চুয়াডাঙ্গা জেলা কারাগার
লোহার শিকের আড়ালে অনিয়মের অন্ধকার
অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: ০৯ জুলাই ২০২৬, ০২:২০ পিএম
ছবি: চুয়াডাঙ্গা জেলা কারাগারের ফটক
নানা অনিয়মের চারণভূমি চুয়াডাঙ্গা জেলা কারাগার। বন্দিদের নানা কারণে ভয়ভীতি দেখিয়ে অর্থ হাতিয়ে নেয়া, জামিন পাওয়া বন্দিদের নতুন করে শ্যোন এরেস্টের হুমকি দিয়ে নতুন কৌশলে হাজার-হাজার টাকা আদায় সহ নানান অনিয়ম সাম্প্রতিক আলোচনায় এসেছে। অভিযোগের তীর খোদ কারাগারে দায়িত্বপ্রাপ্ত কারারক্ষীদের বিরুদ্ধে।
এছাড়াও সাক্ষাৎ, সিট বরাদ্দ ও চিকিৎসার জন্যও আর্থিক লেনদেনের অভিযোগ তো হরহামেশা। এই অভিযোগ গড়িয়েছে কারা অধিদফতর পর্যন্ত।
চুয়াডাঙ্গার জীবননগরের আব্দুল মজিদ সরকার অভিযোগ করে বলেন, বেশ কিছুদিন আগে কারাগার থেকে জামিন নিয়ে বাড়ি ফিরেছেন তিনি। তবে হাইকোর্টের জামিন আদেশের পরও কারামুক্ত হতে তাকে গুনতে হয়েছে আরও ২০ হাজার টাকা। যা কারাগারের সুবেদার, বাদশার পরিবারের ব্যক্তিগত বিকাশ নম্বরে লেনদেন হয়েছে।
এদিকে, একই কায়দায় কুষ্টিয়ার বন্দি মামুন-অর রশিদের কাছ থেকে ৭৬ হাজার টাকা আদায় করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। সবগুলো অভিযোগের তীর খোদ কারারক্ষী হেলাল উদ্দীনের বিরুদ্ধে।
এছাড়া অন্য বন্দী ও স্বজনেরা অভিযোগ করে বলেন, কারাগারে সাক্ষাৎ, সিট বরাদ্দ ও চিকিৎসার জন্যও আর্থিক অবৈধ লেনদেন হয়।
তবে, জামিনের পরও মুক্তির জন্য অর্থ বাণিজ্যের অভিযোগ কারা অধিদফতরের মহাপরিদর্শক পর্যন্ত গড়িয়েছে। তবে ঘটনা তদন্তে এরই মধ্যে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে বলে জেলা কারাগারের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।
উল্লেখ্য, কারা সূত্র জানায়, নানা অনিয়মে জর্জরিত এই কারাগারে গড়ে বন্দির সংখ্যা ৬শ ।
/এসআর