×
Logo

সারাদেশ

ফরিদপুরে রাতে বাড়ির জানালা ভেঙে স্কুলছাত্রীকে অপহরণ, সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ

ফরিদপুর করেসপনডেন্ট

প্রকাশ: ০১ আগস্ট ২০২৬, ১২:৪৬ এএম

ফরিদপুরে রাতে বাড়ির জানালা ভেঙে স্কুলছাত্রীকে অপহরণ, সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ

ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলায় বসতঘরের জানালা ভেঙে অষ্টম শ্রেণির এক স্কুলছাত্রীকে (১৫) অপহরণের পর সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। বর্তমানে ওই কিশোরী ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছে।

বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) রাত ১টার দিকে উপজেলার ভাষাণচর ইউনিয়নের একটি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় স্থানীয় বাসিন্দারা দুই অভিযুক্তকে মোটরসাইকেলসহ আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছেন।

ভুক্তভোগী কিশোরীর খালা অভিযোগ করেন, কিশোরীর মা তার দাদির চোখের চিকিৎসার জন্য ফরিদপুরের একটি হাসপাতালে ছিলেন। বাড়িতে কিশোরীর অপর বোন ও ছোট ভাই সাথে ছিল। রাত ১টার দিকে ১০ থেকে ১৫ জনের একটি সশস্ত্র দল দেশীয় অস্ত্র নিয়ে ঘরটি ঘিরে ফেলে। দুর্বৃত্তরা প্রথমে দরজা খোলার জন্য চাপ সৃষ্টি করে। তবে ভেতর থেকে দরজা খুলতে অস্বীকৃতি জানালে দুর্বৃত্তরা ঘরের জানালা ভেঙে কিশোরীকে জোরপূর্বক টেনে-হিঁচড়ে তুলে নিয়ে যায়।

এ সময় স্বজন ও প্রতিবেশীরা বাধা দেওয়ার চেষ্টা করলে সশস্ত্র দলটি তাদের ওপর হামলার হুমকি দিয়ে এলাকায় আতঙ্ক সৃষ্টি করে। পরবর্তীতে কিশোরীকে তুলে নিয়ে একটি মোটরসাইকেলে করে পাশের গ্রামের একটি পুকুরের পাড়ে নিয়ে যায়। সেখানে তিন যুবক তাকে পালাক্রমে ধর্ষণ করে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

ওই এলাকার বাসিন্দাদের সুত্রে জানা যায়, সংঘবদ্ধ ধর্ষণের পর ভুক্তভোগী কিশোরী মারাত্মক অসুস্থ হয়ে পড়লে রাত ৩টার দিকে দুর্বৃত্তরা কিশোরীকে বাড়ির উঠানে ফেলে রেখে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। ওই সময় এলাকাবাসী ধাওয়া দিয়ে দুইজনকে মোটরসাইকেলসহ আটক করে গণপিটুনি দিয়ে তাদের সদরপুর থানা পুলিশের কাছে সোপর্দ করেন। আটকৃতরা হলেন, হেলাল মৃধা (২০) ও রইস শিকদার (১৬)। 

ভুক্তভোগীও জানালেন, প্রথমে দরজা খুলতে বললে খোলা না হলে পরে জানালা ভেঙে একটা ছেলেকে ঘরে ডুকিয়ে দেওয়া হয়। পরে ওই ছেলে দরজা খুলে দেয়। এই ঘটনায় অভিযুক্তদের কয়েকজন আগে থেকেই স্কুলে আসা-যাওয়ার পথে বিরক্ত করতো বলেও জানিয়েছে সে। 

এই ঘটনায় অভিযোগ পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে ফরিদপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শামছুল আজম বলেন, সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনায় আমরা একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। ঘটনাটি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করে আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

/এমএন

Logo