিবহন খরচের অজুহাতে প্রায় সব ধরনের মাছে কেজিতে ২০ থেকে ৩০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। আর চড়া দামের কারণে ইলিশ কেনা নিম্ন ও মধ্যবিত্তের জন্য অনেকটাই নাগালের বাইরে চলে গেছে।
বাজারের এমন অস্থিতিশীল পরিস্থিতিতে ভোক্তাদের দাবি, শুধু পরিসংখ্যানে সীমাবদ্ধ না থেকে পণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণে উৎপাদন পর্যায় থেকে শুরু করে খুচরা বাজার পর্যন্ত পুরো সাপ্লাই চেইনে নিয়মিত ও কঠোর তদারকি জোরদার করা হোক।