×
Logo

সারাদেশ

চুয়াডাঙ্গায় বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে ব্যবসায়ীকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ১২:০৩ এএম

চুয়াডাঙ্গায় বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে ব্যবসায়ীকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ

চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা উপজেলায় বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে মোহাম্মদ চয়ন নামের এক ব্যবসায়ীকে আটকে রেখে পিটিয়ে হত্যার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। মারধরের পর ঘটনাটি ভিন্ন খাতে নিতে ‘আত্মহত্যা’র অপপ্রচার চালিয়ে একটি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে মরদেহ ফেলে রেখে পালিয়ে গেছে অভিযুক্তরা।

মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) দুপুরে আলমডাঙ্গা উপজেলার ওসমানপুর গ্রামে এ বর্বর ঘটনা ঘটে।

নিহত মোহাম্মদ চয়নের পরিবারের সদস্যরা অভিযোগ করে জানান, মঙ্গলবার সকালে চয়নকে মুঠোফোনে কল দিয়ে নিজ বাড়ি থেকে পার্শ্ববর্তী ওসমানপুর গ্রামে ডেকে নেয় স্থানীয় হেলাল নামের এক ব্যক্তি। চয়ন সেখানে পৌঁছালে তাকে একটি ঘরে আটকে রেখে এলোপাতাড়ি ও নির্মমভাবে শারীরিক নির্যাতন চালানো হয়।

মারধরের একপর্যায়ে অভিযুক্তরা চয়নের ছেলে মারুফের মোবাইল ফোনে কল দিয়ে জানায়, তার বাবার কাছে তারা টাকা পায়। সেই টাকা দ্রুত পরিশোধের জন্য চাপ দিতে থাকে। পরবর্তীতে নির্যাতনের মাত্রা বেড়ে গেলে চয়ন অচেতন হয়ে পড়েন এবং দুপুরের দিকে তার মৃত্যু হয়।

মৃত্যু নিশ্চিত হওয়ার পর ঘটনা ধামাচাপা দিতে অভিযুক্তরা পুনরায় পরিবারের কাছে ফোন করে দাবি করে যে চয়ন গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন। এরপর স্থানীয় একটি ভ্যানে করে চয়নের নিথর মরদেহ তড়িঘড়ি আলমডাঙ্গার হারদী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে জরুরি বিভাগের সামনে ফেলে রেখে কৌশলে সটকে পড়ে হেলাল ও তার সহযোগীরা।

হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, দুপুরে অজ্ঞাত ব্যক্তিরা চয়নের মরদেহ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রেখে দ্রুত পালিয়ে যায়। পরে পুলিশ ও পরিবারের সদস্যরা এসে লাশটি শনাক্ত করেন।

নিহতের স্বজনদের দাবি, এটি সম্পূর্ণ পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। টাকা পাওনার অজুহাতে ডেকে নিয়ে গিয়ে নির্মমভাবে পিটিয়ে তাকে হত্যা করা হয়েছে। ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত হেলাল পলাতক রয়েছে। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে পুলিশ জানিয়েছে, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে এবং এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের পাশাপাশি অভিযুক্তদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে।

/এএ 

Logo