×
Logo

সারাদেশ

গাইবান্ধায় কওমি মাদ্রাসা শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ, পরিচালক গ্রেফতার

গাইবান্ধা করেসপনডেন্ট

প্রকাশ: ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১২:৫৯ পিএম

গাইবান্ধায় কওমি মাদ্রাসা শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ, পরিচালক গ্রেফতার

গাইবান্ধা সদর উপজেলায় এক মাদ্রাসাছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে দ্বীনের দিশারী মহিলা হাফেজিয়া ও কওমি মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক হাছান আলীকে (৬৯) গ্রেফতার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)-১৩।

রোববার (১ নভেম্বর) দুপুরে এসআরবি-১৩-এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বিপ্লব কুমার গোস্বামী স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এর আগে শনিবার (৩১ অক্টোবর) দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে পলাশবাড়ী উপজেলার ঢোলভাঙ্গা বাসস্ট্যান্ড এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতার হাছান আলী গাইবান্ধা সদর উপজেলার রামচন্দ্রপুর (পোড়াবাড়ীর মোড়) এলাকার মৃত কছিম উদ্দিনের ছেলে।

এসআরবি জানায়, প্রায় আট বছর আগে ওই কিশোরীকে মাদ্রাসার আবাসিক শাখায় ভর্তি করা হয়। পরবর্তী সময়ে তার বাবা-মা কাজের প্রয়োজনে ঢাকায় চলে যান। তাঁরা প্রতি মাসে গাইবান্ধায় এসে মেয়ের সঙ্গে দেখা করতেন এবং মাদ্রাসার খরচ দিয়ে যেতেন। প্রায় ছয় মাস আগে থেকে মাদ্রাসার পরিচালক ওই কিশোরীকে বিভিন্নভাবে অনৈতিক প্রস্তাব দিয়ে আসছিলেন। বিষয়টি কিশোরী তার বাবা-মাকে জানালে তারা পরিচালকের সঙ্গে ফোনে কথা বলেন।

এ সময় পরিচালক ভুল স্বীকার করে ভবিষ্যতে এমন ঘটনা আর ঘটবে না বলে আশ্বাস দেন।

অভিযোগ থেকে জানা যায়, গত ২৮ আগস্ট শুক্রবার সকাল ৬টার দিকে পরিচালক কিশোরীকে মাদ্রাসাসংলগ্ন নিজের বাড়িতে ডেকে নেন। সেখানে ধর্ষণ করেন। এ ঘটনা কাউকে জানালে হত্যা ও মরদেহ গুম করার হুমকিও দেওয়া হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

এরপর পরিচালক কিশোরীর বাবা-মায়ের সঙ্গে যোগাযোগ বন্ধ করে দেন। পরে কৌশলে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে ঢাকায় থাকা বাবা-মাকে নির্যাতনের বিষয়টি জানায় ওই কিশোরী। ৩১ আগস্ট তারা মাদ্রাসায় গিয়ে মেয়ের কাছ থেকে বিস্তারিত শোনেন। পরদিন ১ সেপ্টেম্বর গাইবান্ধা সদর থানায় পরিচালকের বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা করেন।

এসআরবি জানায়, মামলা দায়েরের পর থেকেই অভিযুক্তকে গ্রেফতারে গোয়েন্দা নজরদারি ও তৎপরতা বাড়ানো হয়। এরই ধারাবাহিকতায় শনিবার রাতে এসআরবি-১৩-এর গাইবান্ধা ক্যাম্পের (সিপিসি-৩) একটি দল পলাশবাড়ীর ঢোলভাঙ্গা বাসস্ট্যান্ড এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করে।

/এসআর 

Logo