রাজবাড়ীতে ধর্ষণ মামলায় যাবজ্জীবন, সন্তানের স্বীকৃতি পেল রাফিউল
রাজবাড়ী করেসপনডেন্ট
প্রকাশ: ১১ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:১৯ পিএম
রাজবাড়ীতে ধর্ষণ মামলার আসামি মো. ফারুখ হোসেনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও ৫ লাখ টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও এক বছরের কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। সেই সাথে তার জৈবিক চাহিদায় ভূমিষ্ঠ সন্তান রাফিউলকে স্বীকৃতি এবং ওয়ারিশ হিসেবে সমস্ত অধিকার প্রদানের নির্দেশ প্রদান করা হয়েছে।
রোববার (১১ অক্টোবর) দুপুরে রাজবাড়ীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনালের বিচারক (জেলা ও দায়রা জজ) মো. তহিদুল ইসলাম এ রায় দেন।
রায় প্রদানের সময় দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি ফারুক আদালতে অনুপস্থিত ছিলেন। সে পাংশা উপজেলার বাবুপাড়া এলাকার বাসিন্দা আহম্মদ খার ছেলে।
মামলার বিবরণে জানা যায়, গত ২০১৮ সালের ৩০ মে রাতে একই এলাকার বাসিন্দা এক নারীকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে খোকশায় তার এক আত্মীয়ের বাড়িতে রেখে ২ মাস ধর্ষণ করেন। পরে ঢাকায় চার মাস তাকে নিয়ে বসবাস করেন। এ ঘটনার পর ওই নারী অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পরলে একটি সালিশে মহিলাকে বিবাহ করার কথায় রাজি হয় ফারুখ। পরে বিবাহ না করে পালিয়ে যায় সে। ২০১৮ সালের ৯ নভেম্বর ভিকটিম বাদি হয়ে একটি মামলা দায়ের করেন।
এ বিষয়ে রাজবাড়ীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি ) এ্যাডভোকেট জাহিদ উদ্দিন মোল্লা জানান, আদালত দীর্ঘ শুনানি শেষে রোববার দুপুরে আসামি মো. ফারুখ হোসেনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড, ৫ লক্ষ টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও এক বছরের কারাদণ্ড প্রদান করেন। এ রায়ের মধ্য দিয়ে ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
তিনি আরও জানান, এই বাচ্চাটির আজ থেকে ২১ বছর পর্যন্ত ভরনপোষন সরকার বহন করবে। আর ফারুক হোসেনের জৈবিক চাহিদায় জন্ম নেওয়া সন্তান রাফিউলকে তার সন্তান হিসেবে স্বীকৃতি দিয়ে আদালত রায় প্রদান করেছেন এবং ওয়ারিশ হিসেবে এই বাচ্চা ফারুক হোসেনের সমস্ত কিছু পাবে।
/এসআর