অবশেষে নিয়োগ পাচ্ছেন স্থায়ী ঠিকানা না থাকা সেই মিশন আচার্য
ঝিনাইদহ করেসপনডেন্ট
প্রকাশ: ০৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:০১ পিএম
কেবলমাত্র স্থায়ী ঠিকানা না থাকায় নিয়োগপত্র হাতে পাননি ঝিনাইদহের মিশন আচার্য । তিনি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় চূড়ান্তভাবে উত্তীর্ণ হন। দ্বারে দ্বারে ঘুরেও যখন কোন কাজ হয়নি তখন তিনি মিডিয়ার আশ্রয় নেন। যা দৃস্টিগোচর হয় প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁনের। এরপর আর পেছন ফিরে তাকাতে হয়নি তার। রাশেদ খান শিক্ষামন্ত্রীর সাথে মিশন আচার্যকে নিয়ে সরাসরি দেখে করেন । অবশেষে নিয়োগপত্র পেতে যাচ্ছেন মিশন।
রোববার (৪ অক্টোবর) সকালে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বরাবর ডিও লেটার (আধা-সরকারি পত্র) দেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী মো. রাশেদ খাঁন।
মূলত, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ‘সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা-২০২৫’-এ চূড়ান্তভাবে উত্তীর্ণ হওয়া সত্ত্বেও স্থায়ী বসতভিটা না থাকার কারণে ঝিনাইদহ সদর উপজেলার চাকরিপ্রার্থী মিশন আচার্য নিয়োগপত্র হাতে পাননি। এ খবরে তোলপাড় সৃষ্টি হয়। অবশেষে রাশেদ খাঁন নিজে উদ্যোগী হয়ে শিক্ষামন্ত্রী বরাবর ডিও লেটার দেন এবং মিশন আচার্যকে সঙ্গে নিয়ে শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে সরাসরি দেখা করেন।
মিশন আচার্য ঝিনাইদহ জেলা শহরের কলাবাগান এলাকায় জন্মলগ্ন থেকে বসবাস করছেন বলে ডিও লেটারে উল্লেখ করেন রাশেদ খাঁন।
ছোটবেলা থেকে মিশন আচার্য পিতৃহীন হিসেবে বড় হয়েছেন। তবে তার গর্ভধারিণী মা তাকে অনেক কষ্ট করে পড়াশোনা শিখিয়েছেন। তিনি ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিন্যান্স এন্ড ব্যাংকিং বিভাগ থেকে পড়াশোনা সম্পন্ন করে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ‘সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা-২০২৫’-এ যথাযথভাবে উত্তীর্ণ হয়েছেন। কিন্তু তার স্থায়ী ঠিকানা না থাকায় চাকরির নিশ্চয়তা ছিল না।
জানা গেছে, মিশন আচার্যকে সঙ্গে নিয়ে আজ (রোববার) দুপুর ২টায় সচিবালয়ে শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন মো. রাশেদ খাঁন। শিক্ষামন্ত্রী তাৎক্ষণিক সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদেরকে ফোন করে মিশন আচার্যের নিয়োগের বিষয়টি চূড়ান্ত করার নির্দেশ দেন।
/এমএইচআর