×
Logo

সারাদেশ

বাউফলে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ইলিশ শিকার, ২৩ জন আটক

বাউফল করেসপনডেন্ট

প্রকাশ: ১২ অক্টোবর ২০২৬, ১২:০৯ এএম

বাউফলে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ইলিশ শিকার, ২৩ জন আটক

পটুয়াখালীর বাউফলে সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মা ইলিশ শিকারের দায়ে আট শিশুসহ মোট ২৩ জেলেকে আটক করেছে মৎস্য অধিদফতর। পরবর্তীতে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে প্রাপ্তবয়স্ক ১৫ জেলেকে ১৯ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। এছাড়া অভিযুক্তদের সহযোগী অপ্রাপ্তবয়স্ক আট শিশুকে মুচলেকা নিয়ে অভিভাবকদের জিম্মায় মুক্তি দেওয়া হয়।

রোববার (১০ অক্টোবর) দিনব্যাপী পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলা সংলগ্ন তেঁতুলিয়া নদীর বিভিন্ন মোহনা ও পয়েন্টে পরিচালিত এক বিশেষ যৌথ অভিযানে তাদের আটক করা হয়। অভিযানকালে জেলেদের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অবৈধ কারেন্ট জাল ও মাছ ধরার কয়েকটি নৌকা জব্দ করা হয়।

কারাদণ্ডে দণ্ডিতরা হলেন—বাউফল উপজেলার মমিনপুর গ্রামের কাশেম সিকদারের ছেলে রিপন সিকদার (২৫), ধুলিয়া গ্রামের হেলাল উদ্দিনের ছেলে জামাল হাওলাদার (২৭), বাকেরগঞ্জ উপজেলার ইসমাইল খানের ছেলে ছালাম খান (৪০), ধুলিয়া গ্রামের জব্বার হাওলাদারের ছেলে জাকির (২০), বাকেরগঞ্জের আবুল সরদারের ছেলে গনি সরদার (২৯), ধুলিয়া গ্রামের হারুন খানের ছেলে আবুল কালাম (২২), হেলাল হাওলাদারের ছেলে পারভেজ (২৯), চন্দ্রদ্বীপ ইউনিয়নের জাহাঙ্গীর ফকিরের ছেলে আরিফ ফকির (২২)।

একই ইউনিয়নের ইসমাইল প্যাদার ছেলে রমিজ প্যাদা (২৪), মতলেব খন্দকারের ছেলে ইসমাইল খন্দকার (২৫), আলমগীর হাওলাদারের ছেলে ফিরোজ হাওলাদার, ধুলিয়া গ্রামের সেলিম মিয়ার ছেলে কবির (৪০), মমিনপুর গ্রামের জালাল সিকদারের ছেলে সোলাইমান (২২), জালাল ফকিরের ছেলে ইলিয়াস ফকির (২৬) এবং সাইদুল আহমেদের ছেলে জাহিদুল (২০)।

বাউফল উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা এম এম পারভেজ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, প্রজনন মৌসুমে মা ইলিশ রক্ষায় সরকারি নিষেধাজ্ঞা জারি থাকা সত্ত্বেও কিছু অসাধু জেলে প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে নদীতে নেমে মাছ শিকারের চেষ্টা করছিল। এমন তথ্যের ভিত্তিতে দিনব্যাপী তেঁতুলিয়া নদীতে অভিযান চালিয়ে ২৩ জনকে আটক করা হয়।

পরে রাতে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাইয়েদ মাহমুদ বুলবুল ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন। তিনি মৎস্য রক্ষা ও সংরক্ষণ আইনে আটক ১৫ জেলেকে ১৯ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেন এবং আট অপ্রাপ্তবয়স্ক শিশুকে মানবিক বিবেচনায় অভিভাবকদের জিম্মায় মুচলেকা রেখে ছেড়ে দেওয়ার আদেশ দেন। মা ইলিশ সংরক্ষণে নদীতে এ ধরনের কঠোর অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে প্রশাসন।

/এএ 

Logo